শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৪:১৩ অপরাহ্ন

করোনার সবশেষ
করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৭ জন, শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৮২ জন। আসুন আমরা সবাই আরও সাবধান হই, মাস্ক পরিধান করি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।  

ভাঙ্গুড়ায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জনতার মাঝে যারা

ভাঙ্গুড়ায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জনতার মাঝে যারা

 

আব্দুর রহিম, ভাঙ্গুড়া, পাবনা :  ‘মানুষ বাঁচে তার কর্মে বয়সে নয়’ অথবা ‘কীর্তিমানের মৃত্যু নাই’ এই বাক্যগুলি মানুষ মাত্রই মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে পারবেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উপজেলায় এমনই এক পরিবার রয়েছে যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের পাশে থেকে কল্যাণকর কাজ সম্পাদন করে যাচ্ছেন। আর সে টি হলো আলহাজ্ব মহসীন আলীর পরিবার ।

আলহাজ্ব মহসীন আলী ছিলেন একজন রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি। যদিও পেশা কৃষি ও ব্যবসা ছিল তথাপি জনসেবাই তার ছিল মুল লক্ষ্য। আর সেই জনসেবার কারণেই তিনি প্রায় দুই যুগেরও বেশী সময় ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

মানব সেবার লক্ষ্য নিয়েই তিনি ভাঙ্গুড়ায় একটি স্বাস্থ্য সেবার জন্য হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেন কিন্তু ইউনিয়ন পর্যায়ে এমন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপনে তৎকালীন সরকারের অপারগতা প্রকাশ করায় তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হয়েছিলেন।

এর পর শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কতিপয় দানশীল ব্যক্তির সহযোগিতায় ১৯৭০সালে এ অঞ্চলের অন্যতম বিদ্যাপীঠ হাজী জামাল উদ্দীন কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।

এছাড়াও তিনি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নারী শিক্ষার জন্য তিনি গড়ে তোলেন ভাঙ্গুড়া জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যলয়, হাজী গয়েজ উদ্দীন মহিলা ফাজিল মাদ্রসা ও ভাঙ্গুড়া মহিলা কলেজ।

এসব ক্ষেত্রে তিনি অজস্র সম্পদ ব্যয় করে মানুযের ভালোবাসায় সিক্ত হতে চেয়েছেন বলে নিজের নামে কোন প্রতিষ্ঠান করেননি।

হাজী মহাসীন এর যোগ্য উত্তরসুরী আলহাজ মোঃ মকবুল হোসেন যার জন্ম হয়েছিল ১৯৫০ সালের ২০ শে জানুয়ারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের সর্দার পাড়া গ্রামে।

বাল্যকাল থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী ও পরোপকারী। ১৯৫৭ সালের প্রাথমিক শিক্ষা, ১৯৬৭ সালে মেট্রিকুলেশন ও ঢাকার জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রী পাস করেন।

পরিবার ও সমাজের জন্য কিছু করার লক্ষ্যে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

গণদাবীর ফলে ১৯৮৫ সালের উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তখন থেকেই তিনি সক্রিয় জনগণের পাশে সবসময় থেকেছেন। যার কারনে ১৯৯০ সালের দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় নির্বাচিত হন।

২০০৩ সালে তিনি কাউন্সিলের মাধ্যমে ভাঙ্গুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন, ২০০৪ সালে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এসময় পাবনা-৩ এলাকার জনগণকে সংগঠিত করে এ অঞ্চলের আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করেন।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয় এবং বিপুল ভোটে পাবনা-৩ এলাকার জনগণ তাকে বিজয়ী করে জাতীয় সংসদে পাঠান।

আবার ২০১৪ সালেও তিনি দলীয় মনোনয়নে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন। এসময় তিনি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বৈদ্যুৎতিক ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়ন মুলক কাজ করেন এবং এখনো তা করে যাচ্ছেন।

তার সুযোগ্য উত্তরসুরী ভাঙ্গুড়ার পৌর পিতা গোলাম হসনাইন রাসেলও গণদাবীর মুখে পৌরসভার মেয়র প্রার্থীতা ঘোষনা করেন এবং জনপ্রিতার কারণে আওয়ামী লীগ এর দলীয় সমর্থন লাভ করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন।

অতি অল্প সময়ে তার মেধা ও প্রজ্ঞার কারণে বিভিন্ন জনকল্যানকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা বাস্তাবায়নের মধ্য দিয়ে তিনি ভাঙ্গুড়া বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন ।

তার দায়িত্ব গ্রহণের পর উল্লেথযোগ্য সফলতার মধ্যে ভাঙ্গুড়াকে মাদক মুক্ত করা, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পৌর সভাকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নতি করা, রাস্তা ঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা, পৌরসভার বিভিন্ন জন গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করা শিক্ষার মানোন্নোয়ন ও জুয়া খেলা বন্ধ করা।

এ বিষয়ে মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল বলেন, জনসেবাই আমাদের পারিবারে মুল লক্ষ্য তাই যত দিন বাঁচি ততোদিন জনগনের ভালোবাসা নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।

0
1
fb-share-icon1


শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের এমপি প্রিন্স

শৈশব কৈশরের দুরন্ত-দুষ্টু ছেলেটিই আজকের প্রিন্স অফ পাবনা

Posted by News Pabna on Thursday, February 18, 2021

© All rights reserved 2021 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!