শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০১:২১ অপরাহ্ন

যমুনা নদীর পাবনা অংশে নাব্য সংকট- আটকে আছে পণ্যবাহী জাহাজ

 

বার্তাকক্ষ : বাঘাবাড়ি নদীবন্দর থেকে দৌলতদিয়া ঘাট পর্যন্ত ডুবোচরের কারনে যমুনা নদীতে নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে।

আর এ কারণে পাবনার বেড়া উপজেলার পেঁচাকোলা থেকে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত যমুনা নদীর কয়েকটি স্থানে কয়েক দিন ধরে প্রায় ২৫টি সার, সিমেন্ট, তেলসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী জাহাজ সরাসরি বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে ভিড়তে পারছে না।

এই এলাকায় পানির গভীরতা ৫ থেকে ৭ ফিটে এসে দাঁড়িয়েছে, অথচ জাহাজ চলাচলে ন্যূনতম ১০ ফিট গভীরতার প্রয়োজন হয়। ফলে বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ ভিড়তে পারছে না।

বেড়া- মোহনগঞ্জ এলাকায় আটকে পড়া জাহাজ থেকে ছোট ছোট ট্রলারে করে মালামাল নেওয়া হচ্ছে বাঘাবাড়ি বন্দরে। এতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাঘাবাড়ি ঘাট নৌযান লেবার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

জাহাজ চালক ও বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে ১০ ফিট পানির গভীরতার প্রয়োজন হলেও শুষ্ক মৌসুমে এই পথে পানির গভীরতা ৭ ফুটের নিচে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে এসব জাহাজ পার হতে গিয়ে আটকে পড়ছে ডুবোচরে। এ অবস্থায় আটকে পড়া জাহাজ থেকে ট্রলার ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে কিছু কিছু পণ্য খালাস করে বাঘাবাড়ি বন্দরে আনা হচ্ছে।

এতে সময় এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। তবে বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে ডুবোচরগুলো অপসারণের জন্য ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে।

বাঘাবাড়ি ঘাট নৌযান লেবার অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-সম্পাদক আবদুল ওয়াহাব মাস্টার জানান, দৌলতদিয়া থেকে বাঘাবাড়ি নৌবন্দর পর্যন্ত নাব্য সংকটের কারণে যমুনা নদীর পাটুরিয়া, দৌলতদিয়া, ব্যাটারিরচর, নাকালিয়া ও পেঁচাকোলায় নদীর তলদেশে জেগে উঠেছে অসংখ্য ডুবোচর।

তিনি আরো জানান, এ কারণে বাঘাবাড়ি বন্দরে সরাসরি জাহাজ ভিড়তে পারছে না। আটকে পড়া জাহাজ থেকে ছোট ছোট ট্রলারে করে মালামাল আনা হচ্ছে বাঘাবাড়ি বন্দরে। এতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

বাঘাবাড়ি নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক এস এম সাজ্জাদুর রহমান জানান, নাব্য সংকট দেখা দেয়ায় ড্রেজার করে তা অপসারণ করা হচ্ছে।

 

 


© All rights reserved 2018 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!