শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন

চাটমোহরের ১১ ইউনিয়নে নির্বাচন রোববার

বার্তাকক্ষ : দু’চারটি বিচ্ছিন্ন সহিংস ঘটনার মধ্য দিয়ে পাবনার চাটমোহর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনী প্রচারনা চলছে। শেষ মূহুর্তের নির্বাচনী প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী সমর্থকরা।

আগামী রোববার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে চাটমোহর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের এ নির্বাচনে ১৪১ পদের বিপরীতে ৫৭০জন প্রার্থী ভোটের মাঠে নেমেছেন। ইতোমধ্যে ২ জন মেম্বার প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ১১টি চেয়ারম্যানের পদের বিপরীতে ৪০ জন,সংরক্ষিত মহিলা ৩৩ পদের বিপরীতে ১৪৮ জন ও সাধারণ সদস্য (মেম্বার) ৯৭ পদের বিপরীতে ৩৮২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১৭ হাজার ১০৮জন। এরমধ্যে নারী ১ লাখ ৮ হাজার ২৯৫জন ও পুরুষ ১ লাখ ৮ হাজার ৮১৩জন। নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ১০৫টি। ৫ জন রিটার্নিং অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন।

সব প্রার্থী এখন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে গ্রামের হাট-বাজার,রাস্তা-ঘাট,পাড়া। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে ভোট প্রার্থনা।

প্রার্থীদের রকম রকম প্রতিশ্রুতিতে ভাসছে ভোটাররা। অতীতের ভুল শুধরে ভোট প্রার্থনা করছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আর প্রার্থীরা। নতুন প্রার্থীরা সাবেক জনপ্রতিনিধিদের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরছেন। গোটা উপজেলা জুড়ে এখন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে। তবে উপজেলার গুনাইগাছা ও হরিপুর ইউনিয়নে ঘটেছে সহিংস ঘটনা। অন্য ইউনিয়নগুলোতে ভয়-ভীতি ও হুমতি-ধামকি দেওয়ার অভিযোগ জমা পড়েছে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে।

তবে সকল প্রার্থীই বলছেন নির্বাচনের পরিবেশ ভারেঅ আছে। সকলেই চান সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার হরিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোঃ মকবুল হোসেন বললেন,৩ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। সততা আর নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। ইউনিয়নবাসী এবারও নৌকায় ভোট দিয়ে তাঁকে বিজয়ী করবেন। গুনাইগাছা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রজব আলী বাবলু বললেন,সুষ্ঠু,শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা ভোট দিতে পারলে তিনি বিজয়ী হবেন।

তিনিও নিরপেক্ষ নির্বাচন চান। তিনি অভিযোগ করেন নৌকার প্রার্থী নুরুল ইসলাম সংঘাতে জড়াতে ব্যস্ত। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসাইন বললে,জনগণ ভোট দিতে পারলে,তাঁরই জয় হবে। একই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোঃ নবীর উদ্দিন মোল্লা বললেন,চার বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি।

এবারও জনগণ আমাকেই ভোট দেবেন বলে আশা করছি। কারণ বিগত দিনে এ ইউনিয়নে ব্যাপক ইন্নয়ন করেছি। উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগের রাশেদুল ইসলাম বকুল ফের নির্বাচিত হবেন বলে আশাবাদী। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ গিয়াস উদ্দিন চাইলেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেছেন,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাঠে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রিট। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

0
1
fb-share-icon1


© All rights reserved 2021 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!