বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

ঈদে ঘুরে আসুন নিসর্গের অনুপম চারণক্ষেত্র হাটগ্রাম সোনালী সৈকত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সবচেয়ে বড় জলাধার চলনবিল এর মাঝেই আরেকটি বিল, নাম তার বড়বিলা। এলাকাবাসী এর নাম দিয়েছে সোনালি সৈকত।

এর কারন যতোদূরে চোখ যায় শুধুই জলরাশি। বড়বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে দুপারে। দিগন্ত রেখায় সবুজ সবুজ গ্রাম। এক অপরুপ প্রাকৃতিক নিসর্গের অনুপম চারণক্ষেত্র এই সোনালি সৈকত।

প্রকৃতির এ দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিদিন ভীর করেন হাজার হাজার মানুষ।

পাবনার ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর উপজেলার মাঝে এই সৈকতের অবস্থান। বিলের মাঝ দিয়ে চলে গেছে ভেড়ামাড়া-পাবনার গয়েশপুর পাকা সড়ক। সেই সড়কের হাটগ্রাম স্থানটিই এখন “সোনালি সৈকত” নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

সেখানেই এখন বর্ষার থৈ থৈ পানি আর প্রকৃতি দেখতে প্রতিদিন ছুটছে শহর থেকে হাজারে হাজারে মানুষ। আপনিও এই ঈদের ছুটিতে বেড়িয়ে আসতে পারেন পরিজন সাথে নিয়ে সোনালি সৈকতে।

শেষ বিকেলে সড়কের দুপারে আছড়ে পড়া ছোট ছোট বিলের ঢেউ দেখে মনে হবে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র সৈকতে এলাম।

সৈকতে আসা মানুষদের জন্য রয়েছে নৌকা ভ্রমনের ব্যবস্থা। বেশ অল্প খরচেই ভ্রমন করা যাবে নৌকায়।

পাবনা শহর থেকে হাজার হাজার মানুষ ভীর করেন সোনালী সৈকতের নির্মল বাতাসের স্বাদ গ্রহন করতে। ব্যয়বহুল কক্সবাজার আর কুয়াকাটার বিকল্প হিসেবে পাবনার মানুষ বেছে নিয়েছেন এই সোনালী সৈকত।

শুধু পাবনা থেকেই নয় পাশ্ববর্তি জেলা সিরাজগঞ্জ, নাটোর থেকেও মানুষ ছুটে আসছে এই সৈকতের একটু নির্মল বাতাস নিতে।

শত শত ডিঙি নৌকায় চড়ে তারা উপভোগ করছে অন্যরকম এক আনন্দ।

বিশেষ করে এবার ঈদের ভ্রমনটা পাবনাবাসীর জন্য সোনালী সৈকত নিয়ে এসেছে আনন্দের এক ভিন্ন মাত্রা।

এই সৈকত ঘিরে শত শত মানুষের কর্মের সংস্থানও হয়েছে। ডিঙি নৌকা, বিভিন্ন দোকানপাটের মাধ্যমে এই এলাকায় অনেকটা শান্তির বন্যা বইতে শুরু করেছে।

এলাকাবাসীরা জানান, এই এলাকা ছিল এক সময় দূর্গম। সড়ক ছিল না। ছিল চরমপন্থীদের অভয়ারন্য। এখন সব বদলে গেছে। এটাকে একটা পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন তারা।

সরকারের পৃষ্টপোষকতা পেলে এই স্থান হতে পারে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে আসে সমুদ্র সৈকতের স্পর্শ নিতে।

 

 


© All rights reserved 2018 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!