শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

চাটমোহরের চলনবিলাঞ্চলে আমন চারা সংকটে দিশেহারা কৃষক

চলনবিলাঞ্চলে আমন চারা সংকটে দিশেহারা কৃষক

image_pdfimage_print

জাহাঙ্গীর আলম, চাটমোহর : পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিলাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক বন্যা পরবর্তী রোপা আমন ধানের চারা সংকটে পড়েছেন।

এবারে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় নিমজ্জিত ফসলি জমির উপর থেকে পানি সরে গেলেও চাষীরা নতুন করে আবাদে উদ্যোগী হতে পারছেন না।

চলমান আবাদ মৌসুমের যদিও কিছুটা সময় থাকলেও চারা সংকট সমাধান না হওয়ায় হতাশাগ্রস্থ কৃষক কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতা চাইছে।

হাট বাজার ঘুরে সামান্য কিছু চারার নাগাল পাওয়া গেলেও তা অধিক দামে কিনতে হচ্ছে প্রান্তিক ও বর্গাচাষী কৃষকদের।

কৃষি অধিদফতর দাবি করেছে, চারার কোন সংকট নেই। এবার প্রায় ৫৫ হাজার হেক্টরে রোপা আমন আবাদ হবে।

অতি বর্ষনের ফলে কিছু বীজ তলা নষ্ট হয়ে যাওয়াতে চারা সংকটের আশংকায় কৃষকেরা নতুন করে বীজ তলা তৈরি করতে থাকে।

বীজতলা নষ্ট হওয়ায় পানি নামার সাথে সাথে কৃষক চারা সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। চাহিদার সাথে চারার দামও বাড়তে থাকে।

ফলে বর্তমানে একবিঘা জমি আবাদ করতে ২ হাজার ২শ’ টাকা থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকার চারা বিক্রি হচ্ছে ।

চাটমোহরের জালেশ্বর গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজসহ কয়েকজন জানায়, চারা সংকটে বিভিন্ন হাট বাজারে ঘুরেও পাওয়া যাচ্ছে না।

চাহিদার তুলনায় সীমিত চারা পাচ্ছেন। যেটুকু মিলছে তার দাম নাগাল ছাড়া।

চাটমোহর উপজেলার কৃষক আঃ গনি জানান, তার জমি জলাবদ্ধতা থাকায় আগাম আবাদ করতে পারেনি। বর্তমানে জমি আবাদ যোগ্য হলেও চারা সঙ্কটে আবাদ হচ্ছে না।

পাবনার টেবুনিয় হাটে এসে দাম বেশী হওয়ায় সামান্য চারা খরিদ করেছেন। চারা বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে আবাদ শেষের দিকে হলেও, পানির নীচে তলিয়ে থাকা জমি জেগে ওঠায় কৃষকেরা ওই জমি আবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

পাবনার উৎপাদিত চারা অন্যান্য জেলায় যাবার কারণে সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে বাজার দর বেড়ে যাওয়াতে চড়াদামে তারা চারা বিক্রি করছেন।

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!