সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

চাটমোহরে সোন্দভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

স্টাফ রিপোর্টার : চাটমোহর উপজেলার ৫০নং সোন্দভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শনিবার সকালে ভবনের ছাদের বিমের অংশ ভেঙ্গে পড়ে। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্কুলে ছিলো না।

ভবনের দুটি কক্ষ পরিত্যক্ত হওয়ায় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা স্কুল মাঠে খোলা আকাশের নিচে গাছতলায় লেখাপড়া করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে পাঠদান করানো হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে গাছতলায়। শুধু তাই নয় স্কুলটিতে নানা সমস্যা বিরাজমান। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের।

উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের সোন্দভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনের একটি কক্ষের ছাদেও বিমের অংশ শনিবার সকালে ভেঙ্গে পড়ে। অন্য কক্ষগুলোতেও ফাটল ধরেছে। প্রথান শিক্ষিকাসহ শিক্ষকদের বসার অফিস কক্ষটিও একই ভবনে। সেটাতেও ফাটল ধরেছে। ফলে সেখানে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করতে হয় শিক্ষকদের।

সরেজমিনে শনিবার বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্কুল ভবনের সামনে খোলা মাঠে গাছতলায় বেঞ্চে পাঠদান করানো হচ্ছে।

চাটমোহরে সোন্দভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

১৯৪৫ সালে স্থাপিত স্কুলটি স্বাধীনতার পরই সরকারিকরণ হয়। এই স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২৭ জন। ৬ জন শিক্ষক পাঠদান করান। স্কুলে নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা। নেই সীমানা প্রাচীর। বড়াল নদী পাড়ের এই স্কুলের ভবনটি এতোটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে, যে কোনো মুহূর্তে ধ্বসে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ও শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শর্মিলি খন্দকার বলেন, ‘স্কুল ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আজ (শনিবার) ভবনের ছাদের অংশবিশেষ ভেঙে পড়েছে। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীদের বাইরে গাছতলায় বসিয়ে ক্লাস নিতে হচ্ছে। ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়েই ভবনে ক্লাস করানো হচ্ছে। অফিস রুমও এই ভবনে। শিক্ষকরাও ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছে।’

তিনি বলেন, ‘ছাদ ভেঙে পড়া ও ভবনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘সরেজমিনে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে নানা সমস্যা নিরূপণ করেছি। তবে বড় সমস্যা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করি ভবন বরাদ্দ হবে’

তিনি বলেন, ‘স্লিপের ৫০ হাজার টাকা ও মেরামতের ২০ হাজার টাকা রয়েছে। সেটা দিয়ে ভবনটি সংস্কার করে কিছুদিন চালানো যায় কি না তা দেখা হচ্ছে। খুব শিগগির এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৩:৪৮
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:১৪
    যোহরদুপুর ১১:৫৫
    আছরবিকাল ১৬:৩৪
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৮:৩৬
    এশা রাত ২০:০৬

পাবনা এলাকার সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি

© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!