রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

ভোটের আগে অশুভ জোট-রাজনীতি

১৯৭০ সালের নির্বাচনের আগে তৎকালীন চীনপন্থী বামেরা স্লোগান তুলেছিল, ‘ভোটের আগে ভাত চাই,’ উদ্দেশ্য ছিল, যাতে নির্বাচন হতে না পারে। নির্বাচন না হলে আওয়ামী লীগ জয়ী হতে পারত না। বাংলাদেশও স্বাধীন হতো না। দিনকাল বদলে গেছে। এখন নির্বাচন এলেই স্লোগান ওঠে ‘ভোটের আগে জোট চাই’, উদ্দেশ্য একই। দেশে গণতন্ত্র রক্ষা করা নয়, আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় যাওয়া ও থাকা ঠেকানো। তাতে যদি স্বাধীনতার শত্রুরা ক্ষমতায় আসে, তাতেও আপত্তি নেই।

দেশে দুটি মহাজোট সেই এরশাদের আমল থেকেই আছে। একটি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক ও বাম-গণতান্ত্রিক দলগুলোর জোট ও আরেকটি বিএনপির নেতৃত্বে ডান-গণতান্ত্রিক, সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী দলগুলোর জোট। এই দুই জোটের আদর্শ ও উদ্দেশ্যের মধ্যে একটা সুস্পষ্ট বিভেদরেখা আছে। আওয়ামী জোট স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ও স্বাধীনতাযুদ্ধের আদর্শের অনুসারী জোট। বিএনপি জোটে একমাত্র বিএনপি ছাড়া সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী গোষ্ঠী ও স্বাধীনতাযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনায় বিশ্বাসী নয় এমন দলগুলোর ভিড়। বিএনপিতেও স্বাধীনতাযুদ্ধের সমর্থক ও অংশগ্রহণকারী যেসব নেতা ছিলেন, দলটিতে জামায়াতের অনুপ্রবেশের ফলে তাঁদের অধিকাংশই একে একে বিতাড়িত। দু-একজন যাঁরা আছেন তাঁরা নিষ্ক্রিয়।

১৯৭৫ সালের ন্যাশনাল ট্র্যাজেডির পর বাংলাদেশের নির্বাচনের মাধ্যমে হোক আর নির্বাচন ছাড়াই হোক যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলছে, তা এই বিপরীত আদর্শের দুই শিবিরের যুদ্ধ। বাংলাদেশের রাজনীতিও তাই এখন দুই শিবিরে বা দুই জোটে বিভক্ত। দুই জোটেই দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার—সবই আছে। কিন্তু পার্থক্য এই যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। এখনো তাদের নেতৃত্বে সেই স্বাধীনতার ভিত্তিকে রক্ষার প্রয়াস চলছে। অন্যদিকে বিএনপি পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খানের কনভেনশন মুসলিম লীগের কায়দায় গঠিত এবং পাকিস্তানের ধর্মীয় দ্বিজাতিতত্ত্বের আদলে বাংলাদেশকে রূপান্তর করে তার অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বদলে দিতে চাচ্ছে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল চেতনার ঘোর বিরোধী।

বাংলাদেশের রাজনীতির এই দুই বিভাজনের বাইরে আর কোনো উদ্দেশ্য ও উদ্দেশ্যভিত্তিক শক্তিশালী রাজনীতি ও রাজনৈতিক শিবির নেই। যাঁরা এই বিভাজনের বাইরে তৃতীয় বা বিকল্প শিবির গড়তে চেয়েছিলেন, দেশের মানুষ তাঁদের পাত্তা দেয়নি। তাঁরা আজ রাজনীতিতে ফসিল। এই ফসিলরা ভোট এলেই জোট বাঁধতে চায়। তাদের মধ্যে লক্ষ্য-আদর্শের কোনো ঐক্য নেই। তারা একটা লক্ষ্যের ভিত্তিতে নির্বাচন এলেই জোট বাঁধতে চায়। লক্ষ্যটা হলো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামানো। এটা হচ্ছে কুঁজোর চিত হয়ে চাঁদ দেখার চেষ্টা। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ী হওয়া দূরের কথা, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তাদের প্রচারণা, কার্যকলাপে বিএনপি-জামায়াত জোট লাভবান হয়। আওয়ামী লীগের কিছু ভোট কাটা যায়। বিএনপি তাদের তত্পরতায় নির্বাচনে জয়ী হলে দেশে আধা-তালেবানি শাসন কায়েম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

