সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

করোনার সবশেষ
করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১০২ জন, শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৮ জন। আসুন আমরা সবাই আরও সাবধান হই, মাস্ক পরিধান করি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।  

পাবনায় করোনার মধ্যেও চলছে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য!

বিশেষ প্রতিনিধি : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে যখন সারাদেশে সতর্কাবস্থায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, মহামারির কারণে দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেই সময় পাবনা শহরসহ সব উপজেলায় এই নির্দেশ অমান্য করে কিছু অর্থলোভী শিক্ষক প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।

এসব শিক্ষক তাঁদের বাসা অথবা ভাড়া করা কক্ষে ব্যাচ করে একসঙ্গে ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে গাদাগাদি করে বসিয়ে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয় ব্যক্তিরা এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেও ওই শিক্ষকেরা তা কানে তুলছেন না।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) সরেজমিনে ঘুরে এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রকাশ্যেই প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য শুরু হয়েছে।

শহরের বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে নির্ভয়ে শিক্ষকেরা প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।

কিছু কিছু এলাকাতে বিশেষ কৌশলে কোচিংয়ে ভর্তি শুরু হয়েছে। অভিভাবকরাও প্রাইভেট ও কোচিংয়ে সন্তানদের ভর্তি করাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। অবশ্য সবই হচ্ছে গোপনীয় পরিবেশের মধ্যে।

স্থানীয়রা জানান, প্রাইভেট পড়ানোর নামে যা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

প্রাইভেট পড়ানোর সুবিধার জন্য শিক্ষকেরা বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়েছেন। প্রত্যেকের বাসায় রয়েছে প্রাইভেট পড়ানোর জন্য বিশেষ কক্ষ।

কক্ষগুলো বেশ ছোট হলেও সেখানে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বেঞ্চ ঢুকিয়ে তাতে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থী বসানো হচ্ছে। এভাবে প্রতি ব্যাচে ৩০ থেকে ৩৫ জন বা তারও বেশি শিক্ষার্থীকে পড়ানো হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকেরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। প্রাইভেট ও কোচিং নিষিদ্ধ করার পর বেশ কিছুদিন তাঁরা পড়ানো বন্ধ রেখেছিলেন।

কিন্তু সপ্তাহ দুয়েক হলো, আবারও তাঁরা আগের মতোই প্রায় প্রকাশ্যে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য শুরু করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক জানান, তাঁর ছেলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। ছেলের সহপাঠীরা বেশ কিছুদিন হলো শিক্ষকদের বাড়িতে গিয়ে গাদাগাদি করে বসে প্রাইভেট পড়ছে।

তবে তিনি তাঁর ছেলেকে প্রাইভেট পড়া দূরের কথা, বাইরেই বের হতে দিচ্ছেন না। তিনি জানান, সকালে রাস্তায় বের হলে শিক্ষার্থীদের দল বেঁধে শিক্ষকদের বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যেতে দেখা যাচ্ছে। এভাবে চললে করোনা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে এই অভিভাবক আশঙ্কা করেন।

প্রাইভেট পড়ান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন এক শিক্ষক জানান, অভিভাবকদের চাপে তাঁর মতো কয়েকজন শিক্ষক প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। প্রাইভেট পড়ানোর কক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে বলে তিনি দাবি করেন।

0
1
fb-share-icon1


শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের প্রিন্স অফ পাবনা

Posted by News Pabna on Thursday, February 18, 2021

© All rights reserved 2021 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!