যৌতুকলোভী পুলিশ স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূ হাসপাতালে

সুজানগর প্রতিনিধি : পাবনার সুজানগরে দুই লাখ টাকা যৌতুক না পেয়ে পুলিশ কনেস্টবল স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন স্কুল শিক্ষিকা গৃহবধূ শারমিন আক্তার রিমা।

নির্যাতনের শিকার শিক্ষিকা শারমিন আক্তার সুজানগর হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন।

একজন স্কুল শিক্ষিকা হয়েও আইনের রক্ষক পুলিশে কর্মরত স্বামী কর্তৃক যৌতুকের দাবি পুরণ না হওয়ায় নির্মম নিয়াতনে হতবাক সবাই।

হাসপাতালে অসুস্থ শারমিনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সাতমাস আগে মানিকহাট গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে কুষ্টিয়ায় কর্মরত পুলিশ কনেস্টবল সোহেল রানার সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মটর সাইকেল কেনার জন্য দুই লক্ষ টাকা দাবি করে সোহেল রানা।

বিয়ের পর থেকে প্রতি মাসে বেতনের দশ হাজার টাকা হারে দিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি করেন শারমিন।

ইতিমধ্যে সোহেল চলতি মাসে দুই লাখ টাকা লোন করে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। এতে অপারগতা প্রকাশ করে শারমিন।

আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার বাড়িতে থাকা অবস্থায় শারমিনকে মারপিট করে তার পুলিশ স্বামী। এক পর্যায়ে এ্কই গ্রামের কথিত প্রেমিকাকে বিয়ে করারও হুমকি দেয় এই পুলিশ।

এসবের প্রতিবাদ করলে শারমিনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে শারমিনের গলায় গামছা পেচিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই সময় শশুর-শাশুরি বাড়িতে থাকলেও শারমিনকে বাচাতে কেও আসেনি বলে অভিযোগ করেন শারমিন।

শারমিনের বাবা আবুল হোসেন একই উপজেলার খয়রানের গ্রামের বাড়ি থেকে খবর পেয়ে শারমিনকে উদ্ধার করে সুজানগর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।