বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন

ঢাকায় ঈশ্বরদীর আরমান হত্যা- জড়িতরা শনাক্ত

বার্তাকক্ষ : রাজধানীর উত্তরায় উবারের গাড়ির ভেতর চালক আরমান হোসেনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।

তাদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। শিগগিরই তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তদন্ত-সংশ্নিষ্টরা। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহত উবার চালক আরমান পাবনার ঈশ্বরদীর ফতেমাপুরের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে। তিনি মিরপুর ১১ নম্বর এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, হত্যা মামলার তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় নিতে কাজ করছে পুলিশ। হত্যার মোটিভ সম্পর্কেও জানার চেষ্টা চলছে।

ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোনো বিরোধ ছিল কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এ রহস্যের জট খুলতে পারে।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উত্তরা-১৪ নম্বর সেক্টরের ১৬ নম্বর সড়কে গাড়ির ভেতর গলা কেটে আরমান হোসেনকে হত্যা করা হয়। পুলিশ যখন লাশ উদ্ধার করে, তখনও গাড়ির ইঞ্জিন চালু ছিল। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, মোবাইল ফোনের অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবা উবারের গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন আরমান হোসেন।

তিনি বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২১ মিনিটে রামপুরার ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে যাত্রী নিয়ে উত্তরা-১৪ নম্বর সেক্টরে যান। গন্তব্যে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই তার রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যাত্রী হিসেবে গাড়িতে ওঠা ব্যক্তিরাই তাকে হত্যা করে। তবে গাড়ি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়নি বলেই মনে করছে পুলিশ।

তদন্ত সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলের আশপাশে বেশ কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। সেগুলো থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আলোর স্বল্পতা থাকলেও হত্যায় জড়িতদের শনাক্তে এই ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

গাড়ির মালিকের ছোট ভাই গোলাম আলী অন্তর বলেন, উবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা যাত্রীর নাম-ছবি-মোবাইল ফোন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে। দ্রুতই পুলিশ হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পারবে বলে আশা করেন তিনি।

নিহতের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন জানান, আরমানই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার এমন মৃত্যুর পর কীভাবে সংসার চলবে এটা ভেবে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তিনি।

তাদের দুই সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে ছোট মেয়ে আফরিনের বয়স এক বছরও পূর্ণ হয়নি। নয় বছরের নাঈম পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে। এখন পড়ালেখা তো পরের কথা, তাদের খাবার জুটবে কি-না তা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ রাবেয়ার বাবা বা ভাই কেউই নেই।

অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি উবার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্নিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান।


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৪:৩৯
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:৫৬
    যোহরদুপুর ১১:৪৪
    আছরবিকাল ১৫:৫৪
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৭:৩১
    এশা রাত ১৯:০১
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!