মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আসছে দেশের সকল মানুষ!

দেশের প্রত্যেক মানুষকে স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলে শুরু হওয়া পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প সফল হলে সারা দেশে এটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারের এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এ প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইলের কালিহাতি, মধুপুর ও ঘাটাইলে অতি দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে ‘শেখ হাসিনা হেলথ কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে। প্রথম স্তরে টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে তিন বছর আগে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এরপর গত ছয় মাস আগে মধুপুর ও ঘাটাইলে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। এই তিন উপজেলার অতি দরিদ্রদের প্রায় ৫০ হাজার টাকা করে স্বাস্থ্যবীমা করে দেওয়া হয়েছে। বীমা গ্রহণকারী পরিবার থেকে এ বাবদ কোনো অর্থ দিতে হয়নি। সব অর্থ দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

জানা যায়, এই বীমার আওতায় মোট ৫০টি রোগের সেবা পাবে ওইসব পরিবার। এসব পরিবারের কেউ হাসপাতালে ভর্তি হলে তার সব ধরনের চিকিৎসা এমনকি অস্ত্রোপচারের খরচও বীমার আওতায় আনা হয়েছে। রোগ নির্ণয়ের জন্য যদি কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা লাগে তবে তা উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে না থাকলে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে তার সেই পরীক্ষাগুলো করে দেওয়া হয়। কালিহাতিতে ৩০ হাজার, ঘাটাইলে ১৮ হাজার ও মধুপুরে ১৬ হাজার অতি দরিদ্র পরিবারকে এই স্বাস্থ্য কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান বা নির্বাহী কর্মকর্তা বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এসব দরিদ্র মানুষের তালিকা তৈরি করে তাদের কার্ড করে দিতে সাহায্য করেন।

এছাড়া টাঙ্গাইলের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে নির্ধারিত ফার্মেসি আছে, যেখান থেকে রোগীরা ওষুধ নেয়। পরে ওই ফার্মেসিকে টাকা পরিশোধ করে দেয় সরকার। রোগীর রোগের ধরন দেখে গুরুত্ব অনুযায়ী রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইলের এই পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে সারা দেশে সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এটি পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্প হিসেবে ধরা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, উন্নত বিশ্বে সব চিকিৎসার জন্য বীমা আছে। কোনো বীমা স্থানীয় সরকারের আওতায়, কোনো বীমা ইন্সটিটিউটের আওতায় চলমান। বলা হয়, কোনো দেশকে স্বাস্থ্যবীমা করাতে গেলে ন্যূনতম মাথাপিছু আয় ছয় হাজার ডলার হলে স্বাস্থ্যবীমা করা যায়। কিন্তু আমাদের দেশের অবস্থা তেমন না হলেও দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিবেচনায় সরকার এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


    পাবনায় নামাজের সময়সূচি
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ০৩:৪৭
    সূর্যোদয়ভোর ০৫:১৪
    যোহরদুপুর ১১:৫৫
    আছরবিকাল ১৬:৩৪
    মাগরিবসন্ধ্যা ১৮:৩৬
    এশা রাত ২০:০৬

পাবনা এলাকার সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি

© All rights reserved 2019 newspabna.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!