বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

এখনো সন্ধান মেলেনি তাদের

image_pdfimage_print

এখনো সন্ধান মেলেনি আফগানিস্তানে অপহৃত দুই ব্র্যাক কর্মকর্তার। নিখোঁজের পর চলে গেছে ৯ টি দিন।

পাবনার সন্তান ব্র্যাকের ওই দুই কর্মকর্তা হলেন সিরাজুল ইসলাম সুমন ও হাজি শওকত আলী। ওই দুজনের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম সুমন পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া গ্রামের এজেম উদ্দিন খানের ছেলে।
আর হাজি শওকত জেলার ফরিদপুর উপজেলার হাঙরাগাড়ি গ্রামের প্রয়াত মোস্তাক হোসেনের ছেলে। নিখোঁজ হওয়ার থেকে দুজনের পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাটছে না। থামছে না স্বজনদের কান্না।

পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া গ্রামে সুমনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর স্ত্রী লতা খাতুনের আহাজারি আর কান্নার যেন শেষ নেই। নয় দিন ধরে কাঁদতে কাঁদতে পাগলপারা তিনি। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন সুমনের মা-বাবা। পরিবারের অভিযোগ, পাবনার ব্র্যাকের আলমাস নামের এক কর্মকর্তা একদিন সুমনের বাসায় গিয়ে সহমর্মিতা জানালেও এর পর থেকে আর কেউ যোগাযোগ করেননি। জানায়নি কোনো সহমর্মিতাও। এ নিয়ে হতাশ তাঁরা।

পারিবারের সদস্যরা জানান, দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সুমন তৃতীয়। ১০ বছর ধরে তিনি ব্র্যাকে চাকরি করেন। আফগানিস্তানে আছেন ২০১২ সালের প্রথম থেকে। সর্বশেষ ছুটিতে গ্রামে বাড়ি এসে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি ফিরে যান কর্মস্থল আফগানিস্তানে। দুই বছর আগে বিয়ে করলেও সন্তান নেই তাঁদের সংসারে।

গত ১৭ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে আফগানিস্তানের কন্দুজ থেকে বাগলান এলাকায় যাওয়ার পথে অস্ত্রের মুখে ব্র্যাকের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সুমন ও প্রধান প্রকৌশলী হাজি শওকতকে অপহরণ করে বন্দুকধারীরা। ঐদিন রাতে আফগানিস্তান থেকে ফোনে সুমনের সহকর্মী শহীদুল ইসলাম পরিবারকে অপহরণের ঘটনা জানান। এর পর থেকে সুমনের স্বজনদের পরিবারে নেমে আসে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। স্বামীর চিন্তায় কান্না থামছে না সুমনের স্ত্রী লতা খাতুনের।

লতা খাতুন বলেন, ১৭ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে আফগানিস্তান থেকে শহীদুল ইসলাম আমাকে ফোন করে জানান, আমার স্বামীকে অপহরণ করা হয়েছে। এর পর থেকে আমি কোনো কিছু ভাবতে পারছি না। এখন কীভাবে আমার স্বামীকে ফিরে পাব? আমি আমার স্বামীকে সুস্থ শরীরে আমার কাছে ফিরে চাই। সুমনের বৃদ্ধ মা শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘ছেলেকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন ছিল। সেগুলো পূরণ হয়নি।

সরকারের কাছে দাবি জানাই, আমার ছেলেকে আমার কোলে ফিরিয়ে দেন। সুমনের চাচাতো ভাই আবদুল খালেক খান বলেন, ‘সরকার ও দুই দেশের দূতাবাসের কাছে আশা, আমার ভাইকে সুস্থ দেহে দেশে আনুন।

সুমনের বাবা এজেম উদ্দিন খান বলেন, ঘটনা জানার পর থেকে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ছেলে অপহরণের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কে আছি।

অপহৃত হাজি শওকতের মা ও স্ত্রী সন্তান থাকে ঢাকার উত্তরায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁর ভায়রা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, অপহরণের ঘটনা আমরা শুনেছি। শোনার পর থেকে আমরা খুব টেনশনে আছি। শওকত আলীর মা, স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়ের সবাই ঢাকার উত্তরায় বসবাস করে। ফরিদপুরে কেউ থাকে না।


পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

পাবনার কৃতী সন্তান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী

Posted by News Pabna on Tuesday, August 18, 2020

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

পাবনার কৃতি সন্তান নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

Posted by News Pabna on Monday, August 10, 2020

© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!