শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

কুমিল্লায় পবিত্র কোরান অবমাননা সংক্রান্ত খবরটির প্রতি সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে সকলকে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম

কোনোভাবেই নিজেদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম। বরং বিভক্ত দলটির নেতারা নিজ নিজ বলয়ে শক্তি বৃদ্ধি করছেন। এতে একদিকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন, অন্যদিকে সংগঠনটি দিন দিন আরও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন দলটির দায়িত্বশীল নেতারা।

নেতাকর্মীরা জানান, মূলত ড. কামাল হোসেনের উত্তরসূরি নিয়েই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। একটি অংশ দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টুু অপর অংশ সংসদ সদস্য মোকাব্বির খানকে সমর্থন করছে। কেউ কোনো অংশকে ছাড় দিতে নারাজ। এর পরও দলের একটি অংশ বিবদমান অংশগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।

জানা গেছে, দলটির একাংশ গণফোরামের রাজধানীর আরামবাগের ইডেন কমপ্লেক্সে আগের ঠিকানায় দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অপরাংশ পল্টনে নতুন অফিস ভাড়া নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনে একাংশের নেতারা নিজেদের মূল দাবি করে চিঠি দিলেও ড. কামাল হোসেনের চিঠিতে তা বাতিল হয়ে যায়। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন অংশকেই নির্বাচন কমিশন বৈধতা দিয়েছে। এখন এ অংশটিই আগামী ৪ ডিসেম্বর বিশেষ কাউন্সিলের ঘোষণা দিয়েছে। অপরাংশ আগামী মাসে বর্ধিত সভা করে কাউন্সিলের ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কয়েকজন নেতার ভাষ্য, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন অংশটি রাজনৈতিক কার্যক্রমে ঝিমিয়ে পড়লেও অপরাংশ সারাদেশে কর্মী সভা করছে। ইতোমধ্যে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সফর শেষ করেছে তারা।

সূত্র জানায়, বিদ্রোহী অংশে দলের সিংহভাগ নেতাকর্মী থাকলেও মূল অংশে ড. কামাল হোসেন রয়েছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীরা ড. কামাল হোসেনকে পছন্দ করেন, কিন্তু তার উত্তরসূরি হিসেবে মোকাব্বির খানকে অপছন্দ করেন। আবার অপরাংশের নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, অধ্যাপক আবু সাইয়িদের মতো নেতাদের ঘিরে কর্মীদের মধ্যে শ্রদ্ধাবোধ কাজ করছে।

নেতাকর্মীরা জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দলের সিদ্ধান্ত ছাড়া সংসদে শপথ নেওয়া এবং বিশেষ কাউন্সিল ঘিরে গণফোরামে অনৈক্য সৃষ্টি হয়। ওই সময় দলের সাধারণ সম্পাদক করা হয় ড. রেজা কিবরিয়াকে। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত মানতে পারেননি অনেকে। পরে পাল্টাপাল্টি বহিস্কার ও কাউন্সিল করার সিদ্ধান্ত নেয় দুই পক্ষ। এক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করে ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন ড. কামাল হোসেন। এতে নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আরও বাড়ে।

0
1
fb-share-icon1


© All rights reserved 2021 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!