শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন

করোনার সবশেষ
করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বরণ করেছেন ৬১ জন, শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯১৪ জন। আসুন আমরা সবাই আরও সাবধান হই, মাস্ক পরিধান করি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।  

কবরীর আলোচিত সিনেমা

বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী মারা গেছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৩ দিনের মাথায় শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ২০মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

১৯৫০ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জন্ম নেওয়া কবরী ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং’ সিনেমার নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। তারপর আর তাকে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শকদের মনে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। অভিনয় জীবনে নায়িকা হিসেবে কবরী করেছেন শতাধিক সিনেমা।

তাকে বলা হয় ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’। এ উপাধি তিনি ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই পেয়েছিলেন। সত্তর ও আশির দশকে একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে কবরী হয়ে ওঠেন কিংবদন্তি। আমাদের আজকের আয়োজনে তার কিংবদন্তি হয়ে ওঠার পেছনে কিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমার গল্প তুলে ধরা হলো-

সুতরাং
সুতরাং ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতাপূর্ব একটি পাকিস্তানি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সুভাষ দত্ত এবং তিনি এই সিনেমাতে একটি গ্রামের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সুভাষ দত্ত ছাড়াও সিনেমার প্রধান প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন কবরী, রানী সরকার, বেবী জাসমীন, বেবী জামান, মেছবাহ, আকবর, মঞ্জুর, ইনাম, সিরাজ, মেহেদী, খান জইনুলসহ আরো অনেকে।

সৈয়দ শামসুল হক এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য, সংলাপ রচনা করেছিলেন এবং সকল গানের গীতিকার ছিলেন।

এটি কবরী অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র। সুভাষ দত্তের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্য সাহার চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালনার অভিষেক ঘটে। এটি বাংলাদেশের প্রথন চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্মাননা লাভ করেছিল। ১৯৬৫ সালে ফ্রাংকফুর্ট চলচ্চিত্র উৎসবে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।

এ সিনেমার মধ্য দিয়ে দেশীয় দর্শকের কাছে কবরী রোমান্টিকতার নতুন নাম হয়ে ওঠেন। এ সিনেমাটির মাধ্যমেই তিনি পরিচিতি পান ‘মিষ্টি মেয়ে’ খ্যাতি।

নীল আকাশের নীচে
নীল আকাশের নিচে ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পূর্বকালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি চলচ্চিত্র। কাহিনীকার ইসমাইল মোহাম্মদ একটি কাহিনী তৈরি করেন এবং সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন পরিচালক নারায়ণ ঘোষ মিতা। তৎকালীন বাঙালি পরিবারের গল্পই সিনেমাটির প্রধান উপজীব্য বিষয়।

সিনেমাতে প্রধান দুইটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন- নায়করাজ রাজ্জাক ও কবরী। এছাড়াও, গুরুত্বপূর্ণ কিছু চরিত্রে অভিনয় করেন – আনোয়ার হোসেন, রোজী সামাদ, হাসমত, সিনা, এনাম আহমেদ, রব্বানী, কোরেশী-সহ আরও অনেকে।

এটি এমন একটি সিনেমা যার সবগুলো গান হিট তকমা পেয়েছিলো। ‘হেসে খেলে জীবনটা’, ‘নীল আকাশের নিচে আমি’, ‘গান হয়ে এলে’ ও ‘প্রেমের নাম বেদনা’ গানগুলো মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে এখনও।

স্মৃতিটুকু থাক
১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে মুক্তি সিনেমাটি। আলমগীর কুমকুম পরিচালিত ‘স্মৃতিটুকু থাক’ দর্শক মনে জায়গা করে নেয়। সেলুলয়েড পর্দার বাইরেও সিনেমাটি অন্যভাবে আলোচিত। কারণ এই নাম ব্যবহার করেই কবরী প্রকাশিত করেন তার আত্মজীবনী। ২০১৭ সালে ‘স্মৃতিটুকু থাক’ নামে মোড়কবন্দি হয় বইটি।

রংবাজ
এ সিনেমাতে কবরীর নায়ক ছিলেন নায়করাজ রাজ্জাক। ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি পরিচালনা করেন জহিরুল হক। এর ‘হৈ হৈ হৈ রঙিলা’, ‘সে যে কেন এলো না’ গান দুটো এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। বাংলা চলচ্চিত্রের পালাবদলে এ সিনেমাটি বিরাট ভূমিকা রাখে। এতে রাজ্জাক-কবরী জুটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

রংবাজ সিনেমাটির মাধ্যমে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নায়করাজ রাজ্জাক অ্যাকশনের সূচনা করেন। এটিই বাংলাদেশের প্রথম অ্যাকশন ধর্মী সিনেমা। অভিনেতা রাজ রাজ্জাক এর নিজ চলচ্চিত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশন ব্যানারে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়। এ সিনেমার মাধ্যমে একজন প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন নায়ক রাজ। সিনেমার মূল ভূমিকায় আরও অভিনয় করেছেন- রোজি ও নওয়াব সিরাজদৌলা খ্যাত আনোয়ার হোসেন।

