বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ঈশ্বরদীতে গ্যাস লাইনে লিকেজ- ইপিজেডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

ছবিটি-প্রতীকী

image_pdfimage_print

বার্তাকক্ষ : ঈশ্বরদীতে গ্যাসের ১৪০ পিএসআইজি প্রেসারের লাইনে লিকেজ সৃষ্টি হওয়ায় ইপিজেড এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আইকে রোডের ন্যাংড়ার দোকানের কাছে এলাকার লোকজনের কাছে লিকেজের ঘটনা ধরা পড়ে।

পরে ঈশ্বরদীস্থ পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের কর্যালয়ে খবর দেওয়া হয়।

ক্যাথডিক প্রটেকশন সিষ্টেমে ত্রুটির কারণে এবং নিয়মিত মনিটরিং না করায় মাটির ক্ষয়ে এই লিকেজ সৃস্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইতিমধ্যে লিকেজ চিহ্নিত করে মেরামত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে কোম্পানির লোকাল অফিস জানিয়েছে। ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা বলে দাবি করেছেন।

পিজিসিএল এর ঈশ্বরদী কর্যালয়ের ম্যানেজার প্রকৌশলী বরকত হোসেন মোল্লা জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে লোকাল টিম নিয়ে এখানে অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। পাবনা অফিস থেকেও টিম এসেছে।

আট ইঞ্চি ডায়ামিটারের এই পাইপ লাইন দিয়ে ইপিজেডের ৯টি প্রতিষ্ঠানে ও একটি গ্যাস স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

এই লাইনের আলহাজ্ব মোড় ও নতুনহাট এলাকার পিএসআইজি লাইনের বাল্ব স্টেশন বা পোষ্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

লাইনের ভেতরের গ্যাস নির্গত করে আরও কোনো লিকেজ আছে কিনা পরীক্ষা শেষে মেরামতের কাজ শুরু হবে।

এতে সাময়িকভাবে ইপিজেডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এঘটনায় বাসা-বাড়িতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্র জানায়, ২০০১ সালে বাঘাবাড়ি হতে ঈশ্বরদী ইপিজেড পর্যন্ত ৮৮ কিলোমিটার ব্যাপী ১৪০ পাউন্ড পার ইঞ্চি চাপের এই গ্যাস লাইন সংস্থাপন করা হয়।

কোম্পানির অপরারেশন বিভাগের ক্যাথডিক প্রটেকশন শাখার অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতি মাসে মনিটরিং এর নিয়ম থাকলেও এটি করা হয় না। বছরে ১/২ বার স্পট কোটেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষার কথা বলা হলেও আদৌ করা হয় কিনা এই বিষয়ে অনেকেরই সন্দেহ রয়েছে।

এব্যাপারে কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান পাটোয়ারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটি একটি নিছক দুর্ঘটনা।

ইতোমধ্যেই দুটি টিম কাজ শুরু করেছে। ক্যাথডিক প্রটেকশন প্রসংগে তিনি বলেন, দেশে এক হাজারেরও বেশী পোষ্ট রয়েছে। ২-৪ মাস পর পর ক্যাথডিক প্রটেকশন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়।

ক্যাথডিক প্রটেকশন হলো মাটির নীচের লোহার পাইপ মরিচা ধরে যেন নষ্ট না হয়।

এজন্য কম ভোল্টেজে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়া থাকে। পোস্ট গুলোতে মাটি ও পাইপ থেকে ভোল্টেজে কোনো পার্থক্য আছে কিনা রিডিং নিয়ে পরীক্ষা করার কথা।

প্রতি মাসে রিডিং নেয়ার নিয়ম না মানায় লাইনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ এবং গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।

ক্যাথডিক প্রটেকশন সিষ্টেম নিয়মিত কার্যকর করা না হলে একসময় লিকেজের সংখ্যা বেড়ে যাবে।

শেষ পর্যন্ত সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে পাইপ লাইন পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!