রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

সুলতান মনসুরের শপথ গ্রহণ, বিএনপির বাকি এমপিরাও শপথ নিচ্ছেন?

অবশেষে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নীতিনির্ধারক সুলতান মনসুর। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে ঐক্যফ্রন্ট থেকে জয়লাভ করা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদকে গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে তাকে শপথ পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

শপথ গ্রহণ করে নিজেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু হিসেবে অভিহিত করেন গণফোরামের নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের কাছে তিনি দাবি করেন, ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের পরামর্শেই শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সুলতান মনসুর বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর প্রতিকূল অবস্থার মুখেও আমার সংসদীয় এলাকার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। জনগণের সহযোগিতা ছিল বলেই শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আমি জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমি এই সংসদ এলাকায় আসলাম। আগেও ১৯৯৬ সালে আমি এমপি ছিলাম। এই ১৮ বছরে দেশের রাজনীতির সামাজিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এমপি হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে- আমার সংসদীয় এলাকার জনগণের পক্ষে কথা বলা। সংসদ নির্বাচনে যখন অংশগ্রহণ করেছি স্বাভাবিক কারণেই সংসদে এসে কথা বলা বা সংসদে যোগদান করা হচ্ছে প্রথম কাজ।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সব থেকে বেশি আলোচিত বিষয় হচ্ছে এমপি হিসেবে সুলতান মনসুরের শপথ গ্রহণ। তাঁর এই শপথ গ্রহণ কেন্দ্র করে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। সুলতান মোহাম্মদ মনসুর সংসদে যোগ দেওয়ায় তাঁকে বহিষ্কার করেছে গণফোরাম। ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি থেকেও তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা প্রসঙ্গে সুলতান মনসুর বলেন, ‘ অনেকেই জানেন না এই ধানের শীষ বা ধানের ছড়া একসময় ছিল মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানির ন্যাপের মার্কা। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এই মার্কা হয়েছে বিএনপির। এখন হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মার্কা। আমি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একজন নীতিনির্ধারক হিসেবে ঐক্যফ্রন্টের সেই ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচন করেছি।’

সুলতান মনসুরের শপথ গ্রহণের পর পরিস্থিতি ও আইনগত দিক পর্যালোচনার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বিএনপি থেকে নির্বাচিত বাকি ৫ জন সাংসদ হিসেবে শপথ নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদে শপথ নেয়ার ব্যাপারে বিএনপি আপত্তি জানালেও বিএনপির ৫ জন ইতোমধ্যে শপথ নেয়ার জন্য একাধিক বৈঠক করেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এ ব্যাপারে সুলতান মনসুর বলেন, ‘বিএনপি থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। আমি তাদের বলেছি, আমাদের কণ্ঠ যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন, সংসদে গিয়ে আমাদের মূল কথাগুলো বলা উচিৎ। সংসদে গিয়ে যদি আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারি তাহলে সেটা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির জন্য ভাল হবে।’

আইনানুযায়ী সংসদের প্রথম কার্যদিবসের ৭০ দিনের মধ্যে একজন নির্বাচিত সাংসদকে শপথ নিয়ে সংসদে যোগদান করতে হয়। যদি কোন কারণে তারা শপথ না নেন এবং সংসদে যোগদান না করেন তাহলে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে তারা এই সময় বাড়াতে পারেন।


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৪:৪২
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:৫৯
    যোহরদুপুর ১২:০৫
    আছরবিকাল ১৬:২৮
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৮:১১
    এশা রাত ১৯:৪১
© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!