বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

প্রতিবন্ধী হয়েও রাজশাহী বোর্ডে সব চেয়ে ভালো ফলাফল পাবনার প্রতিবন্ধীদের

প্রতিবন্ধী হয়েও রাজশাহী বোর্ডে সব চেয়ে ভালো ফলাফল পাবনার

image_pdfimage_print

বার্তাকক্ষ : প্রতিবন্ধিতা দমাতে পারেনি রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের ১৭ শিক্ষর্থীকে। এদের মধ্যে চার জন শারীরিক প্রতিবন্ধী। বাকিরা সবাই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। ১৭ জনের মধ্যে তিনজনের ফলাফল স্থগিত রয়েছে। অন্যরা বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক তরুণ কুমার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ১৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সব চেয়ে ভালো ফলাফল করেছে পাবনার দোগাছী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুস সবুর ও আনারুল ইসলাম। এরা দুজনই জিপিএ ৪.৬৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাদিম হোসেন পেয়েছে জিপিএ ৪.৬৪। একই ফলাফল রাজশাহীর পুঠিয়ার পঙ্গু শিশু নিকেতন সমন্বিত অবৈতনিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলামের।

এছাড়া পাবনার দোগাছী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী কাউসার হোসেন জিপিএ ৪.৪৫ এবং আব্দুল মতিন জিপিএ ৪.৪১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

জিপিএ ৩.৯১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে পাবনার দোগাছী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী হারুনর রশীদ, জয়পুরহাটের খঞ্জনপুর মিশন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সুমোরানী টপ্প ও সুফলা মিনজি, বগুড়ার চাঁচাইতাড়া মাদুলাযুক্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী  শাহনাজ খাতুন।

তবে সিরাজগেঞ্জর এসবি রেলওয়ে কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের তিন শিক্ষার্থী  মাহামদুল হাসান শাওন, ভোলানাথ সাহা ও মাহবুব জামানের ফলাফল স্থগিত রয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

অন্যদিকে, তিন শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর মধ্যে রাজশাহীর মাহিন আলীম জিপিএ ৪.০৯, ইসতেহার হাবিব জিপিএ ৩.২৭, সিরাজগঞ্জের হামিদপাড়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের অনামিকা খাতুন জিপিএ ৩.২৩ এবং কয়রা উচ্চ বিদ্যালয়ের শারমিন ইফতেয়ারা জিপিএ ২.২৩ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

প্রতিবন্ধী এসব পরীক্ষার্থীর কৃতিত্বের জন্য তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজশাহী বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক তরুণ কুমার সরকার।

তিনি বলেন, বিধি অনুযায়ী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা শ্রুতি লেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আর শারীরিক প্রতিবন্ধীরা ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় পেয়েছে। সার্বিকভাবে ভালো ফলাফল করেছে তারা। তাদের উন্নত ভবিষ্যত কামনা করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, এবার পাশের হার ৯০ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ছিল ৯৬ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর আগে পাশের হার ছিল ২০১৩ সালে ৯৪ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং ২০১৪ সালে ৯৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

এবার বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৯০ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে এক লাখ ৫১ হাজার ৪০৬ জন। অনুপস্থিত ছিল ৬৫২ জন পরীক্ষার্থী।

এ বছর ৯১ দশমিক ৪৪ শতাংশ মেয়ে এবং ৯০ দশমিক ১ শতাংশ ছেলে পাস করেছে। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ হাজার ৩৪৯ জন। এর মধ্যে ৮ হাজার ২৭৪ জন মেয়ে এবং ৯ হাজার ৭৫ জন ছেলে।

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!