রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

আতঙ্কিত হবেন না
করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ভোগান্তিতে ভাঙ্গুড়া পৌরবাসী

ফাইল ছবি

image_pdfimage_print
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি: বড়াল ব্রিজ পার হয়েই উপজেলা সদরে ঢোকার পথ। এর শুরুতেই জমে আছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। সড়কের পিচ উঠে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। পুরো সড়ক কাদায় ঢেকে আছে। এর মধ্যেই ঝাঁকি খেতে খেতে চলছে যানবাহন।

শুধু এ রাস্তা নয়, দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলায় এমন বেহাল অবস্থা পাবনার পুরো ভাঙ্গুড়া পৌর এলাকারই। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকে বৃষ্টির পানি। ডাস্টবিনের অভাবে যত্রতত্র চোখে পড়ে ময়লা আবর্জনার স্তূপ।

পৌর এলাকার অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভাঙ্গুড়া ছোট্ট পৌরসভা হলেও এখানে কৃষি ও গোখামার-নির্ভর বেশ কিছু পুরোনো পাইকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। ফলে পুরো জেলার ব্যাপক মানুষের চলাচলে মুখর পৌর এলাকাটি। কিন্তু দীর্ঘদিনের অযত্নে পৌর এলাকার সড়ক থেকে শুরু করে পৌর এলাকার সেবাখাতগুলোতে বেহাল দশা তৈরি হয়েছে।

উপজেলা সড়কের পাঁচ-ছয়জন ব্যবসায়ী জানান, নবনির্বাচিত বর্তমান মেয়র দায়িত্ব গ্রহণের পর কিছু সড়ক মেরামত করেছেন। ঝুলিয়েছেন সড়ক বাতি। তবে পৌর এলাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সড়কটি এখনো মেরামত হয়নি। এই সড়ক দিয়ে পৌর এলাকাসহ উপজেলাবাসী উপজেলা সদরে যাতায়াত করে।

পৌর সদরের সবচেয়ে বড় শরৎনগর বাজারটি এই সড়কে। পৌর এলাকার বাইরের বিএল বাড়ি ও চর ভাঙ্গুড়া গ্রামের বাসিন্দারা সড়টি ব্যবহার করে। এ ছাড়া পৌর সদরের ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয়, জরিনা রহিম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ, হাজী জামাল উদ্দিন কলেজসহ বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর সড়কটি মেরামত করা হয় না।

গত সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের ছোট সড়কগুলোতে জমে আছে বৃষ্টির পানি। জমে থাকা পানিতে ভাসছে ময়লা আবর্জনা।

ব্যবসায়ী আবু বক্কার বলেন, অতিসত্বর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ময়লা-আবর্জনার ফেলার ব্যবস্থা না করলে পৌর এলাকা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

ভাঙ্গুড়া পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র গোলাম হাসনাইন বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর বেশ কিছু সড়ক মেরামতের কাজ করেছি। উপজেলা সড়কটি মেরামত কাজেরও টেন্ডার হয়ে গেছে। বৃষ্টির দিন গেলেই কাজ শুরু হবে। ড্রেন, কালভার্ট ও ডাস্টবিন নির্মাণের জন্য প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।’

0
1
fb-share-icon1

Best WordPress themes


© All rights reserved 2020 ® newspabna.com

 
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!