পাকশী বিভাগে এক মাসে মালবাহী ট্রেন থেকে আয় সাড়ে ১১ কোটি টাকা

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট : করোনা ভাইরাসের দুর্যোগ ও মহামারির কারণে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বেশিরভাগ যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও ভারত থেকে মালবাহী ট্রেন আসার কারণে ১১ কোটি ৩৮ লাখ ৩৩ হাজার ৭৫২ টাকা রাজস্ব আয় করেছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় দপ্তর।

বুধবার (০১ জুলাই) বিকেল চারটায় পশ্চিমাঞ্চল রেল পাকশী রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আসাদুল হক আসাদ বিষয়টি জানান।

পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) নাসির উদ্দিন জানান, চলতি বছরের জুন মাসে ভারত থেকে আসা ১০৩টি কোচ মালবাহী বগির মধ্যে পাথর-৩২, পেয়াঁজ-৪০, ভুট্টা-১৩, ফ্লাই অ্যাশ-১, শুকনো মরিচ-১, ডিওসি-১ এবং অন্য ১৫টি বগিতে পণ্যজাত দ্রব্য আনা হয়েছে।

ট্রার্ন রাউন্ড পাঁচ বছরের মধ্যে যা রেকর্ড করেছে। চাহিদা মোতাবেক ইঞ্জিন ক্রু এবং ট্রেন পরিচালক (গার্ড) পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বেশি থাকার কারণে সম্ভব হয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে জোনের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আসাদুল হক জানান, শুধু মালবাহী ট্রেন থেকে চলতি বছরে জুন মাসেই সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করেছে পাকশি রেলওয়ে বিভাগ।

ভারত থেকে পাকশী বিভাগ রেক গ্রহণ করেছে ১০৩টি মালবাহী বগি, বাংলাদেশ সর্বোচ্চ রেক গ্রহণ ও বাংলাদেশ হতে খালি রেক পাঠিয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এক মাসে এতোগুলো পণ্যবাহী ট্রেন ভারত থেকে কখনোই বাংলাদেশে আসেনি।

ডিআরএম আসাদুল হক আরও বলেন, ভারত থেকে পণ্যসামগ্রী আসার কারণে এই রেলবান্ধব সরকারের আমলে রেলওয়েতে বেশ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে খাদ্য চাহিদাও পূরণ হয়েছে।

পাশাপাশি জনবলের কর্মসংস্থান, দেশে রাস্তাঘাট নির্মাণ, উন্নয়নমূলক কাজের, পণ্যাদি আমদানি করা সম্ভব হচ্ছে। পাকশী রেল বিভাগে অব্যাহত থাকবে এই কার্যক্রম বলেও জানান তিনি।