বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:১০ অপরাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

পাবনায় চিনিকল চালুর দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

image_pdfimage_print

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনায় চিনিকল বন্ধের প্রতিবাদে এবং চলতি মৌসুমে আখ মাড়াই কার্যক্রম চালুর দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে আখ চাষি ও মিলের শ্রমিক-কর্মচারীরা। আখ মাড়াই বন্ধ হওয়ার ঘোষণা আসার কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের আখ চাষিরা।

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পাবনার ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া কালিকাপুর চিনিকলের প্রধান ফটকে টাওয়ারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেন আখ চাষি ও শ্রমিক-কর্মচারীরা। পরে আখ চাষি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ থেকে বলা হয়, পাবনার আখ দিয়ে পাবনা চিনিকল চলবে, অন্য কোন মিলে আখ দেওয়া হবে না। যতদিন মিলটি চালু না হয়, শ্রমিক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি দিয়ে বিক্ষোভ চলমান রাখবেন।

পাবনায় ৫ হাজার ২শ একর জমিতে আখ চাষ করেছেন এখানকার কৃষকরা। আখ চাষি সমাবেশে পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রায় কয়েক হাজার আখ চাষি যোগ দিয়েছেন।

সকাল থেকে নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে প্রশাসন।

সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা নিজ ক্ষেত থেকে আখ তুলে মিছিল করতে করতে সমাবেশে যোগ দেন। পরে সমাবেশে আখে আগুন ধরিয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা দুঃখ প্রকাশ করেন।

আখ চাষি সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চিনিকল আখ চাষি ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী বাদশা। পাবনা চিনিকল আখ চাষি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী ডিলুর সঞ্চালনায় বক্তব্যে রাখেন, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকলেছুর রহমান মিন্টু, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বকুল, সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. মজিদ বাবলু মালিথা, আখ চাষি নজরুল ইসলাম, কৃষকনেতা মুরাদ মালিথা, পাবনা চিনিকল ওয়াকার্স ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদুল ইসলাম শাহিন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান উজ্জল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, সাবেক সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন প্রমুখ।

১৯৯২ সালের ২৭শে ডিসেম্বর ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়নের পাকুড়িয়া মৌজায় ৬০ একর জমিতে পাকিস্তান সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ‘পাবনা সুগার মিল’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে আখ মাড়াই মৌসুমে মিলটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়।

৬ মাস এই মিলের শ্রমিক কর্মচারীর বেতন দেওয়া হয়নি। ৬৫০ জন শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন বাবদ মিলের কাছে ৬ কোটি টাকার বেশি পাওনা রয়েছে। ঈশ্বরদীতে প্রায় ৫ হাজার কৃষক এ বছর তাদের জমিতে আখ চাষ করেছেন। এখন কাঁটার উপযোগী হয়েছে এ আখ। মিলটি বন্ধ হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!