শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০২:২৬ অপরাহ্ন

পাবনায় ফসলি জমিতে পুকুর খননের হিড়িক!

 

নিজস্ব প্রতিনিধি : ধানের চেয়ে মাছে লাভ বেশি, তাই তিন ফসলি জমি খুঁড়ে বানানো হচ্ছে পুকুর।

পাবনায় গত সাত বছরে এই আবাদি জমি খুঁড়ে পুকুর বানানোর হিড়িক বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনক হারে। ফলে ফসলি জমি কমে গেছে অনেক।

তবে জমির শ্রেণি পরিবর্তন রোধে আইন থাকা সত্ত্বেও পাবনা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও নেই দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ।

সম্প্রতি পাবনার বিভিন্ন এখাকা ঘুরে দেখা গেছে, এস্কেভেটর দিয়ে এখনও চলছে পুকুর খনন। এর ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে কোথাও কোথাও বর্ষার সময় জলাবদ্ধতাও দেখা দেয়।

বিশেষ করে সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়ন, আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলের অনেক ফসলি মাঠ ছয় মাস পানিবিহীন থাকে।

সেই সময় এই বিলাঞ্চলগুলোতে জমি খুঁড়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন আকারের পুকুর। ফলে জমির শ্রেণি পরিবর্তন হচ্ছে প্রতি বছর।

একটু নজর দিলেই দেখা যাবে সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পুকুর খনন করা হচ্ছে নিয়মিত।

ধানের দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষকরা মাছ চাষে ঝুঁকছেন অথবা আবাদি জমি মাছের বাণিজ্যিক খামারিদের কাছে ইজারা দিচ্ছেন।

আবার ইটভাটার জন্য নগদ টাকায় মাটি কেনা হচ্ছে বলে পুকুর খননে আলাদা ব্যয়ও হচ্ছে না। ফলে আবাদি জমিতে পুকুর খননে উৎসাহিত হচ্ছেন কৃষকরা।

সূত্রমতে, আবাদি জমিতে পুকুর খনন করতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিতে হয়।

কিন্তু জমির শ্রেণি পরিবর্তনে পাবনা জেলা প্রশাসনের তেমন কোন উদ্যোগ না থাকায় আইন অমান্যকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে আশঙ্কাজনক হারে কমছে আবাদি জমি!

 

 


© All rights reserved 2018 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!