সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

চাটমোহরে শিক্ষকের ঋণের টাকা আত্মসাত করে ব্যাংক কর্মকর্তা চম্পট!

চাটমোহরে শিক্ষক ঋণের টাকা আত্মসাত করে ব্যাংক কর্মকর্তা চম্পট!

image_pdfimage_print

বিশেষ প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহরে সোনালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তা শিক্ষক ঋণের টাকা আত্মসাত করে ঢাকায় চম্পট দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ওই ব্যাংক কর্মকর্তার নাম মো: হাবিবুর রহমান। তিনি সোনালী ব্যাংক চাটমোহর শাখায় থাকাকালীন ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে বর্তমানে ঢাকা বুয়েট শাখায় বদলি নিয়ে বহাল তবিয়তে দিনাতিপাত করিতেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ কারী শিক্ষকবৃন্দরা হলেন চাটমোহর আরসি এন এন্ড বিএসএন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মোঃ আব্দুল মোতালেব, চাটমোহর উপজেলার ছাইকেলা ডিগ্রী কলেজের লাইব্রেরীয়ান মোঃ শহিদুল ইসলাম ও চিনাভাতকুর ওয়ারেছিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মোঃ আয়নুল হক।

এই বিষয়ে সোনালী ব্যাংক রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়, পাবনা প্রিন্সিপাল অফিস ও প্রধান কার্য্যালয়ে করা অভিযোগ সুূত্রে জানা গেছে, মোঃ আয়নুল হকের ভোগ্যপণ্যের ঋণের আবেদনের প্রক্ষিতে ২ লক্ষ টাকা ঋণ মঞ্জুর হলে টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান নিজেই নগদ টাকা উত্তোলন করে নগদ ৮০ হাজার টাকা তার হাতে প্রদান করে।

আর বাকী ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা বিভিন্ন কৌশলে ব্যাংকার হাবিবুর রহমান নিজের নিকট রেখে পরে সব টাকা দিয়ে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

একই প্রক্রিয়ায় মোঃ শহিদুল ইলামের নিকট থেকে ৯০ হাজার টাকা এবং মোঃ আব্দুল মোতালেব এর নিকট হতে ২লক্ষ ঋণের টাকার মধ্যে থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা হাবিবুর রহমান রেখে দেন।

যথানিয়মে ঐ সকল শিক্ষক তাদের টাকা না পেয়ে এর প্রতিকার চেয়ে সোনলী ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তাদের নিকট আবেদন করেন।

ফলে পাবনা সোনালী ব্যাংক প্রিন্সিপাল অফিসের এসিস্ট্যান্ট অফিসার মোঃ আমিনুল হককে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

তদন্তে মোঃ হাবিবুর রহমানের ঋণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় এবং হাবিবুর রহমান নিজে গত ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারী ঐ সমুদয় টাকা শিক্ষকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ৩০০টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত দেন।

কিন্তু আজ ৪ জুন ২০১৭ তারিখেও ঐ সমুদয় টাকা তিনি শিক্ষকদের ফেরত দেননি।

ব্যাংক কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান কোন এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাব খাটিয়ে ঢাকায় বদলি হয়ে বর্তমানে বুয়েট শাখায় কর্মরত রয়েছেন।

এদিকে শিক্ষকরা তাদের টাকা ফেরতের আশা নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক চাটমোহর শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ সাইদুল ইসলাম মুঠোফনে জানান, কয়েকজন শিক্ষকের ঋণের টাকা নিয়ে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ শুনেছি, তবে তা আমার আসার পুর্বে হয়েছে তাই এসকল শিক্ষকদেরকে প্রধান র্কায্যালয়ে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছি।

প্রধান কার্য্যালয় ইচ্ছা করলে তা সমাধান করতে পারে বলে জানান শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ সাইদুল ইসলাম।

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!