মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১১:৫৩ অপরাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

এবার ভর্তির দায়িত্ব নিলেন রাবি ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি এহসান

রাবি প্রতিনিধি: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থের অভাবে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়া মেধাবী ছাত্র ফরিদুলের ভর্তিসহ যাবতীয় দায়িত্ব নিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান এহসান। শুক্রবার রাতে ফরিদুলকে ফোন করে তার দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি জানান ছাত্রলীগের এই নেতা।

মেধাবী ছাত্র ফরিদুল ইসলামের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভা এলাকার মালভাঙ্গা গ্রামে। তার পিতা আইয়ুব আলী পেশায় বিদ্যুৎ মিস্ত্রি। অর্থের অভাবে ভর্তি হওয়া নিয়ে সংশয়ে ছিলেন তার পরিবার। তবে ভর্তিসহ সকল সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়ায় ভর্তি সংক্রান্ত শঙ্কা থেকে মুক্ত।

ভর্তির দায়িত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান এহসান বলেন, ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছে না মেধাবী ছাত্র ফরিদুল। একটি অনলাইন সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেই ফরিদুলের মোবাইল নম্বর জোগার করে তাকে ফোন দিই। আজ কুড়িগ্রাম থেকে ক্যাম্পাসের উদ্যেশে আসছে। সে আসলে আমি তাকে ভর্তি করাবো।
এছাড়া তাকে হলে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থাসহ পরবর্তীতে মেধাবী এই ছাত্রের কোন সহযোগিতা লাগলে তা করবো।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফরিদুল ইসলাম কে বলেন, গত বছর ভর্তি পরীক্ষার টাকা জোগাড় করতে না পারায় পরীক্ষা দিতে পারিনি। এ বছর অনেক কষ্টে টাকা জোগাড় করে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়ে তিনটিতেই ভর্তি সুযোগ পেয়েছি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সি’ ইউনিটে ৪৭৯তম হয়েছি। আমার ইচ্ছে রাবিতেই ভর্তি হওয়ার। ভর্তির শেষ তারিখ ১১ ডিসেম্বর। কিন্তু টাকার ভর্তি হতে পারিনি। এটি নিয়ে অনেক দুশ্চিস্তায় ছিলাম। এরমধ্যে হঠাৎ আমাকে ফোন করে রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান এহসান। তিনি আমার ভর্তিসহ সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

এর আগে আরেক মেধাবী ছাত্র দিপক কুমারের ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া। অর্থ সংকটে দিপকের রাবিতে ভর্তি হতে না পারার বিষয়টি জানলে ফোন করে দিপককে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি।

জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব-নওদাবাস গ্রামের মৃত দোলচাঁদ চন্দ্র বর্মনের ছোট ছেলে দিপক কুমার। তিন বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে মা কিরন বালা আর বড় ভাই সুকুমারকেই নিয়ে তাদের সংসার গড়ে উঠে।

সে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ইউনিট থেকে ভর্তি পরীক্ষায় ২৮৮, ই-ইউনিটে ৩০১ তম মেধাস্থান অর্জন করে ভর্তির সুযোগ পায়।

error20
fb-share-icon0
Tweet 10
fb-share-icon20


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
error: Content is protected !!