তিতাস একটি নদীর নাম
ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ কালজয়ী সাহিত্যনির্ভর একটি চলচ্চিত্র। যা অদ্বৈত মল্লবর্মণের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭৩ সালে তৈরি হয়। কবরী এই সিনেমাতে রাজার ঝি চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেন। ধরা হয়ে থাকে, কবরীর ‘কবরী’ হয়ে ওঠার পেছনে এ সিনেমাটি বেশ ভূমিকা রেখেছে।

সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন হাবিবুর রহমান খান, এটি তার প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র। এতে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেছেন প্রবীর মিত্র, রোজী সামাদ, কবরী ও গোলাম মুস্তাফা।

বেঈমান
কবরী অভিনীত আলোচিত ও সফল সিনেমা এটি। এ সিনেমাতেও তার নায়ক ছিলেন নায়করাজ রাজ্জাক। এর গানগুলোও বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন রুহুল আমিন।

মাসুদ রানা
গোয়েন্দা চরিত্র মাসুদ রানাকে নিয়ে চলচ্চিত্র এটি। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কাজী আনোয়ার হোসেনের গোয়েন্দা চরিত্রটি পর্দায় উঠে আসে। এর প্রযোজক ও পরিচালক ছিলেন নায়ক সোহেল রানা। চলচ্চিত্রে মাসুদ রানা অভিনয় করেন সোহেল রানা নিজেই। তার বিপরীতে ছিলেন অলিভিয়া ও কবরী। এর মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্র নতুনত্বের স্বাদ পায় দর্শকরা। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে।

সুজন সখী
১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কবরী-ফারুক অভিনীত এ সিনেমাটিকে বাংলা ভাষার অন্যতম রোমান্টিক পিস হিসেবে ধরা হয়। প্রমোদ কর ছদ্মনামে সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার খান আতাউর রহমান।

জনতা চিত্র প্রকল্প প্রযোজিত এই ছায়াছবিটির কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন আমজাদ হোসেন এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক খান আতা নিজেই। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে দুই ভাইয়ের আলাদা হয়ে যাওয়া ও তাদের মিলনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে এই চলচ্চিত্রে। এতে নাম চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক ও কবরী। এছাড়াও অন্যান্য ভূমিকায় রয়েছেন- খান আতাউর রহমান, ইনাম আহমেদ, রওশন জামিল, সুমিতা দেবী।

চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের প্রথম আয়োজনে তিনটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে। ১৯৯৪ সালে চলচ্চিত্রকার শাহ আলম কিরণ অকাল প্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহ ও শাবনূর জুটিকে নিয়ে সুজন সখি নামে চলচ্চিত্রটির পুনঃনির্মাণ করেন।

এই চলচ্চিত্রের একটিমাত্র কপি বর্তমানে বাংলাদেশ ফিল্ম আরকাইভের সংগ্রহে রয়েছে।

সারেং বৌ
নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের একটি গ্রামের সহজ সরল মেয়ে নবিতুনকে নিয়ে এর গল্প। সিনেমাটিকে বলা যায় নারীর জীবনযুদ্ধের অন্যতম দলিল। ‘সারেং বউ’ উপন্যাস ও চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে নারীর সংগ্রাম। যা সার্থকভাবে ফুটিয়ে তোলেন কবরী। এর মাধ্যমেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বাদ পান কবরী। অভিনেত্রী হিসেবে এটাই একমাত্র জাতীয় পুরস্কার হয়ে আছে তার। সিনেমাটি ১৯৭৮ সালে মুক্তি পায়। আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত এ সিনেমাতে কবরীর নায়ক ছিলেন ফারুক।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থায় নির্মিত এই ছবিটিতে আবদুল জব্বার এর কণ্ঠে গাওয়া ওরে নীল দরিয়া আমায় দে রে দে ছাড়িয়া গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন- আরিফুল হক, জহিরুল হক, বিলকিস, বুলবুল ইসলাম, ডলি চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

আরাধনা
আরাধনা ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা ভাষার নাট্য-প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজু সিরাজ। এর কাহিনী লিখেছেন বশীরুল হক এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন পরিচালক রাজু সিরাজ নিজেই।

বশীরুল হক নিবেদিত এবং আঞ্জুমান হক প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কবরী সারোয়ার, বুলবুল আহমেদ, শর্মিলী আহমেদ, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। চলচ্চিত্রটি ৫ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে।

এ সিনেমার চরিত্রটিতে কবরী নিজেকে আরও একবার প্রমাণ করেন। এতে মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ে রুপার ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি।

