রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

পাবনা শহরে জলাবদ্ধতা- দায় কার!

রনি ইমরান : আজ বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) শ্রাবণের টানা বর্ষনে পাবনা পৌরসভার ১৫ টি ওয়ার্ডে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে এই বর্ষা মৌসুমে শহরের বিভিন্ন এলাকার অলি গলির রাস্তা পানিতে ডুবে যায়। সৃষ্টি হয় চরম ভোগান্তি।

আসল কথা হলো এই জলাবদ্ধতার পেছনে কার দায় কতটুকু! পাবনা পৌরসভার দায় কতটুকু আর সেখানে বসবাসকারী জনসাধারণের দায় কতটুক?

একপেশে এ দায় পাবনা পৌর কতৃপক্ষকে দিয়ে কি সমাধান আশা করা যায়? শহরের মোট ১৫ টি ওয়ার্ড সরজমিনে দেখা যায় কোথাও না কোথাও জলাবদ্ধতা লেগেই আছে তারপরে বর্ষা মৌসুমে তো এই অবস্থা আরও প্রকট হয়।

শহরের কালা চাঁদ পাড়ার বিভিন্ন রাস্তা অলি গলি, বড় বাজারের গলি, বেলতলা রোড, খান বাহাদুর রোডে, পাবনা কলেজের গলি, গোপালপুর নাগ ডাক্তার বাড়ি রোড, শিবরামপুরের বিভিন্ন রাস্তা অলিগলি, জেলাপাড়া শালগাড়িয়া, কাচারিপাড়া, আটুয়া, গোবিন্দা পৈলানপুর, ছাতিয়ানি, মাঠপাড়া, সাধুপাড়াসহ প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই কম বেশী জলাবদ্ধতা লক্ষ্য করা গেছে।

কোথাও কোথাও পানি নিষ্কাষনের জন্য বাধাহীন পথ না থাকায় আবার কোনো কোনো স্থানে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা থাকার পরও এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এর কারন অনুসন্ধানে দেখা যায়, পৌরসভার দেওয়া ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলে অনেকেই ড্রেনের ভেতর ফেলছে এতে করে বৃষ্টির অনেক সময় পরও জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকছে রাস্তা।

শহরের গোবিন্দ এলাকায় একটি ড্রেনের পাশে রাখা আছে দুইটি ডাস্টবিন কিন্তু ডাস্টবিন ফাঁকা, পাশে যে ড্রেন তাতে ময়লা ফেলে ভরে রাখা হয়েছে।

এতে বৃষ্টির পর ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

শহরের মানুষ সচেতন নয় জন্যই এমন অনিয়মতান্ত্রিক কাজ হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।

পাবনা শহরের ১৫টি ওয়ার্ডে প্রায় ২ লক্ষের বেশী মানুষ বসবাস করে। ২ লক্ষ মানুষের বর্জ অপ্রসারণের প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানান পৌর কর্তৃপক্ষ।

শহরের ১ নং ওয়ার্ড কমিশনার মোঃ সুজা জানান, প্রতিদিন আবর্জনা নিজে উপস্থিত থেকে আবার কখনও নিজেই পরিস্কার করি। কিন্তু কষ্টের কথা হলো জনসাধারণ নির্দিষ্টস্থানে আবর্জনা না ফেলে ড্রেনে ফেলে এতে পানি নিঃস্কাষণ ব্যবস্থার ত্রুটি হয় এবং আবর্জনা অপাসারণ করতে ডাবল কষ্ট হয়ে যায়।

পৌর এলাকার একজন গৃহিণী জানান, প্রতিদিন যদি নিয়মিত আবর্জনার গাড়ি বাসা থেকে ময়লা নিয়ে যেতো তবে অনেক সুবিধা হত। কোনদিন গাড়ি আসে, আবার কয়েকদিন একটানা আসে না।
তবে পৌর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেন, তাদের চাহিদার তুলনায় জনবলের অভাব রয়েছে।

আসলে ডাস্টবিন থাকতেও ময়লা ফেলা হচ্ছে ড্রেনে। এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতার কমতি রয়েছে। এর দায় দেওয়া হচ্ছে পৌরসভার উপর। এটা সভ্য সমাজে কাম্য নয়।

প্রবীণ সাংবাদিক সুশীল তরফদার বলেন, আমাদের সচেতন হতে হবে। এর বিকল্প নেই।

তবে পৌরসভার জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েছে এবং তা সহজে দূর হচ্ছেনা।

জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আগে জন সচেতনতার বেশি প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

রনি ইমরান, স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ পাবনা।


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৪:১৩
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:৩৫
    যোহরদুপুর ১২:০২
    আছরবিকাল ১৬:৩৭
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৮:৩০
    এশা রাত ২০:০০
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!