ব্রিটেনের মতো উন্নত গণতান্ত্রিক দেশেও কনজারভেটিভ ও লেবার এই দুই ধারার রাজনীতির মাঝখানে কোনো তৃতীয় ধারা সৃষ্টির কোনো চেষ্টাই এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। একসময় লেবার পার্টির কয়েকজন শীর্ষ নেতা দল ত্যাগ করে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট পার্টি নামে একটি দল গঠন করেছিলেন। তারপর এই তৃতীয় ধারাকে শক্তিশালী করার জন্য লিবারেল পার্টির সঙ্গে জোট গঠন করেছিলেন। নির্বাচনে ভরাডুবির পর এই জোট প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়। আরো পরে টনি ব্লেয়ারের নীতিচ্যুতি ও বিশ্বাসঘাতকতার ফলে লেবার দলে নিউ লেবার নামে একটি উপদল গঠিত হয়। এই নিউ লেবার ছিল টোরিদের শ্যাডো পার্টির মতো। লেবার পার্টিকে তারা প্রায় ভাঙনের দশায় নিয়ে এসেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে গণরোষে এই নিউ লেবার নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে এবং জেরেমি করবিনের নেতৃত্বে পুরনো লেবার পার্টি তার পুরনো নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে আবার জেগে উঠেছে।

বাংলাদেশে অবশ্য একটি শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। কিন্তু সে দলকে হতে হবে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নীতির অধিকারী, তাহলে শক্তিশালী দুটি গণতান্ত্রিক দল দেশটিতে সুস্থ দ্বি-দলীয় রাজনীতির ভিত্তি গড়ে তুলবে। বাংলাদেশে দুটি শক্তিশালী দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এই দুই দল যদি নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচির পার্থক্য বজায় রেখে স্বাধীনতার মূল আদর্শের প্রতি অনুগত থাকে, তাহলে এই দুই দলের মধ্যে পালাক্রমে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হলে দেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে। তা না হয়ে কোনো একটি দল যদি স্বাধীনতার মূল আদর্শগুলো ধ্বংস করে দেশ চালাতে চায়, তাহলে দেশপ্রেমিক নাগরিক মাত্রেরই দায়িত্ব হবে সে দলকে প্রতিহত করা।

বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য, এ দেশে আওয়ামী লীগের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো বড় দল গড়ে ওঠেনি। বিএনপি একটি বড় দল, কিন্তু তার নীতি ও কার্যক্রম স্বাধীনতার মূলনীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বরং বিরোধী। স্বাধীনতার শত্রুপক্ষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় বসে এবং ক্ষমতার বাইরে থাকার সময়ও তারা দেশে যে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তাতে অন্য কোনো গণতান্ত্রিক দেশ হলে বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হতো। বাংলাদেশে তা করা হয়নি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি সুধীসমাজের ভূমিকাও অভিনব। তারা মুখে মৌলবাদ বিরোধিতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, নাগরিক  অধিকারের পক্ষে জোর গলায় কথা বলে। কিন্তু কাজে যা করে, তা আওয়ামী লীগের বিরোধিতা, সুযোগ পেলে প্রকাশ্যে, নইলে প্রচ্ছন্নভাবে। তাদের দুটি শক্তিশালী মিডিয়া আছে। তারা সুযোগ পেলেই ইঁদুর হয়ে গৃহস্থের ঘরের বাঁধন কাটে। তাদের কার্যকলাপ বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতিকেই সাহায্য জোগায়। এই গ্রুপের নেতারা বিশেষ করে ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনূস, ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী প্রমুখ বহুবার দেশে তৃতীয় ধারার শক্তিশালী দল অথবা জোট গঠনের চেষ্টা করেছেন; পারেননি। কিছু রেটোরিক ছাড়া কোনো সুস্পষ্ট নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে তাঁরা দল গঠন করেননি। আওয়ামী লীগবিদ্বেষ ছিল (এখনো আছে) তাঁদের একমাত্র রাজনৈতিক মূলধন এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকতে ও ক্ষমতায় যেতে না দেওয়াই ছিল তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য; কখনো অগণতান্ত্রিক পন্থায়, কখনো গণতান্ত্রিক পথে।

