পাবনা-নাজিরগঞ্জ সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে মানুষ

রাসেল মাহমুদ, সুজানগর, পাবনা : পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জে রাস্তার মাঝে মাঝে কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় রাস্তাটির এখন বেহাল দশা।

দীর্ঘদিন রাস্তাটি সংস্কার না করায় দিন দিন বাড়ছে জনদুর্ভোগ।

স্থানীয়দের মতে, এই রাস্তাটি সংস্কার করা না হলে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে।

রাস্তাটি বেহাল দশাতে পরিনত হলেও এখন পর্যন্ত সংস্কার করার কোন উদ্যোগ গ্রহন করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এতে প্রতিনিয়তই স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থী, যানবাহন চালক, পথচারীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

নাজিরগঞ্জ বাসস্টপ হতে নাজিরগঞ্জ ফেরিঘাট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তার মাঝে মাঝে কারপেটিং উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

দিনে কিংবা রাতে চলাচলের সময় রাস্তার ছোট-বড় গর্তে উল্টে পড়ে ভ্যানগাড়ী, মোটরসাইকেলসহ ছোটখাটো অনেক যানবাহন।

দ্রুত এই রাস্তাটি সস্কার করা হলে ওই এলাকার মানুষসহ হাজারও মানুষ দূর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে। তাই দ্রুত এই রাস্তাটি সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় মো: রফিকুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন শত শত যানবাহন ফেরি দিয়ে চলাচল করে। ফলে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

তাছাড়া পদ্মা নদী থেকে উত্তোলন করা বালুর ট্রাকও চলাচল করে এই রাস্তা দিয়ে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ, সুড়কি, ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ঐসব গর্তে পানি আটকে থাকে। এতে যানবাহন দুর্ঘটনায় পেড়ে।

বিশেষ করে নাজিরগঞ্জে ফেরিঘাট হওয়ায় প্রতিদিন হাজার মানুষের চলাচল এই রাস্তা দিয়ে। এই রাস্তা দিয়ে মানুষ ঢাকা, রাজবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে।

অটো রিক্সাচালকরা জানান, রাস্তায় গর্তের কারণে ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারেন না। রাস্তায় ছোট-বড় গর্তের জন্য যাত্রীরা আরামে গাড়িতে বসতে পারে না। তারপরও ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাতে হয়।

নাজিরগঞ্জ স্কুলের এক শিক্ষক জানান, নাজিরগঞ্জে বসে সাপ্তাহিক হাট, শত শত মানুষের চলাচল। তাছড়া রাস্তায় গর্ত থাকায় মোটরসাইকেল চালাতে হিমশিম খেতে হয়। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তার সংস্কার করা প্রয়োজন।

রাস্তার বেহাল দশার কথা স্বীকার করে, নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বলেন, দ্রুত এই রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হবে বলে আশা করি।