সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন

প্রবীণ হিতৈষী সংঘের প্রবীণদের আড্ডায় একদিন

।। এবাদত আলী।।

বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ পাবনা জেলা শাখার উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৪৮তম বর্ষ উদযাপনের লক্ষে সেদিন গত ২৯ মার্চ টেবুনিয়া বাজারের অদুরে শংকরপুরে চাটমোহর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল হামিদ মাষ্টারের খামার বাড়িতে দিন ব্যাপি প্রবীণ আড্ডায় যোগ দিতে হলো।

বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি ও পাবনা অনন্য সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ অ্যাডভোকেট জহির আলী কাদেরীর অনুরোধে আমরা সেদিন প্রবীণ হিতৈষী সংঘের প্রবীণদের অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলাম।

পাবনা জেলা শাখা কার্যালয় শালগাড়িয়া হতে শতাধিক নারী-পুরুষ বাস ও বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে শংকরপুরে মনোরম পরিবেশে আনন্দ ভ্রমণের জন্য উপস্থিত হলেন। আমার সুহৃদ বিশিষ্ট সাংবাদিক, নাট্যকার এইচ কে এম আবু বকর সিদ্দিকসহ আমরা মোটর সাইকেল যোগে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে উপস্থিত হলাম।

টেবুনিয়া বাজার হতে রাণীগ্রাম, শংকরপুর, রূপপুর ও খোদাইরপুর হয়ে এঁকে বেঁকে নাজিরপুরপুর পর্যন্ত যে ৬ কিলোটির পাকা রাস্তা চলে গেছে সেই রাস্তারই ২ কিলোমিটার যাবারপর ভুঁইয়রি বিল লাগোয়া শংকরপুর গ্রামের খামারবাড়ি।

চারদিকে সবুজ ধান খেতে চৈত্র মাসের উত্তপ্তবাতাস এলামেলোভাবে বয়ে চলেছে। এরই মাঝে ছায়া শীতল ও মনোরম পরিবেশ শংকরপুরের এই খামার বাড়ি। প্রবীন নারী-পুরুষ এবং তাঁদের সন্তান ও নাতি-নাতনী এবং আত্মীয় স্বজন মিলে ব্যাপক আয়োজন। অবসর বিনোদনের এ এক মোক্ষম সুযোগ বটে।

সারাদিন ব্যাপি বয়স উপযোগি বিভিন্ন খেলা-ধুলা, আলোচনা সভা,কবিতা আবৃত্তি, খোশ গল্প, স্বাস্থ্য ক্যাম্প, মধ্যাহ্ন ভোজ, র‌্যাফেল ড্র ও বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছামাত্র প্রবীণ হিতৈষী সংঘের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির আলী কাদেরী সকলের সঙ্গে আমাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। সংঘের পাবনা শাখার প্রতিষ্ঠাতা রত্নগর্ভা নিলুফার কাদেরীর সঙ্গেও কুশল বিনিময় হলো।

জহির আলী কাদেরী পাবনা শাখা গঠন ও পরিচালনার একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরলেন। তিনি জানালেন ১৯৯৩ সালে পাবনা প্রবীণ হিতৈষী সংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর পিছনে তাঁরই সহধর্মিনী নিলুফার কাদেরীর অগ্রণি ভুমিকা ছিলো। তিনি এই শাখার প্রষ্ঠিাতা।

তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গঠিত শাখার মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ৪ শ ৯৪ জন। তার মধ্যে এ পর্যন্ত ৯৩ জন সদস্য মৃত্যু বরণ করেছেন। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৪ শ ০১ জন। অধিকাংশ সদস্যই বয়সের ভারে নুহ্য।তবে তাদের মনোবল এবং কর্মস্পৃহা এতটুকুন ও বদলায়নি।

সুদুর অতীত কাল হতেই বয়স্ক বা প্রবীণ ব্যক্তিগণ প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় বংশপরম্পরায় মূল্যবোধ এবং অবিচ্ছিন্নতার ধারক ও বাহক হিসেবে স্বীকৃত হয়ে আসছে। উন্নত দেশ গুলোতে প্রবীণ ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার জন্য সমাজে তাদেরকে শ্রদ্ধাভাজন পরামর্শক হিসেবে গণ্য করা হয়।
আমাদের এই বাংলাদেশে সামাজিক বিবর্তন ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার কারণে পারিবারিক সনাতনী বন্ধন ক্রমশঃই ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। নিত্য নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে যুবক ও যুবতিরা প্রবীণদের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান কার্যকর করতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। অপর দিকে দেশে প্রবীণদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রবীণ ব্যক্তিদের বার্ধ্যকতা একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

