রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

পাবনার নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মত বিনিময় কথা

।। এবাদত আলী ।।

পাবনা জেলার ইতিহাসে প্রথম মহিলা জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালো গত ২৪-১২-২০১৭ তারিখে বদলী হওয়ায় ঐ দিনই পাবনার জেলা প্রশাসক হিসেবে মোঃ জসিম উদ্দিন যোগদান করেছেন। তিনি যোগদান করার দিন হতেই তাঁর অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন এবং মত বিনিময় করেছেন। তারই সুত্র ধরে পাবনায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রণিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে ৩ জানুয়ারি-২০১৮ তিনি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

পাবনা প্রেসক্লাবের কর্মকর্তা ও সদস্য ছাড়াও পাবনায় কর্মরত সকল সাংবাদিককে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ শাফিউল আলম পত্র পাঠান। আমি ঐতিহ্যবাহি পাবনা প্রেসক্লাবের একজন সদস্য হওয়ার সুবাদে একটি পত্র পাই। নির্ধারিত তারিখে পৌষের শীতের কুয়াশা কেটে যাবার পর সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যথা সময়ে গিয়ে হাজির হলাম।

ডিসি অফিসের সিঁড়ি বেয়ে দোতালায় উঠতেই দেখা হলো পাবনার প্রথিতযশা প্রবীন সাংবাদিক ও কলামিস্ট রণেশ মৈত্রের সঙ্গে। বয়সের ভারে কিছুটা দুর্বল হলেও লেখনিতে তিনি এখনো সরব। তাঁর সঙ্গে করমর্দন ও কুশল বিনিময় হলো।

একে একে পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি শিবজিত নাগ, সাবেক সভাপতি দৈনিক পাবনা প্রতিদিন এর প্রধান সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি, সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল আহমেদ সিদ্দিকী, সহ-সভাপতি চ্যানেল আই ও যুগান্তর প্রতিনিধি আক্তারুজ্জামান আকতার, সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা ভিশনরে পাবনা জেলা প্রতিনিধি আঁখিনুর ইসলাম রেমন,সাবেক সম্পাদক ও বার্ত সংস্থা পিপ এর প্রধান সম্পাদক এবিএম ফজলুর রহমান, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি ও বিটিভি পাবনা প্রতিনিধি এবং দৈনিক জোড় বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আব্দল মতীন খান-

পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সহ-সভাপতি ও দৈনিক এযুগের দীপ এর সম্পাদক সরকার আরিফুর রহমান, কল্যাণ সম্পাদক ও দৈনিক সিনসা পত্রিকার সম্পাদক এসএম মাহবুব আলম,দৈনিক সংবাদের নিজস্ব প্রতিনিধি ও কলামিস্ট হাবিবুর রহমান স্বপন, বার্তা সংস্থা আইএনএস এর প্রধান সম্পাদক হাসান আলী, দৈনিক আমাদের বড়াল সম্পাদক হেলালুর রহমান জুয়েল, দৈনিক মুক্তির মিছিল সম্পাদক আইয়ুব আলী, একুশে টিভির পাবনা প্রতিনিধি রাজিউর রহমান রুমি, বাংলাদেশ বেতার প্রতিনিধি সুশিল তরফদার,সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান-

এটিএন নিউজের পাবনা প্রতিনিধিরিজভী জয়, সময় টিভি ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাবনা প্রতিনিধি, সৈকত আফরোজ আসাদ, মাছরাঙা টিভির পাবনা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম রিজু, ৭১ টিভির পাবনা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান, জহুরুল ইসলাম,এসএ টিভির পাবনা প্রতিনিধি কলিট তালুকদার, এটিএন বাংলার মোবারক বিশ্বাস, চ্যানেল নাইন ও যায় যায় দিন পাবনা প্রতিনিধি আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী, বিজয় টিভির প্রবির সাহা,সাংবাদিক মাহফুজ আলম, আবুল এহসান এলিস, নতুন চোখ ডট কম এর সম্পাদক এসএম আলম-

দৈনিক স্বত:কন্ঠ বার্তা সম্পাদক মাহমুদা নাসরিন, দৈনিক এযুগের দীপ প্রতিনিধি নবী নেওয়াজ, সাংবাদিক আলাউদ্দিন,নিউ নেশন এর পাবনা প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক বিবৃতির বার্তা সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেল, বাসস পাবনা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম সুইট, দৈনিক আমাদের সময় প্রতিনিধি সুশাান্ত কুমার সরকার দৈনিক পাবনার আলোর ষ্টাফ রিপোর্টার রেহানা পারভিন প্রমুখ শতাধিক সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষ তখন বলতে গেলে কানায় কানায় পূর্ণ।

