মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

পালিয়েও বাঁচতে পারলেন না চাটমোহরের সেই ক্লিনিক মালিক

image_pdfimage_print

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট : পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ট্রাকের চাপায় অটোরিক্সা আরোহী আমীর হোসেন বাবলু (৫৫) নামের একজন ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

রোববার (১৭ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর সদরের বাবুপাড়া এলাকায় রিকশাযোগে শ্বশুর বাড়িতে ফেরার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা এক ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান বাবলু।

ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাবলু চাটমোহর পৌর সদরের আফ্রাতপাড়া মহল্লার তোফাজ্জল সরদারের ছেলে।

গত ১১ নভেম্বর চাটমোহর ইসলামি ক্লিনিকে তাছলিমা খাতুন নামে প্রসূতির অপারেশন চলাকালে মৃত্যুর ঘটনায় নিহত ওই গৃহবধুর বাবা মজনুর রহমান মজনু বাদী হয়ে চাটমোহর সদর থানায় একটি হত্যামামলা দায়ের করেন।

বাবলু ওই মামলার পলাতক ও প্রধান আসামী ছিলেন। ঘটনার পর থেকে তিনি গত একসপ্তাহ যাবৎ ঈশ্বরদী পৌর এলাকায় শ্বশুরবাড়ি আত্মগোপন করে ছিলেন।

আজ সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকালে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ সুরতহাল শেষে আইনগত প্রক্রিয়ায় নিহতের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে।

গত ১১ নভেম্বর সোমবার রাতে আমির হোসেন বাবলুর মালিকানাধীন ‘চাটমোহর ইসলামিক হাসপাতাল’ ক্লিনিকে এক প্রসূতির অপারেশন চলাকালে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় চিকিৎসক সাদ্দাম হোসেন নিবির ও আসাদুজ্জামানকে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।

তবে ওই সময় কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন আমির হোসেন বাবলু।

এরপর ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে ওই ঘটনায় মৃত প্রসূতি তাছলিমা খাতুনের বাবা মজনুর রহমান মজনু বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় ওই তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন আমির হোসেন বাবলু।

ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এর স্টেশন অফিসার আরিফুল ইসলাম জানান, রিক্সা যোগে রেলগেট থেকে ষ্টেশন অভিমুখে যাবার সময় পেছন থেকে লালপুর গামী একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দিলে রিক্সা উল্টে যায় এবং বাবলু মাথায় এবং বাম হাতে প্রচন্ড আঘাত পায়।

খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা গুরুতর রক্তাক্ত ও আহত অবস্থায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন ।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী জানান, খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

সুরতাহাল শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় এবং পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকার কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহত বাবলুর মরদেহ তার আত্মীয় স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!