তাঁদের চেষ্টা সফল হয়নি। দেশকে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বিরোধী দল উপহার দেওয়ায় পরিবর্তে বিদ্বেষ প্রচার ও চক্রান্তের রাজনীতির সহযোগী হওয়ার ফলে গণফোরাম, বিকল্পধারা প্রভৃতি দল নির্বাচনে জামানত রক্ষা করতেও পারেনি। তারা নিজেদের ব্যর্থতা বুঝতে পেরে পরে জোট গঠন করে আওয়ামী লীগের কিছু ভোট কেটেছে এবং বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় যেতে সাহায্য করেছে। ২০০১ সালের নির্বাচনের সময় তারা প্রকাশ্যে জোট গঠন না করলেও জোট বেঁধে বিএনপি-জামায়াতের চক্রান্তে সাহায্য জুগিয়েছে।

২০১৪ সালেও তারা আওয়ামী লীগবিরোধী প্রচারণায় বাতাস দিয়েছে। এই নির্বাচনে বিএনপি নানা ধুয়া তুলে নিজেরাই আসেনি। পরে প্রচার চালিয়েছে এই নির্বাচন অবৈধ এবং সরকারও অবৈধ। বিদেশি কোনো দেশ এই অভিযোগ মেনে নেয়নি। কিন্তু স্বদেশের সুধীসমাজ ও তাদের বাকপটু অধিকাংশ বুদ্ধিজীবী বিএনপির প্রচারণায় গলা মিলিয়েছেন। যা হোক, আওয়ামী লীগ শাসনামলে দেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বিদেশে তা প্রশংসিত হওয়ায় এই ‘সুধীরা’ এত দিন একটু নিষ্ক্রিয় ছিলেন।

এখন আরেকটি সাধারণ নির্বাচন সমান এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা ভাদ্র মাসের কই মাছের মতো আবার উজিয়ে উঠেছেন। এঁরা কারা? নামের তালিকা দেখলেই বোঝা যায়, তাঁরা অতীতের সেই চিহ্নিত মুখ। আওয়ামী লীগ ও হাসিনাবিদ্বেষে অন্ধ হয়ে অতীতে যাঁরা গণতন্ত্রের নাম ভাঙিয়ে চক্রান্তের রাজনীতি করেছেন এবং বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতিতে শক্তি জুগিয়েছেন, তাঁরা সেই পুরনো মুখ। জনগণ দ্বারা বারবার প্রত্যাখ্যাত রাজনীতির ফসিল।

সম্প্রতি ঢাকার কাগজে একটি খবর দেখলাম। নির্বাচন সামনে রেখে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ চলছে। এই জোট গঠনের লক্ষ্যে উত্তরায় আ স ম আবদুর রবের বাসভবনে একটি বৈঠক হয়েছে। তাতে ড. কামাল হোসেন নিজে যোগ না দিলেও তাঁর দলের প্রতিনিধি নাকি ছিলেন। ছিলেন ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ অতীতের অনেক চিহ্নিত মুখ। নির্বাচন সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য জোট গঠনের অধিকার সবারই আছে। কিন্তু এই জোট গঠনের বিসমিল্লায়ই গলদ। দেশে রাজনীতির তৃতীয় ধারা সৃষ্টির শুভ ইচ্ছা প্রকাশের বদলে অন্ধ আওয়ামীবিদ্বেষ প্রচার দ্বারাই বৈঠকটির উদ্বোধন হয়েছে। মাহমুদুর রহমান মান্না বলেই ফেলেছেন, ‘আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে তিনি বেকুবের কাজ করেছিলেন। ’

