শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৬ অপরাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

পাবনা-৪ উপনির্বাচনে বিএনপির ভোট বর্জনকে ‘নাটক’ মনে করছেন স্থানীয়রা

image_pdfimage_print

বার্তাকক্ষ : পাবনা-৪ আসনে উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চললেও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা ও ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) হুট করে ভোট বর্জনের এই ঘটনাকে কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ভাবছেন না স্থানীয় জনগণ এবং আওয়ামী লীগ নেতারা।

তারা বলছেন, বিএনপি প্রতিবারই এভাবে ভোট বর্জনের নাটক করে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বোরহানউদ্দিন বলেন, বিএনপির প্রার্থী অর্থ খরচ না করে বরং নির্বাচন উপলক্ষে অর্থ উপার্জন করেছেন। এটাই তার লাভ।

আর দল থেকে তিনি মনোনয়ন কিনেছেন ব্যবসা করার জন্য। নির্বাচনে জয়ী হবেন না ভেবে তিনি কোনো এজেন্ট দেননি। নির্বাচন নিয়ে তার কোনো আগ্রহও ছিলো না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাবনা জেলা বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, হাবিবুর রহমান হাবিব মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি। এমনকি যারা নিজ আগ্রহে কাজ করেছেন তাদেরকেও কোনো নির্বাচনী খরচ দেননি।

এদিকে পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর তোলা অনিয়মের অভিযোগের যৌক্তিতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল। শনিবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এস এম কামাল বলেন, বিএনপি প্রার্থী নির্বাচন করার জন্য আসেননি। তিনি এসেছেন নির্বাচন বাণিজ্য করার জন্য। ভোটের মাঠে তার কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। বিএনপি যেসব অভিযোগ তুলেছেন তার পক্ষে একটি ঘটনাও দেখাতে পারবে না।

বিএনপির কোনো কর্মী বা সমর্থক আওয়ামী লীগের দ্বারা ক্ষতির সম্মুখীন হলে তাদের কথার যৌক্তিতা থাকতো। একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য তারা মিথ্যা অভিযোগ করছে।

ভোটগ্রহণের সময় সরেজমিনে ঘুরে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কোনো এজেন্ট চোখে পড়েনি। কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করার কোন তথ্যও মেলেনি। প্রায় সব কেন্দ্রে ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও ধানের শীষের এজেন্ট নেই।

কেন্দ্রগুলোতে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্ট না দেওয়ার কারণ হিসেবে দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকে চিহ্নিত করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এস এম কামাল আরও বলেন, বিএনপির বৈশিষ্ট্য মিথ্যাচার করা। সম্প্রতি সাহাপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

ওই হামলায় বিএনপি জড়িত। যে কারণে তারা এজেন্ট দিতে পারেনি। বিএনপি প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে আসার পথ খুঁজছিলেন। ভোট বাতিল বা বর্জনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

পাবনা-৪ আসন ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া এই দুই উপজেলা, দু’টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৪টি, মোট ভোটার ৩ লাখ ৮১ হাজার ১ শ’ ১২ জন।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর মৃত্যুতে এই আসন শূন্য হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে টানা ২৫ বছর আসনটি রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দখলে।

দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে আসনটি বারবারই অধরা থেকে গেছে বিএনপির

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!