এ প্রতিনিধিসহ একে অপরকে কাছে পেয়ে নিজেদের কুশলাদি বিনিময়সহ অনেকেই খোশ গল্পে মেতে উঠলেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাফিউল আলম কক্ষে প্রবেশ করার পরপরই জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের মাঝে উপস্থিত হলেন। হাসি মুখে সবাইকে তিনি শুভেচ্ছা জানালেন। তাঁদের সাথে ছিলেন পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিয়ুর রহমান।

বিসিএস ২০ তম ব্যাচের কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন নিজের পরিচয় তুলে ধরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে আলোচনা শুরুর অনুরোধ জানালেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাফিউল আলম নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিনের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর বৈচিত্রপূর্ণ কর্মময় জীবনের কিছু অংশ তুলে ধরলেন।

মোঃ জসিম উদ্দিন জেলাপ্রশাসক হিসেবে পাবনায় যোগদান করেছেন গত ২৪-১২-২০১৭ তারিখে। তিনি পাবনা জেলার ১৪০তম জেলা প্রশাসক। এর আগের পাবনা জেলার ইতিহাসে প্রথম মহিলা জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, রেখা রাণী বালো।

১৮২৮ সালে যখন স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা জেলার আত্মপ্রকাশ ঘটে তখন বৃটিশ শাসকরা পাবনায় মিঃ এ ডাব্লিউ মিলসকে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেন। তিনি দীর্ঘ ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট তারিখে পাকিস্তান নামকনতুন রাষ্ট্রের আবির্ভাব ঘটে। এসময় পাবনা সদর ও সিরাজগঞ্জ মহকুমা নিয়ে এর কার্যক্রম চালু ছিলো।

অতীতে পাবনা আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণি ভূমিকা পালন করেছে। ইতিহাস সাক্ষ দেয় ভারত বর্ষে ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনে পাবনার অনেক মানুষ যোগদান করেছিলেন। নীলচাষের বিরুদ্ধেও তারা আন্দোলনে সোচ্চার হয়। নীলকরদের পীড়ন নীতির বিরুদ্ধে এক জোট হয়ে আন্দোলন করে নীলকরদেরকে চিরতরে বিদায় করে দেয়।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে পাবনা জেলার ভূমিকা সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। কারণ পাবনার তৎকালিন জেলা প্রশাসক নূরুল কাদের খান পাবনার মুক্তিকামি জনতার কাতারে শামিল হন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ঐতিহাসিক ভাষণ দান করেন তাতে উদ্বুদ্ধ হয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে সেদিন পাবনা বাসির সঙ্গে নূরুল কাদের খান একজন জেলা প্রশাসক হিসেবে যে ভূমিকা রেখেছেন তা বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা বটে।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কাশিপুর শিল্প নগরিতে ঘাঁটি স্থাপন করে সার্কিট হাউজ, টেলিগ্রাফ অফিস, ষ্টেডিয়াম, ডাকবাংলো দখলে নেয়। পরদিন ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় তারা পাবনা পুলিশ লাইনের ব্যারাকের পুলিশদের ওপর আক্রমণ করে । পুলিশ সুপার চৌধুরী আব্দুল গাফ্ফার এবং পুলিশ লাইনের আরআই আবুল খায়ের পলিশদেরকে নিয়ে প্রতিরোধ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। ডিসি নূরুল কাদের মুক্তিকামি জনতার জন্য পুলিশ লাইন্সের অস্ত্র ভান্ডার খুলে দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যাবার সুযোগ করে দেন।

পরদিন সারাদিন যুদ্ধ চলে। বহুসংখ্যক পাকিস্তানি সৈন্য হতাহত হয়। ঐ দিন রাতের বেলা এবং পরদিন ২৯ মার্চ আহত সৈন্যদের নিয়ে তারা রাজশাহীর দিকে পালিয়ে যায়। পাবনা প্রথম পর্যায়ে স্বাধীন হয়। ডিসি নূরুল কাদের এবং মুক্তিকামি যোদ্ধাদের পক্ষে রফিকুল ইসলাম বকুলের নেতৃত্বে পাবনা পুরাতন টেকনিক্যালে স্বাধীন পাবনার প্রশাসনিক কার্যালয় স্থাপন করে তা পরিচালিত হতে থাকে। ১১ দিন পর্যন্ত পাবনা শত্রুমুক্ত ছিলো। মহান মুক্তিযুদ্ধে ডিসি নূরুল কাদেরের সাহসি ভূমিকার কথা আজো পাবনার মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। তাঁর স্মরণে পাবনা ডিসি অফিসের লাইব্রেরির নামকরণ করা হয়েছে “ বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল কাদের গ্রন্থাগার”।

আরেকজন জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মাহবুবুর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে একটি স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তাহলো ‘দুর্জয় পাবনা’। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাবনা জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথা অবদানের অমর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার মানসে পাবনা কালেক্টরেট ভবনের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘ দুর্জয় পাবনা।’

