মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রিয়াদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

image_pdfimage_print

সিরাজগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত নেতার নাম রিয়াদ হোসেন। তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা ছাত্রী স্কুল শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি।

জেলার একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে ওই ছাত্রী। আজ মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা। এতে ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। বেলকুচি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রীর স্বজনরা।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শহিদুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিকেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।

সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের আইনজীবী আনোয়ার পারভেজ লিমন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই ছাত্রী জেলার একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। একই সঙ্গে ওই স্কুল শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি।

মামলার আসামিরা হলেন জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও বেলকুচির চরখাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা রিয়াদ হোসেন (২৫), একই উপজেলার চরচালা গ্রামের আরমান হোসেন (২৬), একই গ্রামের আল-আমিন হোসেন ও রুবেল শেখ, কলাগাছি গ্রামের রতন শেখ ওরফে পিচ্চি রতন (২৪) ও গাড়ামাসি গ্রামের পাপ্পু।

মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, সাত-আট মাস আগে ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ হোসেন স্কুল কমিটি গঠনের ব্যাপারে ওই ছাত্রীর সঙ্গে পরিচিত হয়। পরে তাকে কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতির পদও দেওয়া হয়। এই সূত্র ধরেই উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভনে তা একপর্যায়ে দৈহিক সম্পর্কে রূপ নেয়। এই অবস্থায় গত ১৩ অক্টোবর ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ ওই শিক্ষার্থীকে চরচালায় অবস্থিত তাঁর মেসে ডেকে নিয়ে তারা আবারও দৈহিক মেলোমেশায় লিপ্ত হয়। ওই সময় বিয়ের জন্য চাপ দিলে রিয়াদ তাতে টালবাহানা শুরু করেন।

বিষয়টি প্রকাশ করে দেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখালে রিয়াদ ওই ছাত্রীকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে রিয়াদের আরো পাঁচ সহযোগী ওই ছাত্রীকে মারধর করেন। পরে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাকে তাড়িয়ে দেন। এরপর ওই শিক্ষার্থী তার স্বজনদের বিষয়টি জানায় এবং বাবাকে নিয়ে থানায় মামলা দায়ের করতে যায়। এই সংবাদ পেয়ে অভিযুক্তরা থানায় গিয়ে পুলিশের সামনে আবার ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে আবারও সাদা কাগজে বাবা-মেয়ের স্বাক্ষর নিয়ে তাদের থানা থেকে বের করে দেন। যে কারণে দেরিতে হলেও ঘটনার বিষয়ে তাঁরা আদালতে যান বলে আরজিতে উল্লেখ করেছেন মামলার বাদী।

এদিকে প্রেম ও ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ হোসেন বলেন, ‘ওই মেয়েটি ১৩ অক্টোবর রাতে হঠাৎ আমার মেসে প্রবেশ করে ঘরের দরজা আটকে আমাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে মেস থেকে বের করে দেওয়া হয়।’

রিয়াদ আরো বলেন, ‘এরপর ওই ছাত্রী থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আমার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হয়। থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন তাকে বিদায় করে দেন।’ তিনি আরো জানান, ‘আসন্ন বেলকুচি উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে আমি সভাপতি পদের প্রার্থী। যে কারণে প্রতিপক্ষরা ওই মেয়েকে আমার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে।’

এ ব্যাপারে বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ওই মেয়েটি অভিযোগ করার জন্য থানায় এসেছিল। কিন্তু তার বাবা মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তারা চলে যায়। ওই সময় থানায় কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি, এমনকি সাদা কাগজে কোনো স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি।’

 


পাবনার ২৫০ বছরের পুরনো জামে মসজিদ

পাবনার ২৫০ বছরের পুরনো জামে মসজিদ

পাবনার ২৫০ বছরের পুরনো জামে মসজিদ

Posted by News Pabna on Saturday, October 10, 2020

লালন শাহ সেতু

লালন শাহ সেতু

লালন শাহ সেতু

Posted by News Pabna on Tuesday, October 6, 2020

© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!