শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

এখন থেকে অনলাইনে দেয়া যাবে জমির খাজনা

image_pdfimage_print

বার্তাকক্ষ : জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এখন থেকে অনলাইনে করা যাবে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ আয়োজন উদ্বোধন করা হয়।

‘হাতের মুঠোয় ভূমি সেবা’ শীর্ষক ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অনলাইন ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার পাইলটিং (প্রথম পর্যায়) কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ভূমি সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারসহ মামলা সম্পর্কিত তিনটি সফটওয়্যারের পাইলটিংয়ের জন্য প্রথম পর্যায়ে আটটি জেলার নয়টি উপজেলাধীন নয়টি পৌর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অন্তর্গত ১৯টি মৌজা নির্বাচন করা হয়েছে।

এর মধ্যে পাঁচটি পৌর ভূমি অফিসের অন্তর্গত ১৩টি মৌজা হচ্ছে- চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও দক্ষিণ মতলব উপজেলার অন্তর্গত মিরপুর, গুদারারচর, নোয়াগাঁও, রুদ্রগাঁও, ভাটিরগাঁও, চরহোগলা, মোবারকদি ও ১৭৬নং ঢাকিরগাঁও মৌজা, মানিকগঞ্জ সদরের বনগ্রাম চক ও গঙ্গাধর পট্টি মৌজা, কিশোরগঞ্জ সদরের করমূলী ও মারিয়া মৌজা এবং জামালপুর সদরের সাতপাকিয়া মৌজা।

৪টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অন্তর্গত ৬টি মৌজা হচ্ছে – গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলাধীন পাটগাতি ইউনিয়নের অন্তর্গত টুঙ্গিপাড়া মৌজা, ঢাকার সাভার উপজেলাধীন বাগধনিয়া ইউনিয়নের মজিদপুর ও আনন্দপুর মৌজা, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাধীন খাসখামা ইউনিয়নের হাইলধর ও মালঘর মৌজা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর ইউনিয়নের ‘দেওভোগ ‘ম’ খণ্ড’ মৌজা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে দেশের সব ভূমি অফিসেই অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করা যাবে। তবে ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে সারাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা শতভাগ অনলাইনের কার্যক্রমের আওতায় চলে আসবে।

এ সময় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জানান, অনলাইনভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) প্রদান করা যাবে। ভূমি কর প্রদানের সাথে সম্পৃক্ত দেশের তিন কোটি ৬০ লাখ জনগণ এ সেবার মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। মানুষের ভূমি-সংক্রান্ত হয়রানি কমবে ও ভূমি অফিসের দুর্নীতি বন্ধ হবে।

ভূমিমন্ত্রী এ সময় আরো বলেন, গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত প্রয়াসে ভূমি ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। তার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের দূরদর্শী উদ্যোগের ফসল হিসাবে ভূমি মন্ত্রণালয় মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনাইটেড ন্যশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ অর্জন করেছে।

মৌজা রেট সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এ সংক্রান্ত ব্যাপার মূলত আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বিষয়টি তুলে ধরব। আগামী বছর ২০২১ সালের জুলাই মাস নাগাদ দেশব্যাপী অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা চালু করার ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদী।

ভূমি সচিব মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারী জানান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি রাজস্ব আদায়ের পাইলটিং কার্যক্রম চালানোর জন্য নির্বাচিত ভূমি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মরত কর্মকর্তারা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটয়্যার ব্যবহার করে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপ্ত দাখিলার বৈধতা দিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!