সামাজিক এই অবক্ষয়তা দুর করে প্রবীণ ব্যক্তিদের যথাযথ মর্যাদা প্রদান ও তাদের মৌলিক স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার রক্ষা করে দীর্ঘ কর্মময় জীবনের অজ্ঞিতালব্ধ জ্ঞান সমাজ বিনির্মাণে কাজে লাগানোর প্রত্যয় নিয়ে বর্তমান সরকার কর্তৃক তাদেরকে জেষ্ঠ্য নাগরিকত্ব তথা সিনিয়র সিটিজেন ঘোষণা করেছে।

ষাট বছর ও তার বেশি বয়সীদের দেশের জ্যেষ্ঠ নাগরিক ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ এক ঘোষণায় বলেছেন, “যারা এ সমাজ গড়ছেন তাদের শেষ জীবন স্বস্তিময় করতে সন্তানদেরই দায়িত্ব নিতে হবে।

এ ঘোষণার ফলে বাংলাদেশে ১ কোটি ৩০ লাখ নাগরিক বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাবেন। জ্যেষ্ঠ নাগরিকরা স্বল্পমূল্যে ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য, আবাসন ও যানবাহনের সুবিধা পাবেন।”

এদিন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, “সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রবীণদের সন্মান জানানোর জন্য এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব সন্মানিত প্রবীণকে সিনিয়র হিসেবে ঘোষণা করছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাদের সুস্বাস্থ্য, মর্যাদাপূর্ণ জীবন এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা করছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সন্মানসহ তাদের যতœ নেয়া ছিলো আমাদের প্রচলিত মূল্যবোধের ঐতিহ্যগত অংশ। কিন্তু বর্তমানে আর্থ-সামাজিক নানা কারণে যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে যাচ্ছে। প্রবীণদের প্রতি সহানুভূতি কমছে, বাড়ছে অবহেলা; তারা শিকার হচ্ছেন নানাবিধ বঞ্চনার। সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে প্রবীণরা নিজ পরিবারেই ক্ষমতা ও সন্মান হারাচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে একাকিত্ব জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

আর্থিক দীনতার পাশাপাশি চিকিৎসা সুবিধাবঞ্চিত অনেক প্রবীণ আজ সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। সমাজের এই বিপুল সংখ্যক প্রবীণ অসহায় জনগোষ্ঠির পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার পারিবারিক, সামজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে দেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮ ভাগ অর্থাৎ ১ কোটি ৩০ লাখ নাগরিক প্রবীণ। ২০২৫ সাল নাগাদ এ সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ এবং ২০৫০ সালে প্রায় ৪ কোটি। ২০৫০ সাল নাগাদ এ দেশের প্রায় ২০ ভাগ নাগরিক হবেন প্রবীণ।

এ হিসাবে আগামীতে দেশের আর্থ-সামাজিক ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বার্ধক্যই হবে সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আপনারা জানেন, প্রবীণদের প্রায় ৮০ ভাগ গ্রামে বসবাস করছেন। তাদের সুস্থ্য ও স্বস্তিময় জীবন যাপনের জন্য পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রের মূল স্রোতেরধারায় সম্পৃক্ত রাখা প্রয়োজন।
প্রবীণদের নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আব্দুল হামিদ বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে বয়স্ক ব্যক্তিদের অবদান অপরিসীম। জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হয়ে তারা মর্যাদা, স্বস্তি ও নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারেন তার সব ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। হাসপাতাল, ব্যাংক, অফিস-আদালতসহ নাগরিক সেবার সব ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।” (দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ, ২৮ নভেম্বর-২০১৪)।

দেশে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ষাট ও ষাটোর্ধ নারী-পুরুষ রয়েছেন। তাদের অনেকেই দারিদ্রসিমার মধ্যে জীবন যাপন করছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ভাবে ২৭ লাখ ২৩ হাজার জনকে মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। একটি সুত্র জানায়, প্রবীণদের মধ্যে যারা শিক্ষিত, তাদের যোগ্যতা অনুসারে অতীত জীবনে যিনি যে পেশায় নিয়োজিত ছিলেন তাঁকে সে কাজের পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে।

বিনিময়ে তিনি পাবেন বিশেষ সন্মানী। তাদের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে আইডি কার্ডের আদলে বিশেষ কার্ড প্রদান করা হবে। প্রবীণদের জন্য লঞ্চ, নৌকা, বাস, ট্রেন ও বিমানে রিজার্ভ সিট রাখা হবে। তারা অর্ধেক ভাড়ায় ভ্রমণ করতে পারবেন। তারা পাবেন আবাসিক সুবিধা।

কিন্তু রাষ্ট্রের নায়কদের সকল বাক্যই সিদ্ধ বাক্য হিসেবে পরিগণিত হয়না। আমলাতান্ত্রিক নানান জটিলতায় লাল ফিতার ফাইলে তা বন্দি হয়ে পড়ে। হয়তো প্রবীণদের বেলায় তাই হয়েছে বলতে হবে। বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের পক্ষ থেকে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি দীর্ঘ দিনের।

