শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

‘বন্দুকযুদ্ধ’ নিয়ে পুলিশ ও পরিবারের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য

image_pdfimage_print

বিশেষ প্রতিনিধি : ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ কামাল হোসেন আলিয়া ভুলু (৪৫) শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

এই ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার সংবাদ ইতিপূর্বে নিউজ পাবনা ডটকম পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে। সেই সংবাদে পুলিশ ও পরিবারের তেমন কোন বক্তব্য প্রকাশ পায়নি। তবে এই প্রতিবেদনে পাঠকদের জন্য বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-

আজ শনিবার বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঈশ্বরদী সার্কেল জহুরুল হক ঈশ্বরদী থানায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনে এক প্রেসব্রিফিং করেন।

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, পাকশী এলাকায় বিশেষ অস্ত্র ও মাদক বিরোধী অভিযানের জন্য আমার নেতৃত্বে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে চেক পোষ্ট বসিয়ে গাড়ি তল্লাশী ও বিভিন্ন ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশী করছিলো।

শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে পাকশী রেলষ্টেশন ও সাকোর মুখের বামের রাস্তায় ৩টি মোটর সাইকেল পুলিশের চেকপোষ্ট দেখে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ দৌড়ে ধরার চেষ্টা করে।

এসময় মোটর সাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে কয়েক রাউন্ড গুলি করে।

আত্মরক্ষার জন্য চেকপোষ্টের পুলিশ মাটিতে শুয়ে পড়ে এবং শটগানের ১০ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে।

এসময় একটি বিকট বিস্ফোরনের আওয়াজ হয় এবং চারিদিকে ধোয়ায় ভরে যায়।

পরবর্তীতে একজন মোটর সাইকেল আরোহীকে জখমী অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

অপর মোটর সাইকেল দুটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে চলে যায়। বিস্ফোরনের সময় স্পিন্টারের আঘাতে ৫ জন পুলিশ আহত হয়।

আহতরা হলেন আমবাগান ফাঁড়ির টিএসআই আলহাজ্ব মতিউর রহমান, এস আই হাবিবুর রহমান, এটিএসআই মানিক মিয়া, সিপাহী উজ্জ্বল হোসেন ও সিপাহী খায়রুল ইসলাম।

বন্ধুক যুদ্ধ শেষে আলিয়া ভুলুর দেহ পড়ে থাকতে দেখে ভুলুর দেহ তল্লাশী করে কোমড়ে একটি রিভলবার, ৩ রাউন্ড গুলি, ৭০ পিস ইয়াবা ও ২টি গুলির খোসা উদ্ধার করে পুলিশ।

তবে পুলিশের গুলিতে নিহত আলিয়া ভুলুর পরিবারের দাবি ভিন্ন, তারা বলছেন, গত শুক্রবার দুপুর দেড়টার সময় লালপুরের শ্রীরামগাড়ীতে ভুলুর এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে পুলিশ আলিয়া ভুলুকে আটক করে কালো কাপড় দিয়ে চোখ বেঁধে ঈশ্বরদীতে নিয়ে যায়। শুক্রবার গভীর রাতে পাকশীতে নিয়ে পুলিশ গুলি করে ভুলুকে হত্যা করে।

উল্লেখ্য, ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন আলিয়া ভুলু। তার নামে ঈশ্বরদীসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ছিলো। ইতিপূর্বে একাধিকবার চিহ্নিত এই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হলেও আইনের মারপ্যাচেঁ বেড়িয়ে এসে আবার সে মাদক ব্যাবসা শুরু করতো।

 

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!