মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

পাবনায় বাড়ছে পাটের আবাদ, ফলনও ভালো

পাবনায় বাড়ছে পাটের আবাদ, ফলনও ভালো

image_pdfimage_print

বার্তাকক্ষ : দাম ভালো পাওয়ায় পাবনায় ক্রমেই পাট চাষে আগ্রহ বাড়ছে। চলতি বছর এই জেলায় ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে।

অনুকূল আবহাওয়ায় ফলনও হয়েছে ভালো। ইতিমধ্যে কৃষকেরা খেত থেকে পাট কাটা শুরু করেছেন। গত কয়েক বছরের মতো এবারও তাঁরা ভালো দামের আশায় আছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে ৯টি উপজেলায় পাটের আবাদ হয়েছিল ৩৬ হাজার ৭২১ হেক্টর জমিতে।

উৎপাদন হয়েছিল ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮৯৮ বেল পাট। ২০১৫ সালে ৩৮ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয় ৬ লাখ ৮ হাজার ৪০ বেল।

২০১৬ সালে আবাদ হয়েছিল ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে। সে বছর উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৬ লাখ ৭২ হাজার বেল। চলতি বছর আবাদ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫ হাজার ৭৫ হেক্টরে পৌঁছেছে।

পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ২১ হাজার ২০০ বেল। এর নতুন জাত হিসেবে রয়েছে ভারতের ভিআরও-৫২৪ এবং বাংলাদেশের ৯৮৯৭ জাতের পাট। এ ছাড়া দেশি ১৫৪ জাতের তোষা পাটও আবাদ হয়েছে।

গত বুধবার সদর ও আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় বিস্তীর্ণ পাটখেত। পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক, পাবনা-সুজানগর সড়ক, পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়ক ও টেবুনিয়া-চাটমোহর সড়কের দুপাশে মাঠজুড়ে পাটখেত।

খেত থেকে কৃষকেরা পাট কাটছেন। কোথাও মাঠ থেকে কাটা পাট অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন। কোথাও চলছে পাট পচানোর প্রস্তুতি।

সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর গ্রামের চাষি আলাউদ্দিন হোসেন এবার পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। তিনি বলেন, তিন বছর আগেও পাট আবাদ করে চাষিরা লোকসানে পড়েছিলেন।

তাই তাঁরা অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছিলেন। সম্প্রতি এই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে চাষিরা খুব সহজে ও ভালো দামে পাট বিক্রি করতে পারছেন। তাঁর জমিতে বিঘাপ্রতি ১০ মণ পাট উৎপাদন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

মালিগাছা ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পাটচাষি নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টির কারণে চলতি বছর ধান, পেঁয়াজসহ বেশ কিছু ফসলে লোকসান গুনতে হয়েছে।

তাই মৌসুমের শুরুতেই চাষিরা পাটের দিকে ঝুঁকছিলেন। এতে পাটের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ফলনও ভালো। ঠিকমতো পাট ঘরে তোলা গেলে আগের লোকসান কাটিয়ে ওঠা যাবে।

মালঞ্চি গ্রামের গহের উদ্দিন বলেন, ‘ইবার ভালো পাট হয়ছে। তাই সগলেই খুশি। এহন দামডা ভালো পালিই হয়।’

সদর উপজেলার আতাইকুলা হাটের পাইকারি পাট ব্যবসায়ী মো. আবদুল্লাহ বলেন, মিল-কারখানায় এবার পাটের চাহিদা বেশি। চাষিরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিভূতিভূষণ সরকার বলেন, পাবনায় কাঁচা পাট ও পাটখড়ি প্রক্রিয়াজাতের নতুন নতুন কারখানা তৈরি হয়েছে।

এতে বিপণন সহজ হচ্ছে। চাষিরা পাট উৎপাদন করে দুই দিক থেকে অর্থ পাচ্ছেন। পাটে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিপণনের এই মাধ্যমগুলো ধরে রাখা গেলে সোনালি আঁশ পাট আবারও দেশের জন্য সোনালি বার্তা বয়ে আনবে।


পাবনার ২৫০ বছরের পুরনো জামে মসজিদ

পাবনার ২৫০ বছরের পুরনো জামে মসজিদ

পাবনার ২৫০ বছরের পুরনো জামে মসজিদ

Posted by News Pabna on Saturday, October 10, 2020

লালন শাহ সেতু

লালন শাহ সেতু

লালন শাহ সেতু

Posted by News Pabna on Tuesday, October 6, 2020

© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!