পাবনা জেলার তৎকালিন জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুবুর রহমান এর স্বপ্নদ্রষ্টা। তাঁর উদ্যোগে পাবনা জেলা পরিষদের অর্থানুকুলে দুর্জয় পাবনা নির্র্মাণ করা হয়।মুক্তিযুদ্ধের কাঙ্খিত স্মৃতিসৌধ ‘দুর্জয় পাবনা’ র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ১৯৯৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর। ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং গৃহায়ন ও পুর্ত মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রধান অতিথি হিসেবে স্মৃতি সৌধের উদ্বোধন করেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। এসময় পাবনা জেলার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতার পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ, স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রি ও শিক্ষক বৃন্দ, ব্যবসায়ি মহলসহ সর্বস্তরের জণসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। দুর্জয় পাবনার শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে পাবনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১শ৩২ পৃষ্ঠার একটি স্মরণিকা ও প্রকাশ করা হয়।

এসব কীর্তিগাঁথার কথা স্মরণে রেখে পাবনা জেলার প্রায় ২৮ লাখ মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলনে সাংবাদিক বৃন্দ নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিনের নিকট একে একে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন। তন্মধ্যে পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া এক কালের ¯্রােতস্বিনি প্রমত্তা ইছামতি নদী কালের আবর্তে ভূমি খেকো দস্যু-তস্করদের হাতে পড়ে তার পুরো যৌবন হারিয়ে আজ মরা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

লোকে বলে এটা এখন ‘পৌরসভার ড্রেন’। ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত প্রবাহমান এই নদীর দুই পাড় দখল করে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মহোৎসব চলছে। শহরের সকল বাসা-বাড়ি হোটেল রেস্তোরার আবর্জনা, ক্লিনিকের যাবতীয় বর্জ পদার্থ ও আবর্জনা ফেলা হচ্ছে ইছামতি নদী নামক নর্দমায়। স্লুইস গেট দিয়ে, পানি আটকে রেখে পরিকল্পিতভাবে ইছামতি নদীকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

অব্যাহত দূষণের ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে পৌরসভার বাসিন্দা ও এর আশে-পাশের কয়েক লাখ মানুষ। পৌর এলাকার ৫ কিলোমিটার নদী নামক মরা খাল এখন পুঁতি-দুর্গন্ধময় অস্বাস্থ্যকর স্থান, যা মশার আবাস্থলে পরিনত হয়েছে। এই নদীকে সংস্কার করে পাবনা শহরকে একটি তীলোত্তমা শহরে পরিণত করার দাবি দীর্ঘ দিনের।

পাবনা শহরের প্রাণ ইছামতি নদীকে পুর্বাবস্থায় ফিরিয়ে এনে পরিকল্পিত নগর গড়ার লক্ষে দৈনিক সিনসা পত্রিকার সম্পাদক এসএম মাহবুব আলমকে আহবায়ক এবং বার্তা সংস্থা আইএনএস এর প্রধান সম্পাদক হাসান আলীকে সদস্য সচিব করে ইতিমধ্যে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে একত্রিত করে ‘ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলন’ কমিটি গঠন করে পুরাদমে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

নবাগত জেলা প্রশাসকের কাছে সাংবাদিকদের আরো দাবি ছিলো, পাবনা শহরের যানজট নিরসন, হাট বারে জাতীয় সড়কের উপর হাট বসানো বন্ধ করা, ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারিদের সহজ চলাচলের ব্যবস্থা করা, কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের বাড়ি, চাটমোহরের প্রমথনাথ চৌধুরীর বসত ভিটা যথাযথ সংরক্ষণ পুর্বক তা বিনোদন কেন্দ্রের জন্য প্রকল্প গ্রহণ, কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করণ, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাবনা সদরের মালিগাছা ইউনিয়নের টেবুনিয়া সিড গোডাউন এর পাশে শহীদদের গণকবর ও বধ্যভূমিতে স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ, মালিগাছা রণাঙ্গনে বীর শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ, পাবনার সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের অনিয়ম দুর করা, পাবনা জেনারেল হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস ও বিআরটিএ অফিস দালাল মুক্ত করণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।

জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন সাংবাকিদের বিভিন্ন প্রশের উত্তরদানসহ দাবি-দাওয়া সমুহের প্রেক্ষিতে বলেন, “ জনসমস্যা নিরসনে আমি কাজ করে যাবো। এজন্য পাবনার সাংবাদিক বৃন্দসহ সবার সহযোগিতা দরকার। ইছামতি নদী সংস্কারসহ উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয় পর্যায় ক্রমে সমাধানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবো।’

সবশেষে সাংবাদিকদের পক্ষ হতে প্রবীন সাংবাদিক ও কলামিস্ট রণেশ মৈত্র এবং পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি শিবজিতনাগ নবাগত জেলা প্রশাসককে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদানসহ ধন্যবাদ জানান। (লেখক: বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও কলামিস্ট)।


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৪:১৩
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:৩৫
    যোহরদুপুর ১২:০২
    আছরবিকাল ১৬:৩৭
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৮:৩০
    এশা রাত ২০:০০
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!