বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৩২ অপরাহ্ন

ভাঙ্গুড়ায় মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের হাটউধুনিয়া গ্রামে মসজিদ কমিটির সভাপতি, ক্যাশিয়ার ও এক সদস্য’র বিরুদ্ধে ‘মসজিদের’ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) এলাকাবাসীর পক্ষে ১২১ ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ আশরাফুজ্জামানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ ঘটনায় মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযুক্তরা হলেন- মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, ক্যাশিয়ার আব্দুল ছাত্তার এবং সদস্য মোতালেব হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত চল্লিশ বছর পূর্বে ওই গ্রামে ২৮ শতক জায়গার উপর একটি মসজিদ নির্মাণ করেন এলাকাবাসি। নির্মাণের পর থেকে মসজিদের কোনো উন্নয়ন মূলক কাজ করা হয়নি।

এ কারণে মসজিদের ছাদের ঢালাই ড্যামেজ হয়ে পড়েছে। ফলে নামাজ আদায় করার সময় ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে মুসল্লিদের মাথার উপর। এতে অনেক মুসল্লিরা আহত হয়েছেন।

মসজিদের জানালাগুলো ভেঙ্গে যাওয়ায় ধুলাবালি ও বৃষ্টির পানি ভিতরে ঢুকে পড়ে। অনেকদিন যাবৎ মসজিদের লাইট, ফ্যান এবং মাইকগুলো নষ্ট হয়ে পড়েছে। ফলে মুসল্লিদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়।

মসজিদের নামে ১৬ বিঘা আয়তনের একটি জলাশয় রয়েছে। প্রতিবছর এ থেকে আয় হয় প্রায় ৭/৮ লক্ষ টাকা। অথচ মসজিদের জন্য কোনো অর্থব্যয় না করে কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম, ক্যাশিয়ার আব্দুল ছাত্তার ও সদস্য মোতালেব হোসেন টাকাগুলো আত্মসাৎ করেন।

প্রতিবছরে এই মসজিদের আদায় হওয়া লক্ষ লক্ষ টাকারও কোনো হিসাব নেই।

এলাকাবাসিরা জানান, প্রতিবছর গ্রামবাসীদের কাছে এবং জলকর থেকে আসা বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয় মসজিদ কমিটির কাছে।

কিন্তু তারা কোন দিন এসব টাকার হিসাব দেয়নি। তাদের কাছ থেকে হিসাব চাইলে তারা বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখায়। এমনকি যে জানতে চাইবে তাকে মেরে ফেলবে বলেও তারা হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন এই মসজিদের সভাপতি। মসজিদের উন্নয়নের সব কাজ করেছেন। এর বেশী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে ক্যাশিয়ার আব্দুল ছাত্তার ও সদস্য মোতালেব হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে ১২১ জনের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পেয়েছি।

বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ করার কোনো সুযোগ নেই।


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৪:৩৯
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:৫৬
    যোহরদুপুর ১১:৪৪
    আছরবিকাল ১৫:৫৪
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৭:৩১
    এশা রাত ১৯:০১
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!