ফাঁসিতে তরুনী-বিষপানে বৃদ্ধের আত্মহত্যা ও নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ৭ ঘন্টা পর হাবিবুল্লাহ হাসান ওরফে মিশু নামের এক স্কুলছাত্রের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের সিংগা এলাকার একটি লিচু বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত হাবিবুল্লাহ জেলার সাঁথিয়া উপজেলার মেহেদীনগরের মহসিন আলম সালামের ছেলে। সে পাবনা কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

পাবনা শহরের জয়কালী মন্দিরের কাছে জনৈক বিশ্বনাথ কর্মকারের বাড়িতে গত ৬ মাস ধরে ভাড়া থাকতো হাবিবুল্লাহর পরিবার।

স্কুলছাত্রের পিতা মহসিন আলম সালাম জানান, বুধবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কোচিং এ যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় হাবিবুল্লাহ হাসান ওরফে মিশু। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার বন্ধু শুভ’র মোবাইল ফোন থেকে বাড়িতে ফোন করে হাবিবুল্লাহ ওরফে মিশু জানায় কোচিং শেষ করে বাড়ি ফিরতে কিছুটা দেরী হবে। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শহরের সিংগা উত্তরপাড়ার সোবাহান খাঁ’র লিচু বাগানে একটি বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। বিষয়টি জানতে পেরে থানায় গিয়ে মরদেহটি হাবিবুল্লাহ ওরফে মিশুর বলে সনাক্ত করে তার স্বজনরা।

কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে সে বিষয়টি জানতে পারেনি পরিবার। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহটি পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

দুপুর একটা পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা হয়নি। স্কুলছাত্রের পিতা মহসিন আলম সালাম আরও জানান, আমার ছেলে খেলাধুলা আর লেখাপাড়া ছাড়া অন্য কিছু করে না। কারও সাথে কোনো ঝামেলা আছে বলেও শুনিনি। কারা, কি জন্য আমার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করলো বুঝতে পারছি না।

অপরদিকে পাবনা শহরের দিলালপুর এলাকায় অষ্টাদশী তরুনী চৈতি রাণী কুন্ডুর ফাঁসিতে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানায় পুলিশ।

এছাড়া সদর উপজেলার ফলিয়া গ্রামে ৭০ বছরের বৃদ্ধ সদর উদ্দিন পেটের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ লাশগুলো উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।