শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ঈশ্বরদীতে গ্রাহকের ২ কোটি টাকা নিয়ে ‘ঋণদান সমিতি’ উধাও

ঈশ্বরদীতে গ্রাহকের ২ কোটি টাকা নিয়ে ‘ঋণদান সমিতি’ উধাও

image_pdfimage_print

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে ছয় শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে ‘জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি ভূইফোঁড় প্রতিষ্ঠান।

ওই প্রতিষ্ঠানটি নামমাত্র সঞ্চয়ের বিপরীতে মোটা অংকের টাকা ঋণদান ও অধিক মুনাফা অর্জনের ফাঁদে ফেলে এই টাকা সংগ্রহ করে। এ ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও হতাশায় রয়েছেন গ্রাহকরা। বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা ওই সমিতির ক্যাশিয়ারের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে।

একাধিক গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১২ সালের শেষের দিকে ঈশ্বরদী বাজারের জিন্নাহ মার্কেটে অবস্থিত রুপালী  ব্যাংকের উপরে কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে অফিস স্থাপন করে জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড।

পরে দরিনারিচা এলাকার প্রভাবশালী তৌহিদ আকতার পান্নার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া শিমুকে ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানটি। সমিতিটি অফিস স্থাপন করার পর থেকে রেলগেট, পূর্ব টেংরী বাজার, আমবাগান, রেল কলোনী, সুইপার কলোনী, দরিনারিচা, শেরশাহ রোড, লোকোশেড, উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের নামমাত্র সঞ্চয়ের বিপরীতে ঋণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়।

প্রতি লাখে দুই থেকে তিন হাজার টাকা মাসিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে গ্রাহকদের নিকট থেকে মোটা অংকের আমানত সংগ্রহ করে সংস্থাটি।

ক্যাশিয়ারের বান্ধবী শোভা আকতার বলেন, আমার বান্ধবী শিমু এসে বলার পর কিছুটা সাহস পাই এবং আমানত রাখার সিদ্ধান্ত নেই। পরে সেখানে আমি সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা রাখি। প্রতি মাসে যে মুনাফা আসে সেই টাকাও শিমু আমাকে দেয়নি। সে ওই টাকাগুলোও ডিপিএস করার কথা বলে রেখে দেয়। সহজ সরল বিশ্বাসে টাকা দিয়ে এখন সর্বনাশ হয়ে গেছে আমার।

একইরকম অভিযোগ করেন রেলগেট এলাকার গ্রাহক সম্পা খাতুন, শামিমা আক্তার পিয়া, শারমিন আকতারসহ অনেকে।

এ বিষয়ে গ্রাহক শারমিন আকতার বলেন, পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করছে না। আমরা গত দুই দিন থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করছে না।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাই বলেন, আমার কাছে কেউ অভিযোগ দিতে আসে নাই। তবে এটা নিয়ে ঝামেলা হলে ক্যাশিয়ারের বাড়ির সামনে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

এ ব্যাপারে জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মনিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিক বার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এর আগে এই জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড মাগুরা থেকে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যায়।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!