পাবনার সাংবাদিকদের সাথে রাশিয়ান সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞদের বৈঠক

13076882_1698886970374732_7082651982690768794_nবার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা) : বুধবার সকালে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে পাবনার সাংবাদিকদের সঙ্গে গোলটেবিল বেঠক করলেন রাশিয়ান সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞরা।

পাবনার অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এই গোলটেবিলের সঞ্চলনা করেন বাংলাদেশের ট্রিনিউ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ড. ফরহাদ কামাল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আল নকীব চৌধুরী, পাবনার পুলিশ সুপার মো: আলমগীর কবীর, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রফেসর শিবজিত নাগ, রাশিয়ার রোসাটমের কমিউনিকেশন অফিসার মি. আরকাডি কারনিভ, রাশিয়ান নিউক্লিয়ার নিউজের চীফ এডিটর মি. ইলি প্লানটনভ, এইসএসই গ্রুপের সেজেই হুজুক লেভ, রোসাটম কর্মকর্তা এলিনা গিওর গিভেনসহ রাশিয়ান বিশেষজ্ঞরা।

পরে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদ সভাপতি আব্দুল মতীন খান, পাবনা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক, এনটিভি ও সমকাল সাংবাদিক এবিএম ফজলুর রহমান, মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চীফ উৎপল মির্জা, বাংলাদেশ বেতারের সুশিল তরফদার, বাসসের রফিকুল ইসলাম সুইট এবং এটিএন বাংলার মোবারক বিশ্বাস।

গোলটেবিল বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন এবং পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত ফোর জি পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প।

এই প্রকল্পের ভৌত অবকাঠামো, সাইট ডেভলপমেন্ট, মাটি পরীক্ষা, কন্সট্রাকশন ল্যাবরেটরিসহ প্রথম পর্যায়ের ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হবে। ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে দ্বিতীয় পর্যায়ে আণবিক চুল্লি বা রি-অ্যাকটর বসানোর কাজ শুরু হবে।

রি অ্যাক্টর বসানোর কাজ শেষ হলে আগামী ২০২২ সালে প্রথমে ১ হাজার ২০০ মেগওয়াট এবং তার পরের বছর ২০২৩ সালে আরো ১ হাজার ২০০ মেগওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। আর এই বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের উৎপাদন খরচ পড়বে মাত্র ২ টাকা ৯০ পয়সা। যা ৩ টাকা দরে বিক্রি করলেও প্লান্ট স্থাপন ও পরিচালনায় কোন লোকসান হবে না।