বেড়িয়ে আসুন নিরিবিলি পাকশী রিসোর্ট থেকে

বেড়িয়ে আসুন নিরিবিলি পাকশী রিসোর্ট থেকে

বেড়িয়ে আসুন নিরিবিলি পাকশী রিসোর্ট থেকে

বার্তাকক্ষ : মনকে সঙ্গী করে হংস বলাকায় চড়ে উড়ে যেতে পথে নেমে পড়ুন আজই। ব্যস্ত এই জীবনের একদিন বেড়িয়ে আসুন পাকশী রিসোর্ট থেকে।

পাবনা জেলার পদ্মা নদীর পাশে পাকশী রিসোর্টের অবস্থান। ঢাকা থেকে কয়েক ঘণ্টার পথ। যমুনা সেতু থেকে ১ ঘণ্টার রাস্তা। রিসোর্টে যাওয়ার পথে চোখ জুড়িয়ে দেবে দু’পাশের ধান ক্ষেত আর চিরচেনা সবুজের সমারোহ।

পাকশী রিসোর্ট গড়ে উঠেছে ৩৬ বিঘা জমির ওপর। মূল ভবনের নাম খান মঞ্জিল। খান পরিবারের অন্যতম সদস্য সঞ্জু খান একজন শৈল্পিক মানুষ। পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য তার বসতবাড়িটি ছেড়ে দিয়েছেন, গড়ে তুলেছেন পাকশী রিসোর্ট হিসেবে।

কী দেখবেন

পাকশী পড়েছে ঈশ্বরদী উপজেলায়। পাকশীই ছিল সাড়াঘাট থেকে নদীপথে কলকাতা যাওয়ার একমাত্র পথ। সেই সুবাদে এখানে গড়ে উঠেছে রেলওয়ে বিভাগীয় শহর।

ঈশ্বরদী ব্যবসা-বাণিজ্যের স্থান। এখানে রয়েছে দেশের সর্ববৃহত্ রেলওয়ে জংশন। এককালীন এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহত্ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। দেখার মতো ঐতিহাসিক স্থান এটি।

ব্রিজের কোলঘেঁষে লালন সেতু। আছে দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্রের নির্ধারিত স্থান, ঈশ্বরদী ইপিজেড, নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল এবং ডাল ও আখ গবেষণা কেন্দ্র।

আছে ফুরফুরা দরবার শরীফ। পাশেই পাবনা শহর, মাত্র ১৫ মিনিটের পথ। সেখানে দেখতে পাবেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের বাড়ি, কোর্ট বিল্ডিং, অনুকুল ঠাকুরের আশ্রাম, জোড়বাংলা, বিখ্যাত মানসিক হাসপাতাল, রায় বাহাদুরের গেট, পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজসহ অনেক পুরনো কীর্তি।

পাকশী রিসোর্ট থেকে লালন শাহের মাজারে যাওয়া যায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটে। ইচ্ছা করলে এখান থেকে শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়িতে সড়কপথ বা নদীপথেও যেতে পারেন।

ঘুরে আসতে পারেন সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বসতভিটা থেকে। মুক্তিযুদ্ধকালে দেশের প্রথম স্ব্বাধীন রাজধানী মুজিবনগরেও যেতে পারেন।

যেতে পারেন বনলতা সেন খ্যাত নাটোরের রাজবাড়িসহ পুঠিয়া রাজবাড়িতে। এসব দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয় এ রিসোর্ট থেকেই।

অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য রয়েছে ক্যাম্প ফায়ার ও তাঁবুতে থাকার সুবিধা।