রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০২:২১ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ইছামতী নদী রক্ষায় ১৯ দপ্তরে বেলার আইনি নোটিশ

ইছামতী নদী রক্ষায় ১৯ দপ্তরে বেলার আইনি নোটিশ

image_pdfimage_print

বার্তাকক্ষ : পাবনা শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত ইছামতী নদী দখল ও দূষণে মৃতপ্রায়। এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীববৈচিত্র্যের ওপর।

দীর্ঘদিন ধরে এ জেলার মানুষ নদীটি দখলমুক্ত করে খননের দাবিতে আন্দোলন করছে।

এই দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে গতকাল সোমবার (১০ জুলাই) সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আইনি নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, পাবনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ ১৯টি দপ্তরের প্রধানের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়।

বেলার আইনজীবী সাঈদ আহম্মেদের স্বাক্ষরিত নোটিশে ১০ দিনের মধ্যে ইছামতী নদী রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ জানাতে বলা হয়েছে।

অন্যথায় ওই দপ্তরপ্রধানদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই নোটিশে বলা হয়, ইছামতী নদী জেলা সদরের ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পদ্মা থেকে বেড়া উপজেলার হুড়াসাগর নদীতে গিয়ে মিশেছে।

যাতায়াত ও শহরের পানিনিষ্কাশনে জন্য এই নদী ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নদীটি এখন দখল ও দূষণে জর্জরিত।

বেলার রাজশাহী কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক তন্ময় সান্যাল বলেন, ‘আমরা রেজিস্ট্রি ডাকযোগে প্রতিটি দপ্তর বরাবর নোটিশ পাঠিয়ে দিয়েছি। আগামী ১০ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক পদক্ষেপ না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে জেলা প্রশাসন সদর উপজেলার শিবরামপুর থেকে পৌর এলাকার শালগাড়িয়া শ্মশানঘাট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার নদী এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট দখল হয়ে যাওয়া জমি শনাক্ত করে।

এ সময় ২৮৪ জন দখলদার চিহ্নিত করা হয়। ২০১১ সালে কিছু জমি দখলমুক্ত করা হলেও ফের তা বেদখল হয়ে যায়। এরপর আইনি জটিলতায় ইছামতী দখলমুক্ত হয়নি।

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!