শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ভূমিমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

image_pdfimage_print

unnamed-37-300x156বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী আ ফ ম মুহিতুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভাষাসৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এমপি।

মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারে আ ফ ম মুহিতুল ইসলামের সাহসী ভুমিকা বাঙালি জাতি আজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে।

তার সাহসী পদক্ষেপের কারণে দীর্ঘদিন পরে হলেও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, খুনীরা শাস্তি পাচ্ছে এবং বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত আস্থাভাজন মুহিতুল ইসলামের মৃত্যুতে দেশ একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিককে হারালো।

ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আলী আজগর মোড়ল জানান।

৬৩ বছর বয়সী মুহিতুল কিডনির সমস্যা নিয়ে গত মাসে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তার রিসিপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ ছিলেন মুহিতুল।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত‌্যাকাণ্ডের সময় তিনি ধানমণ্ডির ওই বাড়িতেই ছিলেন।

মুহিতুলের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার জন্য মেডিকেল বোর্ডে গঠন করে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা দিয়েও চিকিৎসকরা ভরসা পাচ্ছিলেন না; সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় তাকে বিদেশেও নেওয়া যায়নি।

চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তার কিডনি প্রায় অকেজো, ঘনঘন ডায়ালাইসিস করা হচ্ছিল।

তার ফুসফুসের সংক্রমণ বেশ মারাত্মক, মস্তিষ্কও ভালোভাবে কাজ করছিল না।

বঙ্গবন্ধু হত‌্যাকাণ্ডের বিচারের বাধা কেটে যাওয়ার পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় মামলা করেন মুহিতুল।

১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর বিচারিক আদালত ওই মামলার রায়ে ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে হাইকোর্ট প্রথমে বিভক্ত রায় দিলে পরে তৃতীয় বেঞ্চে ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে।

বিচার প্রক্রিয়া শেষে পাঁচ আসামির মৃত‌্যুদণ্ড ইতোমধ‌্যে কার্যকর হয়েছে। তবে দণ্ডিত বেশ কয়েকজন এখনও পলাতক রয়েছে।-প্রেস রিলিজ

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!