এই বেকুবির কাজটি তিনি তো একবার করেননি। একবার জাসদ, একবার বাসদ, তারপর আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ ত্যাগ—এই শাখামৃগের রাজনীতি করা তো বেকুবি করার চেয়েও নিকৃষ্ট। বারবার একই বেকুবি করার চেয়ে রাজনীতি থেকে সসম্মানে বিদায় নিলে কি তিনি ভালো করতেন না? ড. কামাল হোসেনের সম্পর্কেও একই কথা, আওয়ামী লীগ ছাড়ার পর এই দলকে ঘায়েল করার জন্য তিনি তো বহু জোট গঠন করেছেন। কখনো কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে, কখনো ড. বদরুদ্দোজার সঙ্গে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর সঙ্গেও ইফতার পার্টিতে পাশাপাশি বসেছেন। ড. ইউনূসের আইনজীবী সেজে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে তাঁকে দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। হতাশায় তিনি একবার রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণাও দিলেন। ছাড়লেন না কেন? একই হাসিনাবিদ্বেষ তাঁকে এখনো কি তাড়িয়ে নিয়ে চলেছে?

ডা. বদরুদ্দোজার অবস্থা না ঘরকা না ঘাটকা। রাষ্ট্রপতির  পদ থেকে তাঁর দল বিএনপির দ্বারাই গলাধাক্কা খেয়ে বিদায় নেওয়ার পর তিনি নতুন দল বিকল্পধারা গঠন করেন। একবার তিনি আওয়ামী লীগের মহাজোটের সভায়ও যোগ দিয়েছিলেন। তারপর দেখা গেল, তিনি বিকল্পধারায় সভাপতি এবং বিএনপির সঙ্গেও গলাগলি করছেন, অর্থাৎ আওয়ামীবিদ্বেষ ও বিএনপির প্রতি পুরনো প্রেম ছাড়তে পারছেন না। আ স ম আবদুর রবকে নিয়ে কথা না বাড়ানোই ভালো। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আশ্রয়ে লালিত হয়ে পরে তাঁকে কদর্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। এরশাদের আমলে সংসদে ছিলেন গৃহপালিত বিরোধী দলের নেতা। হাসিনা সরকারে ছিলেন মন্ত্রী। মন্ত্রিত্ব হারানোর পর আবার অন্ধ আওয়ামী লীগ বিদ্বেষে ফিরে গেছেন।

এই অন্ধ বিদ্বেষের রাজনীতি যাঁদের একমাত্র মূলধন, তাঁরা জোট গঠন করে কী করবেন? তাঁদের নিজেদের আদর্শ-উদ্দেশ্যের মধ্যেও তো মিল নেই। ড. কামাল হোসেন তো বঙ্গবন্ধুর বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন বলে এখনো দাবি করেন। ড. বদরুদ্দোজা তার বিপরীত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। আ স ম আবদুর রব এককালে ছিলেন বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী। বর্তমানে তাঁর বিশ্বাসের হদিস খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই বহু পথের বহু পথিক শুধু আওয়ামীবিদ্বেষকে মূলধন করে জোট গঠন করে দেশের কী উপকার করবেন? দেশের মানুষ কি এই জোট গঠনের চেষ্টাকে ফসিল রাজনীতিকদের আরেকটি ব্যর্থ প্রহসন বলে ভাববে না?

সবশেষে একটি কথা, উত্তরায় এই জোট গঠনের শলাপরামর্শের বৈঠকে পুলিশ অকস্মাৎ হানা দিয়ে ভালো কাজ করেনি। এটা পুলিশের বাড়াবাড়ি, তাতে সরকারের সুনামহানি হয়েছে এবং বৈঠকটিকে অকারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সূত্র : যুগান্তর


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৪:১৩
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:৩৫
    যোহরদুপুর ১২:০২
    আছরবিকাল ১৬:৩৭
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৮:৩০
    এশা রাত ২০:০০
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!