বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

পুলিশ হত্যার তদন্তে পুলিশের গাফিলতি

আট মাসেও অভিযোগপত্র দিতে পারেনি পুলিশ

আট মাসেও অভিযোগপত্র দিতে পারেনি পুলিশ

আট মাসেও অভিযোগপত্র দিতে পারেনি পুলিশ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : প্রায় আট মাস পেরিয়ে গেলেও  ঈশ্বরদীর এএসআই সুজাউল ইসলাম হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দিতে পারেনি পুলিশ। এদিকে মামলার প্রধান আসামি রুবেল হোসেন গত মঙ্গলবার গভীর রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

সুজাউল ইসলাম ঈশ্বরদীর পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ছিলেন। থানা পুলিশ জানায়, গত বছর ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় এএসআই সুজাউল তাঁর বাসা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। এরপর আর বাসায় ফেরেননি। পরদিন সকালে পাকশী হার্ডিঞ্জব্রিজ রেললাইন সংলগ্ন একটি কৃষিজমি থেকে হাত পা মুখ বাঁধা অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এসআই রেজাউল করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। রেজাউল করিম বলেন, সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে সুজাউলকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে তাঁর মোটরসাইকেল ও মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে মামলাটি বর্তমানে ঈশ্বরদী থানার এসআই ইসলাম হোসেন তদন্ত করছেন।

ইসলাম হোসেন বলেন, সুজাউল হত্যা মামলার এজাহারে আসামিদের নাম উল্লেখ না থাকায় প্রথম দিকে কিছু সমস্যা হচ্ছিল। তবে সুজাউলের মুঠোফোনের কললিস্ট দেখে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঈশ্বরদী ও গাজীপুর জেলা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা পাবনা কারাগারে রয়েছেন। এঁরা হলেন পাকশীর বাবুপাড়া এলাকার রাজিব হোসেন (২২) ও জীবন হোসেন (২১),বাজারপাড়ার রাসেল আহমেদ (২২) ও মাসুম আহমেদ (২৫),মেরিনপাড়ার কোয়েল হোসেন (২৫) এবং দিয়াড়বাঘইল গ্রামের তৌহিদুল ইসলাম (২৭)।

ইসলাম হোসেন আরও বলেন, পাকশীতে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় আসামিরা সুজাউলের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। তৌহিদুল বাদে অন্যরা একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। আর এ কারণে তাঁরা সুজাউলকে খুনের পরিকল্পনা করেন। আসামিদের মধ্যে রাসেল ও জীবন সম্প্রতি পাবনা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এএসআই সুজাউল হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

পুলিশ সূত্রের বিবরণ অনুযায়ী, এ মামলার প্রধান আসামি ছিলেন রুবেল হোসেন। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রুবেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাঁকে নিয়ে পুলিশ আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উত্তর পাশে যায়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধে রুবেল মারা যান। ওই পলাতক আসামিকে খোঁজা হচ্ছে।

অভিযোগপত্র দিতে কেন দেরি হচ্ছে—এ প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, মামলার আলামত হিসেবে সুজাউলের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা জরুরি। কিন্তু পুলিশ এখন পর্যন্ত মোটরসাইকেলের সন্ধান পায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, অপরাধীরা মোটরসাইকেল ও মুঠোফোনটি ধ্বংস করে ফেলেছে। তবু এগুলো খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। যদি তা উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে শিগগিরই অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হবে।

পাবনার পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর কবির বলেন, তিনি সুজাউল হত্যা মামলার অভিযোগপত্র উপস্থাপন ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধারের জন্য ঈশ্বরদী থানাকে তাগাদা দিয়েছেন।

0
1
fb-share-icon1


শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের প্রিন্স অফ পাবনা

Posted by News Pabna on Thursday, February 18, 2021

© All rights reserved 2021 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!