মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

বাংলাদেশে ব্যথানাশক ‘টাপেন্টাডল’ ওষুধকে মাদকদ্রব্য ঘোষণা

বার্তাকক্ষ : মাদকসেবীরা ব্যথানাশক টাপেন্টাডল জাতীয় ওষুধকে মাদকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করায় এসব ওষুধকে ‘মাদকদ্রব্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।

এ জাতীয় ওষুধকে ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তফসিলে যুক্ত করে ৮ জুলাই গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী ‘টাপেন্টাডল’কে মাদকদ্রব্য হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কেননা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬৫ ধারায় বলা আছে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে তফশিল সংশোধন করে কোনো মাদকদ্রব্যের নাম অন্তর্ভুক্ত বা বাদ দিতে পারবে।

কোম্পানিভেদে একেকটি ট্যাবলেটের দাম ১২ টাকা থেকে ১৭ টাকা। বাংলাদেশে গ্লোব ফার্মাসিটিউক্যালস লিমিটেড, এসকেএফ বাংলাদেশ লিমিটেড, অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড এবং স্কয়ার ফার্মাসিটিউক্যালস লিমিটেড বিভিন্ন নামে এই ট্যাবলেট উৎপাদন করে।

৮ জুলাই প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রস্তাবমতে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী ওই আইনে ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে টাপেন্টাডলকে তফসিভুক্ত করা হলো।

মূলত ধরন ও ব্যাপকতার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের মাদককে ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ভাগ করে সেগুলোকে সময়ে সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তফসিলভুক্ত করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আছে, কোনো দ্রব্য বা মাদকদ্রব্যের সাথে অন্য যে কোনো দ্রব্য একীভূত, মিশ্রিত কিংবা দ্রবীভূত থাকলে সেসব দ্রব্যকেও মাদকদ্রব্য হিসেবে গণ্য করা হয়।

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, টাপেন্টাডলকে মাদকদ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করায় এসব ট্যাবলেট উৎপাদন না করতে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে কোনো কোনো কোম্পানি এই ট্যাবলেটের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।

error20
fb-share-icon0
Tweet 10
fb-share-icon20


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
error: Content is protected !!