দেবদাস
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে চাষী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সিনেমা ‘দেবদাস’। এর পার্বতী হিসেবে হাজির হয়েছিলেন কবরী। বলাই বাহুল্য, এতে তুমুল প্রশংসিত হন তিনি। সিনেমাটিতে কবরীর নায়ক ছিলেন বুলবুল আহমেদ। বলা যায়, সাহিত্যনির্ভর এই সিনেমাটির পর অনেকবার দেবদাস নির্মিত হলেও কবরীর পারুকে কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৮২ সালে।

এছাড়াও তার অসংখ্য সিনেমা রয়েছে আলোচনায়। তার অন্যান্য জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘আগন্তুক’, ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ময়নামতি’, ‘সারেং বৌ’, ‘দেবদাস’, ‘হীরামন’, ‘চোরাবালি’, ‘পারুলের সংসার’।

কবরী অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো যদি বলি তবে তা হচ্ছে- জলছবি (১৯৬৫), সাত ভাই চম্পা (১৯৬৫), বাহানা (১৯৬৮), আবির্ভাব (১৯৬৮), বাঁশরি (১৯৬৮), যে আগুনে পুড়ি (১৯৬৮), দ্বীপ নেভে নাই (১৯৭০), দর্প চূর্ণ (১৯৬৮), ক খ গ ঘ ঙ (১৯৬৮), বিনিময় (১৯৬৮), লালন ফকির (১৯৭৩) তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩), রংবাজ (১৯৭৩) মাসুদ রানা (১৯৭৪) সবিতা (১৯৭৪), সুজন সখী (১৯৭৫), সাধারণ মেয়ে (১৯৭৫), গুন্ডা (১৯৭৬) নীল আকাশের নিচে (১৯৭৬) ময়নামতি (১৯৭৬) আগন্তুক (১৯৭৬), আঁকাবাঁকা (১৯৭৬), কত যে মিনতি (১৯৭৬), অধিকার (১৯৭৬), স্মৃতিটুকু থাক (১৯৭৬), সারেং বৌ (১৯৭৮), বধূ বিদায় (১৯৭৮), আরাধনা (১৯৭৯), বেইমান (১৯৭৯), অবাক পৃথিবী (১৯৭৯), কাঁচ কাঁটা হীরা (১৯৭৯), উপহার (১৯৭৯), আমাদের সন্তান (১৯৭৯), মতিমহল (১৯৭৯), পারুলের সংসার (১৯৭৯), অরুণ বরুণ কিরণমালা (১৯৭৯), হীরামন (১৯৭৯), দেবদাস (১৯৭৯),আমার জন্মভূমি (১৯৭৯) এবং দুই জীবন (১৯৮৭)।

৫০ বছরের বেশি সময় চলচ্চিত্রে রাজ্জাক, ফারুক, সোহেল রানা, উজ্জ্বল, জাফর ইকবাল ও বুলবুল আহমেদের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। সবার সঙ্গেই তিনি সফল এবং জনপ্রিয় জুটি ছিলেন। তবে ঢাকার চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ছিলেন রাজ্জাক-কবরী।

ওপার বাংলায় যখন উত্তম–সুচিত্রা জুটির সিনেমা তুমুল জনপ্রিয় তখনও বাংলাদেশে তেমন কোনো জনপ্রিয় জুটি গড়ে ওঠেনি। রাজ্জাক ও কবরী তখন একক অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজ নিজ জায়গায় জনপ্রিয়তা কুড়াচ্ছেন। ১৯৬৮ সালে এই দুজনে প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করলেন। নায়ক রাজ্জাকের মতে, তখন থেকেই দেশের দর্শক তাঁদের উত্তম–সুচিত্রা জুটির বিকল্প হিসেবে আপন করে নেন। পরে রাজ্জাক–কবরী অভিনীত প্রায় সব সিনেমাই ছিল সুপারহিট।

এছাড়াও পর্দা শাসন করা এই নেত্রী পর্দার পেছনেও সমান সাবলীল। ২০০৬ সালে ‘আয়না’ নির্মাণ করে চমকে দেন কবরী। এ সিনেমাটির মাধ্যমে অভিনেত্রী সোহানা সাবাকে প্রথম বড় পর্দায় তুলে ধরেন নির্মাতা কবরী। তার বিপরীতে ছিলেন ফেরদৌস।

প্রায় ১৫ বছর পর ২০২০ সালে ফের উদ্যোগ নেন নির্মাণের। নাম ‘এই তুমি সেই তুমি’। এখানেও কবরী তুলে ধরার চেষ্টা করেন নতুন মুখ সালওয়াকে। এর শুটিং পুরোপুরি শেষ করেছিলেন কবরী। চলছিল ডাবিং ও সম্পাদনার কাজ। এতে কবরী নিজেও অভিনয় করেন। যদিও সিনেমাটির শেষ দেখে যেতে পারলেন না এই কিংবদন্তি নেত্রী-অভিনেত্রী।

0
1
fb-share-icon1


শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের প্রিন্স অফ পাবনা

Posted by News Pabna on Thursday, February 18, 2021

© All rights reserved 2021 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!