বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ইউএনওর ওপর হামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

image_pdfimage_print

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

গ্রেফতারকৃত দুইজন হলেন- প্রধান আসামি আসাদুল ইসলাম ও সন্দেহজনক জাহাঙ্গীর আলম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে হাকিমপুর উপজেলার কালীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পর আসাদুলকে রংপুরে নিয়ে গেছে র‍্যাব। আসাদুল ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর (সাগরপুর) গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ ফেরদৌস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট থানা এবং র‌্যাবের একটি দল যৌথভাবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে কালীগঞ্জ এলাকা থেকে আসাদুলকে আটক করা হয়।

এদিকে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৫মিনিটের দিকে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় বলে জানিয়েছেন রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের উপ-পরিচালক অধ্যাপক ডা. বদরুল আলম।

তিনি জানান, ইউএনও ওয়াহিদার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে আইসিইউতে অবজারভেসনে রাখা হয়েছে। আগের চেয়ে অবস্থা কিছুটা উন্নতি বলা যায়, তবে তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন। এর আগে রাত ৯টার দিকে তাকে অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার আগে তার সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। প্রেশার চেক করে, অবস্থা স্বাভাবিক থাকায় তার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ জানান, ওয়াহিদা খানমের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। হাতুড়ির আঘাতে তার মাথায় দেড় ইঞ্চি পরিমাণ গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের আইসিইউতে অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমানের অধীনে চিকিৎসাধীন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে একদল দুর্বৃত্ত ইউএনওর সরকারি আবাসিক ভবনে ঢুকে ওয়াহিদা খানমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে। এ সময় চিৎকারে তার সঙ্গে থাকা বাবা ছুটে এসে মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে অন্য কোয়ার্টারের বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দেন। এ সময় তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রংপুরে পাঠানো হয়। ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে আইসিইউতে ও তার বাবাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়।

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!