বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

নানা চরিত্রে পারফর্ম করতে থাকারও একটা অদ্ভুত আনন্দ আছে: কামু

তিনি মূলত কবি। তবে শিল্প সংস্কৃতির অন্যান্য শাখা প্রশাখাতেও রয়েছে তার নিরব ও সরব বিচরণ। গান লেখা, সুর করা, চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং অভিনয়েও রেখেছেন স্বাক্ষর। বলছি কামরুজ্জামান কামুর কথা। জন্ম ৩১ জানুয়ারি ১৯৭১। শৈশবে রংপুরের পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন তিনি। গ্র্যাজুয়েশন করেন রংপুর কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে।

কামরুজ্জামান কামু বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন। পারিবারিক তিনি ব্যক্তিগত জীবনে নিগার সুলতানার স্বামী এবং নিতু নিগার ও তুনি নিগারের পিতা। ঈদের সপ্তম দিন চ্যানেল আইতে প্রচার হবে কামরুজ্জামান কামু অভিনীত টেলিছবি ‘দ্য অরজিনাল আর্টিস্ট’। মাহমুদুল ইসলামের রচনা ও পরিচালনায় এতে কামুর বিপরীতে আছেন নাবিলা। টেলিছবি, অভিনয়, চলচ্চিত্র ও গান নিয়ে প্রিয়.কমের সঙ্গে কথা বলেছেন কামু। চলুন পাঠক পড়ে নেওয়া যাক সেই আলাপচারিতা।

প্রিয়.কম: আপনিতো প্রথমতো, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়তো কবিই? নাকি কোনো সন্দেহ আছে? কবিতার জন্যই ঢাকায় আসা। পত্রিকায় চাকরি করা। একটা সময় আপনাকে অভিনয়ে দেখতে পাওয়া গেল। বিশেষ করে ছবিয়াল ভাই ব্রাদারদের নাটকগুলোতে। আমার মন বলছে আপনি ঠেলায় পইড়া অভিনয় শুরু করেছিলেন। মানে অন্যদের অনুরোধে। আসল গল্পটা যদি বলতেন…

কামু: হ্যাঁ, আমি সর্বতোভাবে কবি। তবে ঢাকায় আসাটা কিন্তু কবিতার জন্য ছিল না। সেটা ছিল জীবিকার অন্বেষণে। এসে আমি প্রথমদিকে নামে-বেনামে প্রচুর বুক-রিভিউয়ের কাজ করেছি। আর দিনের পর দিন অপেক্ষা করেছি, যেখানে বুক-রিভিউ করতাম, সেখানে হয়ত আমার একটা চাকরি হয়ে যাবে। কিন্তু যখন হচ্ছিল না, তখন আমি সন্ধান করতে থাকি, আমার যে কবিত্বের গুণটা আছে, এটাকে আর কীভাবে ব্যবহার করে জীবিকা-অর্জন করা সম্ভব। তখন আমি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সে ভর্তি হলাম। ফিল্মের বইপত্র পড়া শুরু করলাম যে, ছবি বানানোর জায়গাটাতে অনুপ্রবেশ করতে পারি কিনা। পরে অবশ্য একটা পত্রিকায় আমি রংপুর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাই। আমার তখন পড়াশোনাও শেষ হয়নি, আবার বিবাহিত। তাই রংপুরে ফিরে গেলাম। কিন্তু রংপুর প্রতিনিধি হিসেবে আমি যে বেতন পাইতাম তা দিয়ে আমার চলছিল না। ইতোমধ্যে আমার বড় মেয়ের জন্ম হয়ে গেছে। তাই মাস্টার্স শেষ করে সেই পত্রিকাটিতেই ঢাকায় এসে জয়েন করলাম। কিন্তু একই সমস্যা। বেতন যা পাই, তা দিয়ে নিজেরই চলত না। ইতোমধ্যে আমি সঞ্জিব চৌধুরীর জন্য কয়েকটা গান লিখি। যেগুলো খুব হিট হয়ে যায়। সঞ্জিব দা’র সঙ্গে আমার সখ্যতা বাড়ে। পরে তার সঙ্গে অন্য একটি পত্রিকায় বিনোদন বিভাগে কাজ করার সুযোগ পাই। আগে থেকেই সখ্যতা থাকলেও, এই বিনোদনে কাজ করতে গিয়ে ফারুকীর সেটে যাতায়াত করার সুযোগ তৈরি হয়। সেই সুবাদে ভাই-ব্রাদারদের নাটকে, এবং পরে আরেক বন্ধু নূরুল আলম আতিকের সিরিয়ালে অভিনয় করি। কিন্তু চেহারায় পরিচিত হওয়াটা আমার একাকীত্বের জগতটাকে বিঘ্নিত করতে শুরু করে। ফলে আমি অভিনয় থেকে সরে এসে ডিরেকশন দিতে শুরু করি। আমার বানানো ‘স্ক্রিপ্ট-রাইটার’ সে সময় খুব আলোচিত হয়েছিল। কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং দিল্লিতে সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেটা প্রদর্শিতও হয়। তারেক মাসুদসহ বড় বড় লোকেরা সেটার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে লেখালিখি করেন। সেটাতে জয়া আহসান, নূরুল আলম আতিক, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, কচি খন্দকাররা অভিনয় করেছিলেন। পরে সেটা এনটিভিতে প্রদর্শিত হয়।