কিন্তু কে শুনবে তাদের দাবির কথা। তাদের সে সামর্থ নেই যে তারা দাবি-দাওয়া আদায়ে মানব বন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট বা অভিমানি হয়ে অনশন কর্মসুচি পালন করবে।

প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা একটি দেশ, জাতি, সমাজ ও সম্প্রদায়ের উন্নয়ন এবং কল্যাণে স্বীকৃত অমুল্য সম্পদ।

কিন্তু স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য একজন ব্যক্তির যে পরিমাণ আয় থাকা উচিত বৃদ্ধাবস্থায় কর্মক্ষমতা হারিয়ে তা থেকে বঞ্চিত হয়ে এসকল নারী-পুরুষ অসহায় অবস্থায় পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তাদের অধিকাংশই দারিদ্রের নির্মম কশাঘাতে পিষ্ট হয়ে জীবন সন্ধিক্ষণে আজ উপনীত ।

বাংলাদেশের ষাট বা ষাটোর্ধ নারী-পুরুষকে জ্যেষ্ঠ নাগরিক তথা সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে গণ্য করার মাধ্যমে তাদের যে ভাবে মূল্যায়ণ করার সুযোগ সৃষ্টি করার ঘোষণা প্রদান করা হয়েছে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহকেও এগিয়ে আসতে হবে।

শংকরপুর আনন্দ আড্ডায় এবং আলোচনা সভায় এধরণের অনেক কথাই আলোচনা হয়। বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আলহাজ জহির আরী কাদেরীর সভাপতিত্বে প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সদস্য হাফেজ মওলানা মোঃ আজিমুদ্দিন কর্তৃক পবিত্র কোর আন তেলাওয়াত, দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সুচনা করা হয়।

প্রবীণদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া সম্বলিত বিষয়ে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা এবাদত আলী। টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও পারিচালক বিশিষ্ট সাংবাদিক, নাট্যকার এইচ কে এম আবু বকর সিদ্দিক কর্তৃক রচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিষয়ক প্রবন্ধ পাঠ করে শোনান মেজবাহুর রহমান চৌধুরি।

কবিতা আবৃত্তি করেন অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান মুন্সি ও প্রভাষক বদরুল আলম। আলোচনায় অংশ নেন প্রবীণ হিতৈষী সংঘ পাবনা জেলা শাখার সহসভাপতি আলহাজ সৈয়দা নিলুফার কাদেরী, সচিব শেখ রেজাউল করিম হেনা ও সংস্কৃতি সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মোঃ আলী রেজা।

বিভিন্ন খোলাধুলায় অংশ নেন সংঘের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

এদিন শুক্রবার হওয়ায় বাস যোগে টেবুনিয়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জ’জুমার নামাজ আদায়ের পর মধ্যাহ্ন ভোজের পালা।

শেষ পর্বে র‌্যাফেল ড্র ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। “হৃদ মাঝার” শিল্পী গোষ্ঠির সংগীতানুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন কৃঞ্চ কর্মকার, নমিতা, অনিতা সরকার, রিমা, লতিফা আকতার রিতা, সামান্তা, কাব্য ও কল্প প্রভৃতি কন্ঠশিল্পী বৃন্দ। তবলায় সহযোগিতা করেন পাবনার বিশিষ্ট তবলা বাদক সঞ্জিব কুমার দাস নন্দ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্পের উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. ইফতেখার মাহমুদ, সংঘের সহ সভাপতি হাকিম আক্কেল আলী, কোষাধক্ষ্য আলহাজ আব্দুল ওয়াদুদ ইকবাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ মোতাহার উদ্দিন টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মেজবাহুর রহমান চেীধুরি, ডা. মফিজ উদ্দিন আহমেদ, ইন্তাজ আলী বকুল, দাপুনিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যন হাসান ইমাম,মওলানা শফিউদ্দিন, ইউনিয়ন ভুমিসহকারি কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, হাসান আলী, কাজি বদরুল হাসান, বাদশা মিয়া, কাজি মাহবুবুর রহমান, আমজাদ হোসেন, আজহার আলী, শাহিদা আকতার, সাস্থ্য কর্মি আব্দুল বাতেনসহ সংঘের শতাধিক সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্য বৃন্দ।

এক সময় সকলেরই নিজ বাসায় ফেরার তাগিদ। আমরাও এই আনন্দ আড্ডা থেকে বিদায় নিয়ে নিজ গন্তব্যে রওনা হলাম।

(লেখক: বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও কলামিস্ট)।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৩:৪৮
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:১৪
    যোহরদুপুর ১১:৫৫
    আছরবিকাল ১৬:৩৪
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৮:৩৬
    এশা রাত ২০:০৬

পাবনা এলাকার সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি

© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!