শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০১:১৬ অপরাহ্ন

এতদিন কোথায় ছিল তারা? জাতীয় ঐক্য নিয়ে খালেদা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে নির্মিত ১১ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবন ‘৭ মার্চ ভবন’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘৭ মার্চ’ ভবনের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের তাদের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে হবে এবং কোনভাবেই কোন ধরনের উশৃঙ্খলতা গ্রহণযোগ্য হবে না। বিশ্ববিদালয়ের নিয়ম মেনেই সকলকে চলতে হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্বশাসিত। এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের উপার্জনে চলবে তারও বিধান রয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানকার যারা শিক্ষার্থী তাদের এটা ভাবা উচিত যে, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে উচ্চশিক্ষা বাংলাদেশে দেওয়া হয়ে থাকে। প্রায় শতভাগ খরচই কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে। এটা পৃথিবীর কোন দেশে রয়েছে বলে আমার জানা নেই’।

তিনি বলেন, ‘এর মর্যাদাও শিক্ষার্থীদের দিতে হবে এবং বিশৃঙ্খলা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। সবাইকে একটা নিয়ম মেনে চলতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে হলে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মেনে সেভাবেই আচরণ করতে হবে। এটাই জাতি আশা করে’।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই সব দিক থেকে আমাদের ছেলে-মেয়েদের জীবনমান উন্নত হোক, তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে’।

এর আগে রোকেয়া হলের দুই ছাত্রী লিপি আক্তার ও শ্রাবণী ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন। সংগীত ও নৃত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনার আলোকে অনুষ্ঠানে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে।

এর আগে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ‘৭ মার্চ’ ভবন উদ্বোধন করেন। তিনি জাদুঘর পরিদর্শন এবং পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে ঢাবি’র এই ছাত্রী হলের ভবনটির নাম করন করা হয়েছে ‘৭মার্চ ভবন’।

এক হাজার শিক্ষার্থীর আবাসনে সক্ষম এই ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৮৮ কোটি টাকা। ভবনে রয়েছে পাঁচতলা প্রশাসনিক ব্লক, সার্ভিস ব্লক ও জাদুঘর। জাদুঘরে ৭ মার্চের ভাষণ, বাঙালিদের সশস্ত্র সংগ্রামের বিরল ছবি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে নারীদের অংশগ্রহণ ও অবদান সংক্রান্ত তথ্য রাখা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আখতারুজ্জামান।

ঢাবি প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) প্রফেসর নাসরিন আহমেদ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. কামালউদ্দিন এবং রোকেয়া হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. জিনাত হুদা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।


© All rights reserved 2018 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!