কামরুজ্জামান কামু। ছবি: সংগৃহীত

প্রিয়.কম: আপনি তো আপনার প্রথম চলচ্চিত্রেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নিজে নির্মাতা এবং সে সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা নিশ্চয়ই অনেক কষ্টের ছিল বিষয়টা, দুটো জিনিস ম্যানেজ করার ক্ষেত্রে…

কামু: আমি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে চাইনি আসলে। স্ক্রিপ্ট-রাইটারের পর আমি ডিরেক্টর নামে আরেকটা ছোট আয়তনের ছবি বানাতে শুরু করি। প্রধান চরিত্রে ছিলেন মোশাররফ করিম, তার সঙ্গে ছিলেন সুইটি আর নাফিজা। পরে এডিটিংয়ে বসে আমার মাথায় শয়তান ভর করল। আমি ভাবলাম, এটাকে ফুললেন্থ ফিচার ফিল্ম বানায়া ফেললে কেমন হয়। তখন তারেক মাসুদ ডিজিটালে অন্তরযাত্রা ছবিটি বানিয়ে থার্টিফাইভে কনভার্ট করে হলে মুক্তি দিয়েছিলেন। তো আমি এডিটিং স্টপ করে এটাকে দীর্ঘায়িত করার কাজ শুরু করলাম। গান বানালাম, সিনেমার সবচেয়ে দীর্ঘ নায়িকা পপিকে কাস্ট করলাম। মারজুককে নিলাম। অনেক চড়াই উতড়াই পার করে শুটিংও করলাম। এডিট শেষ করে মনে হলো, হলে চালানোর ছবি এটা হয় নাই। আমি অকূল সাগরে হাবুডুবু খাইতে লাগলাম। বাংলাদেশের সিনেমায় গল্প নয়, কাহিনি থাকতে হয়। যা একদা শুরু হয়েছিল, একদিন এসে সমাপ্ত হলো। তো কী করা যায়। ইতোমধ্যে প্রডিউসারও আমার উপরে বিরক্ত। একদিকে টাকা নাই, অন্যদিকে শুট করা শটগুলোকে রেখে কাহিনি বিস্তার কীভাবে করব। শুট করা অংশে একটা দৃশ্যে আমার উপস্থিতি ছিল। এইবার ফেরেস্তা আমাকে পরামর্শ দিল, তুমি এই চরিত্রটাকে বিস্তারিত কর। আমি তাই করলাম। ফলে আমার চরিত্রটাই হয়ে গেল প্রধান চরিত্র। ছবির নাম হয়ে গেল ‘দি ডিরেক্টর’। এ ছাড়া আর উপায় ছিল না। এরপরও এই ছবি নিয়ে যত সংগ্রাম তাতো আপনারা জানেনই।

প্রিয়.কম: অাপনি তো একজন প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতাও। রেগুলার প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করে থাকেন। বাংলাদেশের প্রামাণ্যচিত্রের বর্তমান বাজার সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা জানতে চাই…

কামু : কয়েকটি ছাড়া আমি মূলত এনজিও’র প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছি। সেগুলো সবই কেয়ার বাংলাদেশের। আমি যখন ‘দি ডিরেক্টর’ বানানোতে আটকে আছি টাকার অভাবে, তখন কেয়ার বাংলাদেশের একজন কর্মকর্তা আমাকে ডকু বানানোর অফার দিলেন। সেটা ছিল নীল চাষের উপরে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কেয়ার বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে হত-দরিদ্র মানুষেরা একটা নীলের কোম্পানি খুলে বসেছে। তারা রাস্তার ধারে, এবং সরকারের পতিত জমিতে অনুমতি নিয়ে নীল চাষ করছে। বাংলাদেশে খুব উন্নত মানের নীল উৎপাদিত হচ্ছে। ব্রিটিশ আমলে যে নীল চাষ ছিল নির্যাতনের ইতিহাস, এখন সেই নীল চাষ দেখা দিয়েছে দরিদ্র মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার উপায় হিসেবে। যা হোক, প্রথম ডকুটা তাদের খুব পছন্দ হওয়ায় পর তারা আমাকে দিয়ে অনেকগুলো ডকুমেন্টারি বানিয়ে নিয়েছেন। আমার মার্কেটিং দক্ষতা না থাকার কারণে অন্যান্য জায়গা থেকে আমি কাজ জোগাড় করতে পারি নাই। বাজার বলতে, ডকুমেন্টারির বাজার তো ভালোই, কিন্তু আমার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি না থাকায় আমি অনেক কাজ করার জায়গায় পৌঁছাতে পারি নাই।

