সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ০২:২২ পূর্বাহ্ন

পাবনায় ৩৪১টি মণ্ডপে দেবীর শক্তি রূপের বন্দনা

 

বিশেষ প্রতিবেদক : সারাদেশের ন্যায় পাবনায় সোমবার সন্ধ্যায় মহাষষ্ঠী তিথিতে বেলতলায় দেবী দুর্গার বোধন ও পরে সন্ধ্যায় মূল প্রতিমায় দেবী ও তার সন্তানদের প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও চক্ষুদানের মাধ্যমে শুরু হয় দুর্গোৎসবের মূল আচার।

আত্মশক্তির উত্থান, প্রাণশক্তির জাগরণ, ষড়রিপুর গ্রাস থেকে মুক্তির আশায় সপ্তমী তিথিতে দেবী দুর্গার বন্দনা চলছে মণ্ডপে মণ্ডপে।

শাস্ত্র অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে দুর্গা দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপনের মধ্য দিয়ে সপ্তামাদি কল্পারম্ভ শুরু হয়।

পাবনায় উৎসবমুখর পরিবেশে এবার জেলার নয়টি উপজেলার ৩৪১টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এ উৎসব।

শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা নিয়েছে জেলা পুলিশ।

পূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মালম্বীদের ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে নানা আয়োজন। বাড়িঘর পারিষ্কার থেকে শুরু করে নতুন পোশাক কেনা, অতিথি আপ্যায়নের জন্য ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নারীরা।

সুন্দরভারে পূজা উদযাপনে জেলা-উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়েছে নানা প্রস্তুতি।

জেলায় এবছর ৩৪১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৫৫টি, আটঘরিয়ায় ১৫টি, চাটমোহরে ৫২টি, ভাঙ্গুড়ায় ১৯টি, ফরিদপুরে ১৩টি, সাঁথিয়ায় ৪৯টি, বেড়ায় ৫৪টি, সুজানগরে ৫৯টি ও ঈশ্বরদীতে ২৫টি মন্দিরে পূজার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাদল কুমার ঘোষ বলেন, সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রশাসনের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করা হয়েছে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, এবার পূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে আমাদের বৈঠক হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

১৭ অক্টোবর অষ্টমী পূজার দিন হবে সন্ধিপূজা ও কুমারী পূজা। ১৯ অক্টোবর সকালে বিহিত পূজার মাধ্যমে হবে নবমী পূজা।

২০ অক্টোবর সকালে দর্পন বিসর্জনের পর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

 

 


© All rights reserved 2018 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!