শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন

মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০ বছরই থাকছে

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা নিয়ে আপিল বিভাগে হাইকোর্টের রায় বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

ফলে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স সরকার নির্ধারিত ৬০ বছরই থাকছে।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে এ রায় প্রকাশ করা হয়।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়টি লিখেছেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। বেঞ্চের অপর সদস্যরা এতে একমত পোষণ করেছেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আপিল বিভাগ বলেছেন, হাইকোর্ট বিভাগ বয়স নির্ধারণে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারে না। আইন প্রণয়নে আইনসভার (জাতীয় সংসদ) ক্ষমতাই সর্বোচ্চ তা সংবিধানে বলা হয়েছে। ফলে কি ও কোন আইন হবে সেটা আইনসভাই ঠিক করবে। হাইকোর্ট বিভাগ এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স নির্ধারণের রায় বাতিল করেছে। আমরা রায়টি বাতিল করলাম।

এর আগে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর প্রধান বিচরপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থেকে ৬০ বছর করে ২০১৩ সালে করা আইন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বাতিল করেন।

একই বছরের ১১ এপ্রিল সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থেকে ৬০ বছর করে ২০১৩ সালে করা আইন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬১ বছর করা উচিত ছিল। কিন্তু সেটা না করা বৈষম্যমূলক হয়েছে। একারণে সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৬১ বছর পর্যন্ত সব সুবিধা দেবে বলে মনে করি।

বিচারপতির গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সিদ্দিকুর রহমান খান ও অ্যাডভোকেট গাজী মোশতাক আহমেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক।

সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম মশির উদ্দিন ওয়ারেশী ও আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার তপন কুমার সাহার রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এ রায় দেন।

২০১৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সরকার আইন সংশোধন করে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে অবসরের বয়সসীমা একবছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করে।

এ অবস্থায় চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ২ বছর বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দুই মুক্তিযোদ্ধা গত বছর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এ রিট আবেদনে রুল জারি করেন আদালত।


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৫:০৫
    সূর্যোদয়ভোর ০৬:২৮
    যোহরদুপুর ১১:৫০
    আছরবিকাল ১৫:৩৬
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৭:১২
    এশা রাত ১৮:৪২
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!