প্রিয়.কম: অনেকদিন পর গ্রামীণের একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনি আবার অভিনয়ে ফিরলেন…বেশ প্রশংসিতও হয়েছে কাজটি। সাবলীল অভিনয়, আবেগের গল্প, রাস্তায় বের হলে লোকজন আপনাকে দেখলে এখন ডাকে না সেলফি তুলতে…

কামু : হাহাহাহা। না না, তা ডাকে না। আমার চেহারা খুবই সাধারণ বাঙালির মতো। ফলে মানুষ আমাকে তারকা হিসেবে দেখে না। এটা আমার একটা সুবিধা।

প্রিয়.কম: এই ঈদে আপনি মাহমুদুল ইসলামের পরিচালনায় ‘দ্য অরিজিনাল আর্টিস্ট’ নামে একটি টেলিছবিতে অভিনয় করেছেন নাবিলার সঙ্গে। এরই মধ্যে টেলিছবিটি নিয়ে বেশ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে লোকজনের…এই কাজটি করার পেছনের গল্পটা কী… আপনি কি এখন নিয়মিত অভিনয় করবেন?

কামু : ‘দি ডিরেক্টর’ বানিয়ে নানাভাবে অবদমিত হয়ে আমি যখন শারীরিক ও মানসিকভাবে একটা অসুস্থতার ভিতর দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন গ্রামীণের বিজ্ঞাপনটাতে অভিনয়ের জন্য পিপলু আমাকে ডাকলেন। গল্পটা খুব পছন্দ হলো। এই গল্প একদা আমার জীবনেও ছিল। ভাবলাম, একটু চার্জ নিয়ে আসি। কয়েকদিনের শুটিং শেষে ফিরে এসে শরীরে এবং মনে অনেকখানি অনুপ্রেরণা অনুভব করলাম। এই সময় একদিন মাহমুদ ফোন দিলেন। কিন্তু আমি দোটানায় পড়ে গেলাম। তার গল্পটাও ভালো। ভাবার জন্য দুদিন সময় নিলাম। বউয়ের সঙ্গে পরামর্শ করলাম। অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম, এখন থেকে আমি ভালো ভালো চরিত্রে অভিনয় করব। নিজেকে অন্য একজন মানুষ ভেবে পারফর্ম করতে থাকারও একটা অদ্ভুত আনন্দ আছে।

দ্য অরজিনাল আর্টিস্ট-এর শুটিং স্পটে কামু ও নাবিলা। ছবি: সংগৃহীত 

প্রিয়.কম: কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আল মাহমুদ, সৈয়দ শামসুল হক, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, নির্মলেন্দু গুণ, আসাদ চৌধুরী সবাই অভিনয় করেছেন। তাদের অভিনয় কি আপনাকে কোনোভাবে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত করেছে অভিনয়ে। কবি তো মূলত একজন অভিনেতাই? আপনি কী মনে করেন…

কামু : কবি অভিনেতা নন, কবি হলেন চিন্তা ও অনুভূতির প্রকাশক। না, আমার পূর্বজ কবিদের অভিনয় করা থেকে আমি অনুপ্রাণিত হইনি। আমার জীবন যখন যেখানে নিয়ে যায়, আমি সেখানেই পারফর্ম করি। আমি যদি কোনোদিন প্রবাসী হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাই, তো সেখানে আমি একটা বিয়ারের দোকান দেব। সেখান থেকে কবি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজের বিয়ার খাইতে আর ডলার খরচ করা লাগবে না।

প্রিয়.কম: আপনার ‘দি ডিরেক্টর’ তো বাংলাদেশের সিনেমার জন্য একটা ইতিহাস। অনেক আন্দোলন, সংগ্রাম করে ছবিটি সেন্সর পেয়েছে। অনেকের আগ্রহ আছে ছবিটা দেখার। আপনি কি ছবিটি দেখানোর কোনো উদ্যোগ নেবেন…

