মাথা গোজার ঠাঁই পেল সেই গোফুরোন্নেছা

বার্তাকক্ষ : গত ২৮ মে রোববার ‘ইউপি সদস্য এখন ভিক্ষুক’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর সাবেক ইউপি সদস্য গোফুরোন্নেছার পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করল পাবনা সমাজসেবা অধিদপ্তর ও চাটমোহর উপজেলা প্রশাসন।

সংবাদটি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচরে আসার পর মঙ্গলবার ইউএনও বেগম শেহেলী লায়লা নিজে পার্শ্বডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে গোফুরোন্নেছার করুণ অবস্থা দেখে তার বসবাসের জন্য একটি ঘর নির্মাণ ও একটি দোকান করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এরপর গত বৃহস্পতিবার পাবনা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবদুল মোমিন চাটমোহর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এসে সাবেক ইউপি সদস্যের জন্য সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে তাকে এককালীন ৫০ হাজার টাকা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দেন।

উল্লেখ্য, চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের জোরাল শেখের মেয়ে গোফুরোন্নেছা। ১৯৮৭ সালে পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পুরুষ প্রার্থীদের সঙ্গে লড়াই করে সাধারণ সদস্যপদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এরপর স্বামী মারা যাওয়ার পর তার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। বাবার রেখে যাওয়া তিন শতক জায়গার ওপর কুড়ে ঘর করে বসবাস শুরু করেন নি:সন্তান গোফুরোন্নেছা।

গত ২ বছর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর গচ্ছিত যা কিছু ছিলো সবকিছু বিক্রি করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা করাতে গিয়ে সবকিছু বিক্রি করে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েন তিনি। পরে ভিক্ষা বৃত্তি ছাড়া আর কোন পথ খোলা ছিলো না গোফুরোন্নেছার।

পূর্বের সংবাদ : ইউপি সদস্য এখন ভিক্ষুক!