শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ০২:৪০ অপরাহ্ন

তারেকের মৃত্যুদণ্ড না হওয়ার রায়ে খুশি বিএনপি

২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল নায়ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত। বিএনপি আদালতের এ রায়কে প্রত্যাখ্যান করলেও তারেকের মৃতুদণ্ডের রায় না হওয়ায় খুশি দলের নেতারা। কারণ তারা ভেবেই নিয়েছিল তারেকের যে অপরাধ তাতে তার ফাঁসির রায় হবে। তবে শেষ পর্যন্ত তারেকের যাবজ্জীবন হওয়ায় সন্তুষ্ট দলের নেতারা।

২০০৪ সালের ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিলো বিএনপির রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। তারা আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে গ্রেনেড হামলা চালায়। তারেক রহমান মূলহোতা-মাস্টারমাইন্ড। বিএনপি রাষ্ট্রীয় মদদে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটায়। এরা সন্ত্রাসী সংগঠন, জঙ্গি সংগঠন। কানাডার ফেডারেল কোর্ট রায় দিয়েছে, বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন। ১০ অক্টোবর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় হয়েছে, এতে তারেক রহমানের যাবজ্জীবন হয়েছে।

তারেকের যাবজ্জীবন প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র এক নেতা বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে দলের মধ্যে এক ধরণের শঙ্কা তৈরি হয়েছিলো। কারণ গ্রেনেড হামলার মূল হোতা ছিলো তারেক; তাই তার মৃত্যুদণ্ড হবে বলে ধরে নিয়েছিল সবাই। বলতে দ্বিধা নেই যে, রায়ে তারেকের মৃত্যুদণ্ড না হওয়ায় আমরা খুশি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্য জানায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত নয় মাস ধরে কারাগারে আছেন। তাই খালেদার অবর্তমানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন লন্ডনে পলাতক তারেক রহমান। লন্ডনে থাকার কারণে দেশের রাজনীতিতে সরাসরি অংশ নিতে না পারায় দলের মধ্যে নানা ধরনের অসঙ্গতি তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যদি গ্রেনেড হামলার রায়ে তারেককে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতো তবে তা বিএনপির নেতৃত্বে সরাসরি আঘাত হানতো। কিন্তু তারেকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশে সেই শঙ্কা কিছুটা কমিয়েছে।

উল্লেখ্য, অর্থ পাচার এবং দুর্নীতির মামলায় এরপূর্বে তারেকের সাজা হয়েছে। তারেক গত ১০ বছর যাবত লন্ডনে অবস্থান করছে। সর্বশেষ গ্রেনেড হামালা মামলায় তাকে যাবজ্জীবন শাস্তি দিয়েছে আদালত। অভিযোগপত্রে তাকে ‘পলাতক’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।


© All rights reserved 2018 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!