ভাঙ্গুরা-ফরিদপুর সড়কের বেহাল দশা

ভাঙ্গুরা-ফরিদপুর সড়কের বেহাল দশা

ভাঙ্গুরা-ফরিদপুর সড়কের বেহাল দশা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাঙ্গুরা-ফরিদপুর আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ওই অঞ্চলের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির অনেক অংশেই এখন কার্পেটিং উঠে খোয়া বের হয়ে গেছে। এতে বিশেষ করে বাই সাইকেল, মোটরসাইকেল চালকদের পড়তে হয় দুর্ঘটনার কবলে। কারণ রাস্তার উঠে যাওয়া খোয়াতে স্লিপ কেটে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় অনেককে।

ভাঙ্গুরা রেললাইন পার হয়েই চোখে পরবে প্রচুর ভাঙ্গা রাস্তা যা ডেমরা হয়ে বাঘাবাড়ি পর্যন্ত গিয়ে উঠেছে। এই রাস্তাটির মাঝে মাত্র ১ কিলোমিটার রাস্তা ভালো আর বাকি সব রাস্তার মাঝে মাঝেই কার্পেটিং উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান ২০১৫ সালে এই আঞ্চলিক সড়কটি মেরামত করা হয়। দীর্ঘদিন মেরামত না করা ও ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

তারা আরও জানায়, এই সড়কে ঢাকাগামী বাসসহ ট্রাক, মাইক্রো, বাটাহাম্বার, নছিমন, করিমন, ট্রলি (বালুবাহী), ইজিবাইক, ভ্যান, মহিষের গাড়ি, ঘোড়ার গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। এই অঞ্চলের পার ভাঙ্গুরা, ডেমরা, বাঘাবাড়ির আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ পাবনা-চাটমোহর যাতায়াত করে। এছাড়াও নদীপথ পার হয়ে পাবনা যাওয়ার জন্যও এই রাস্তাটি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু অনেক দিন ধরে সংস্কার না করায় রাস্তাটির বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে।

কৃষকরা জানান, এই এলাকা থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাঠানো হয়। কিন্তু রাস্তা খারাপ হওয়ায় যানবাহনের ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে।

ইজিবাইক চালক মহসিন জানান, রাস্তায় নানা স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া খানাখন্দের কারণে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ অল্প সময়ের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে লোকসানে পড়তে হচ্ছে তাদের। সময় অনেক বেশি লাগে যাতায়াতে। তাছাড়া ঝাঁকির কারণে যাত্রীরাও উঠতে চায় না গাড়িতে।

এই ভাঙ্গা রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান স্থানীয়রা।