কামু : আমি যখন ছবিটা শুরু করেছিলাম, তখন এত হাইরেজ ডিজিটাল ক্যামেরা বাংলাদেশে আসেনি। ফলে এখনকার হলের প্রজেকশনে ছবিটি দেখানো সম্ভব নয়। তবে একটা স্পন্সর পাওয়া গেলে প্রজেক্টর দিয়ে সারাদেশের শিল্পকলা বা টাউন হলগুলোতে ছবিটা প্রদর্শন করা সম্ভব। আমি সেই উদ্যোগ নিতে চাই। আমার ধারণা, এই ছবিটি বাংলাদেশের দর্শককে নতুন ধরনের স্বাদ দিতে সক্ষম হবে।

প্রিয়.কম: বাংলা গানের ইতিহাসে আপনার লেখা ব্যাপক জনপ্রিয় গান আছে, বিশেষ করে ‘তোমার ভাজ খোল আনন্দ দেখাও’, ‘তোমার বাড়ির রঙের মেলা’, ‘হাতের উপর হাতের পরশ রবে না’। গান নিয়ে আপনার নতুন ভাবনা কী?

কামু : ভদ্রস্থ জীবন-যাপনের মতো সম্মানী দিয়ে কোনো কোম্পানি যদি আমার কাছে নিয়মিত গান লিখে নেয় তো আমি এই কাজটাতেই সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করব। তা না হলেও নিজেই একটি গানের কোম্পানি খুলে আমি অন্তত কয়েক হাজার গান রচনা করার স্বপ্ন দেখি। এ ক্ষেত্রে আমি রবীন্দ্র-নজ্রুল দ্বারা অনুপ্রাণিত। আমি তাদের সমান সমান গান লেখার আগে মরব না বলে সাব্যস্ত করেছি। বাঙালি কবি গান লেখেননি ভাবতে আমার কষ্ট হয়। আমার মনে হয় গান লিখতে না পারলে আমি হাফ-কবি হিসেবে রয়ে গেলাম।

প্রিয়.কম: নতুন সিনেমা শুরু করবেন শুনেছিলাম। তার খবর কী?

কামু: অগ্রজ আনিসুল হকের একটা ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস থেকে চিত্রনাট্য তৈরির কাজ চলছে। কিছু গানও লেখা হয়ে গেছে। আমার ধারণা এই ছবিটা বাঙালি দর্শককে ঐতিহ্যগত সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতার মধ্যে টেনে নিতে পারবে। ‘দি ডিরেক্টর’ বানানোর যে বিশৃঙ্খলা, উড়নচণ্ডীপনা, এই ছবি নির্মাণের প্রস্তুতি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। এটা তৈরিতে সর্বোচ্চ পূর্ব-প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

প্রিয়.কম: নিয়মিত অভিনয় করলে কবিতা লেখার ক্ষেত্রে কি প্রভাব পড়বে না?

কামু : আমার ধারণা, অভিনয় করলে জীবনে যে বৈচিত্র্য আসবে কবিতায় তার প্রভাব অবশ্যই পড়বে। কিন্তু সেই প্রভাবটা ইতিবাচক হয়ে দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমার কবিতায় একটি নতুন প্রপঞ্চ খুলে যাবে বলে আমি আশা করি।

প্রিয়.কম: আপনার সমসাময়িক বা আপনার অগ্রজ কবিদের মধ্যে একমাত্র আপনাকেই নিয়মিত ফেসবুক লাইভে কবিতা পাঠ করতে দেখা যায়…লাইভ কবিতা পাঠের কারণ কী?

কামু : একজন কবি যখন কবিতা পাঠ করেন, তখন সেই পাঠটা মূলকে অনেকখানি স্পর্শ করতে পারে। কবিরা কবিতা পাঠ করে শোনালে পাঠক সহজে বুঝতে পারবেন যে, কবিতা কীভাবে পড়তে হয়। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি কবিতার পাঠ নিয়ে পাঠকের মধ্যে বিভ্রান্তি কাজ করে। ফলে কবিতার মর্ম অনুদ্ঘাটিত থেকে যায়। এ ব্যাপারে অন্য কবিদেরও আমি উৎসাহিত করতে চাই।

প্রিয়.কম : শেষ প্রশ্ন, আপনার নাম কামু কেন?

কামু : এইটা গোপন থাক, বলা যাবে না।


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৫:১০
    সূর্যোদয়ভোর ০৬:২৮
    যোহরদুপুর ১২:১২
    আছরবিকাল ১৬:১৯
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৭:৫৬
    এশা রাত ১৯:২৬
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!